Sun-Ring


**Sun-Ring ( সূর্য-বলয় )—->>
বর্ষার ঠিক আগে বা পরে ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঁচ-দশ কিলোমিটার উঁচুতে আকাশে যখন অলক মেঘ (পেঁজা তুলোর মতো মেঘ, যা থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা) তৈরি হয়, তখনই এই ধরনের সূর্য-বলয় তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হয়.
উঁচুতে তৈরি হওয়া অলক মেঘের কেন্দ্রে তাপমাত্রা শূন্যের তিন-চার ডিগ্রির নীচে নেমে যায়। জলীয় বাষ্প বরফকণায় পরিণত হয়। কোনও ভাবে ওই অলক মেঘ সরে গেলে ষড়ভুজাকৃতি বরফকণাগুলি আকাশে ভেসে বেড়ায় এবং সূর্যের চারপাশে চলে আসে। সেই বরফকণাগুলির মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো যখন বিচ্ছুরিত হয়, তখন তা সাতটি রঙে ভেঙে যায়। আর সূর্যকে ঘিরে তৈরি হয় সাত রঙের বলয়।
প্রতিটি ষড়ভুজাকৃতি বরফকণা এক একটি প্রিজমের কাজ করে। প্রিজমের ভিতরে ঢোকার সময়ে প্রথম বার সূর্যের আলোর প্রতিসরণ হয়। বরফের প্রিজম থেকে আলো বেরোনোর সময়ে দ্বিতীয় প্রতিসরণ হয় আলোর। আর, এই প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলো ভেঙে যায় সাতটি রঙে। সূর্যকে ঘিরে তৈরি হয় গোলাকার রামধনু। বাইরের দিকে থাকে বেগুনি রং। ভিতরটা লাল।
অন্য রংগুলি অবশ্য খালি চোখে ধরা পড়ে না
এই ধরনের সূর্য-বলয় তৈরি হওয়ার অবশ্য দু’টি শর্ত রয়েছে। প্রথমটি হল, বায়ুপ্রবাহ কম থাকতে হবে। বায়ুর গতিবেগ বেশি থাকলে বরফের টুকরোগুলি ছন্নছাড়া হয়ে যায়। ফলে তারা সূর্যকে ঘিরে মালা তৈরি করতে পারবে না। দ্বিতীয় শর্ত হল, বরফের প্রিজমের ভিতরে সূর্যের আলো ঢোকার সময়ে প্রতিসরণের যে কোণটি তৈরি হবে, তা হবে ২২ ডিগ্রি। প্রতিসরণ কোণ ২২ ডিগ্রির কম বা বেশি হলে সূর্য-বলয় তৈরি হবে না।
***Mission Geography***

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s