Spiral Galaxy


**Spiral Galaxy or সর্পিল ছায়াপথ:-
সর্পিল ছায়াপথ এক ধরনের ছায়াপথ যা দেখতে চেপ্টা, ধীরে ধীরে এর
চারপাশের স্ফীতি চাকতিগুলো কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে
পর্যাবৃত্তাকারেঘুরতে থাকে।ইহার কেন্দ্রে
নক্ষত্র,গ্যাস,ধূলিকণা, অন্ধকার বস্তু এবং শক্তিশালী কৃষ্ণ বিবর ধারন করে। উইলিয়া হেরসচেল ১৮শ শতাব্দীতে ছায়াপথের তালিকা তৈরি করেন।
১৯৩৬ সালে এডউইন হাবল তার গবেষণায় সর্বপ্রথম সর্পিল
ছায়াপথের সন্ধান মেলে দি রিয়েলম অব নেবুলা”। তাদের নামকরণ তাদের আকারের ভিত্তিতে করা হয়।
*সর্পিল ছায়াপথের উপকরণ: নক্ষত্রদের এবং নক্ষত্রভুক্ত কণা র চারপাশের চেপ্টা চাকতি (যা প্রায়
নতুন সৃষ্ট)। বয়স্ক নক্ষত্রের স্ফীত আয়তন হতে কেন্দ্রীয় নাক্ষত্রিক মন্ডল সৃষ্ট হয়,
যা উপবৃত্তাকার ছায়াপথ এর অনুরূপ হয়। নক্ষত্রের কিছুটা গোলকীয় বর্ণবলয় দেখা, বর্তুলাকার স্তবক যুক্ত রয়েছে শক্তিশালী কৃষ্ণ বিবর নক্ষত্রের কেন্দ্রে অবস্থিত। কিছুটা গোলকীয় অন্ধকার বস্তু যাতে কিছু বর্ণবলয় দেখা যায়। একটি
ছায়াপথের আপেক্ষিক গুরূত্ব, ভর
নিরিখে, উজ্জ্বলতা,আকার এবং উপকরণ
ছায়াপথ থেকে ছায়াপথে ভিন্ন হয়।
*সর্পিল বাহুদয়:-
সর্পিল বাহুদয় নক্ষত্র এর কেন্দ্র হতে সৃষ্ট সর্পিল এবং নিষিদ্ধ সর্পিল ছায়াপথ ।এগুলো লম্বা, চিকন সর্পিলের ন্যায় এবং এই কারনে এগুলোর নামকরণ সর্পিল ছায়াপথ ।প্রাকৃতিকভাবে,বিভিন্নরকমের ছায়াপথের বাহুর উপর
নির্ভর করে সর্পিল ছায়াপথের প্রকারভেদ করা হয়েছে।উদাহরণস্বরূপ এস ছি এবং এস বি সি ছায়াপথদয়ে,
রয়েছে খুবই “হালকা” বাহুদ্বয়।কিন্তু
এস এ এবং এস বি এ ছায়াপথে রয়েছে
খুবই শক্তিশালী বাহুদয় (হাবল
সিকুয়েন্সের তথ্যসূত্রানুযায়ী)।
উভয়ক্ষেত্রে, সর্পিলবাহুদ্বয়অনেক নতুন এবং নীল নক্ষত্র ধারণ করে (উচ্চ
ঘনত্বের ভর এবং নতুন নক্ষত্রের
সৃষ্টির কারণে), যা বাহুদ্বয়কে অনেক
উজ্জ্বল করে তুলেছে।
***Mission Geography***

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s