Origin of the Universe Part 3


**”Origin of the Universe”
Part-3
**Big Bang Theory:
“সমস্যা ও বিভিন্ন
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়”
বর্তমানে প্রায় সকল গবেষক মহা
বিস্ফোরণ তত্ত্বকে মেনে নিলেও এক
সময় এমনটি ছিল না। তখন অনেকেই
কিছু বিকল্প মহাজাগতিক নকশা
বিশ্বাস করতো। এগুলো নিয়েই গড়ে
উঠেছে অ-প্রমিত বিশ্বতত্ত্ব (Non- standard Cosmology)। সময়ের সাথে সাথে
অনেক বিতর্কেরও সৃষ্টি হয়েছে যার
মূল উদ্দেশ্য ছিল ঠিক কোন নকশাটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের সাথে সবচেয়ে ভাল খাঁপ খায় তা বের
করা। বর্তমানে মহা বিস্ফোরণ তত্ত্ব
জনপ্রিয়তা লাভ করায় এই
বিতর্কগুলোকে ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ
থেকে দেখা হয়; এগুলোর সমাধান করার
জন্য এই তত্ত্বে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে আবার মাঝেমাঝে উন্নততর
পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সমাধান হয়ে
গেছে এমন সমস্যাগুলো ছাড়াও আরও
কিছু সমস্যা রয়েছে, যেমন: কাস্পি হ্যালো সমস্যা এবং শীতল অদৃশ্য বস্তুর বামন ছায়াপথ সমস্যা । তবে এই সমস্যাগুলো মহা বিস্ফোরণ তত্ত্বের
সাথে খুব একটা সাংঘর্ষিক নয়। মহা বিস্ফোরণ তত্ত্ব এমন অনেকগুলো
প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে যার কোন সঠিক
উত্তর দেয়ার মতো পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা
আমাদের পৃথিবীতে নেই। এর মধ্যে
রয়েছে অদৃশ্য শক্তি , অদৃশ্য বস্তু, মহাজাগতীক স্ফীতিশীলতা ইত্যাদি থেকে উদ্ভূত সমস্যাগুলো। এগুলোকে পদার্থবিজ্ঞানেরসমাধানহীন
সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। এগুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজন মহা বিস্ফোরণ কেন্দ্রীন সংশ্লেষ বিষয়ে স্বাধীন গবেষণা, মহাজাগতিক ক্ষুদ্র তরঙ্গ পটভূমি বিকিরণের মূল বিষয় নিয়ে অধ্যয়ন এবং মহাবিশ্বের বৃহৎ
পরিসর গঠনে বিদ্যমান অতি নব তারা নিয়ে অধ্যয়ন। সমস্যাগুলোর
মহাকর্ষীয় প্রভাব পর্যবেক্ষণ এবং
তত্ত্বের মাধ্যসে বর্তমানে অনেকটাই
বোধগম্য হয়েছে। কিন্তু এই
তত্ত্বগুলোকে কণা পদার্থবিজ্ঞানেরআদর্শ নকশার মধ্যে সঠিকভাবে
বিন্যস্ত করা হয়নি। মৌলিক
পদার্থবিজ্ঞান দ্বারা অনেকগুলোর
উত্তর বের করার চেষ্টা করা হয়েছে,
আর এ থেকেই বিভিন্ন তত্ত্বের সৃষ্টি
হয়েছে।
1.দিগন্ত সমস্যা : দিগন্ত সমস্যা তথ্য আলোর চেয়ে দ্রুতগতিতে চলতে
পারে না, এই ধারণা থেকেই দিগন্ত
সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ থেকে বোঝা
যায়, অনেক দূরত্বে অবস্থিত
মহাবিশ্বের দুটি স্থান যাদের
মধ্যবর্তী দূরত্ব আলোর দ্রুতির এবং মহাবিশ্বের বয়সের গুণফলের চেয়েও
বেশী, তাদের মধ্যে কারণিক (causal) সংযোগ ঘটা কখনই সম্ভব নয়। মহাজাগতিক ক্ষুদ্র তরঙ্গ পটভূমি
বিকিরণের যে আইসোপট্রপি
পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে তা এক্ষেত্রে
আরও সমস্যার সৃষ্টি করেছে, কারণ এই
সময়ের যে দিগন্ত তার আকার মহাকাশের প্রায় ২ ডিগ্রী অংশের
সমমানের। মহাবিশ্ব যদি প্লাংক
ইপকের পর থেকে একইভাবে
সম্প্রসারিত হতে থাকত তবে এই
অঞ্চলগুলোতে তাপমাত্রা সমান থাকতে
পারতো না।
2.অদৃশ্য বস্তু : অদৃশ্য বস্তু মহাবিশ্বের বিভিন্ন উপাদানের
পরিমাণের আনুপাতিক শক্তি-ঘনত্বের
একটি পাই ছক ; ল্যাম্ব্ডা-সিডিএম নকশা অনুসারে। ১৯৭০ ও ৮০’র দশকে বিভিন্ন
পর্যবেক্ষণ দ্বারা এটি প্রমাণিত হয়,
মহাবিশ্বের ছায়াপথসমূহ এবং এদের
অন্তবর্তী স্থানে বিদ্যমান
মহাকর্ষীয় বলের আপাত শক্তির
পরিমাণ এত বেশি যে দৃশ্যমান পদার্থগুলোর পক্ষে এ শক্তি সরবরাহ
করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ নির্দিষ্ট
পদার্থের তুলনায় শক্তি অনেক বেশি।
এর পর বিজ্ঞানীরা এই ধারণা গ্রহণ
করতে বাধ্য হন যে, মহাবিশ্বের
শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ পদার্থই সাধারণ বেরিয়ন পদার্থ নয় বরং এরা হচ্ছে অদৃশ্য বস্তু (dark matter)। এর পূর্বে ধারণা করা হত মহাবিশ্বের সকল
পদার্থই সাধারণ যা আমরা দেখতে বা
অনুধাবন করতে পারি। কিন্তু এই ধারণা
পর্যবেক্ষণের সাথে সামাঞ্জস্যহীন
ছিল। অদৃশ্য বস্তুর ধারণা বাদ দিলে
মহাবিশ্বে যে পরিমাণ ডিউটেরিয়াম থাকা উচিত ছিল বর্তমানে তার চেয়ে
অনেক কম রয়েছে। এই সমস্যা নিরসনের
জন্য অদৃশ্য বস্তুর কল্পনা করা ছাড়া
গত্যন্তর নেই। প্রথম আবিষ্কারের
পরপর এই বস্তুটি ব্যাপক বিতর্কের
সৃষ্টি করলেও বর্তমানে অধিকাংশ বিশ্বতত্ত্ববিদ এটি মেনে নিয়েছেন।
কারণ বর্তমানে সিএমবি’র মাধ্যমে যে এনিসোট্রপি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে তা বিজ্ঞানসম্মতভাবে
ব্যাখ্যা করতে হলে এর কোন বিকল্প
নেই। এছাড়াও ছায়াপথ স্তবক সমূহের বেগের উঠানাম, বৃহৎ-পরিসরে
মহাবিশ্বের বন্টন, মহাকর্ষীয় লেন্সিং অধ্যয়ন এবং ছায়াপথ স্তবক থেকে প্রাপ্ত রঞ্জন-রশ্মি নিয়ে গবেষণা করতে যেয়ে এই বস্তুর
উপস্থিতি স্বীকার করে নিতে হয়েছে। ২০০৬ সালে আগস্ট মাসে বুলেট স্তবকের ছায়াপথসমূহের মধ্যে সংঘর্ষ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বর্তমানে
বিজ্ঞানীরা অদৃশ্য বস্তুর ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন। অদৃশ্য বস্তু চিহ্নিত করা প্রায় দুঃসাধ্য। কারণ এর
মহাকর্ষীয় প্রভাব সঠিকভাবে বোঝা
যায় না। এখন পর্যন্ত কোন
গবেষণাগারে সরাসরি অদৃশ্য বস্তু
পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় নি। কণা
পদার্থবিজ্ঞানেরঅনেক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয় বর্তমানে অদৃশ্য বস্তু।
3.অদৃশ্য শক্তি : অদৃশ্য শক্তি ১৯৯০-এর দশকে মহাবিশ্বের মোট ভর ঘনত্বের একটি বিস্তৃত পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়। এই পরিসংখ্যান
অনুসারে মহাবিশ্বের ভর ঘনত্ব ক্রান্তি ঘনত্বের মাত্র শতকরা ৩০ ভাগ। মহাজাগতিক ক্ষুদ্র তরঙ্গ পটভূমির পরিমাপ করার মাধ্যমে জানা
গেছে যে মহাবিশ্ব স্প্যাশিয়ালভাবে
প্রায় সমতলীয়। এ কারণে এর শতকরা
প্রায় ৭০ভাগ শক্তি ঘনত্বের কোন
ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। এই রহস্যটি
বর্তমানে অন্য একটি বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করে: লা ধরণের অতি নবতারার স্বাধীন পরিমাপের মাধ্যমে এটি
প্রমাণ করা হয়েছে যে, মহাবিশ্বের
সম্প্রসারণ একটি অরৈখিক ত্বরণে হচ্ছে। এই ত্বরণ ব্যাখ্যার জন্য
সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে এমন
একটি মহাবিশ্বের ধারণা গ্রহণ করা
প্রয়োজন যাতে ঋণাত্মক চাপবিশিষ্ট বিপুল সংখ্যক শক্তি উপাদান থাকা
প্রয়োজন। এ থেকেই এসেছে অদৃশ্য
শক্তির ধারণা। ধারণা করা হয় এই
শক্তি অবশিষ্ট ৭০% গঠন করেছে। এর
প্রকৃতি বর্তমান মহা বিস্ফোরণ
তত্ত্বের অন্যতম রহস্যময় বিষয়। এর সম্ভাব্য সমাধান পাওয়া যায় মহাজাগতিক ধ্রুবকের স্কেলার মান গ্রহণ এবং ভৌত শুন্য স্থান গঠনকারী কুইনটেসেন্সের পরিমাণ ধরে নেয়া। তবে এ বিষয়টি বোঝার জন্য
বর্তমানেও গবেষণা এগিয়ে চলছে।
২০০৬ সালে ডব্লিউএমএপি থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে মহাবিশ্বে ৭৪%
অদৃশ্য শক্তি, ২২% অদৃশ্য বস্তু এবং
মাত্র ৪% সাধারণ বস্তু রয়েছে।
***Mission Geography***
*Join our whatsapp group- 9735337699.

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s