BLACK HOLE


**Black Hole**
বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের কতক গুলি রহস্যের মধ্যে BLACK HOLE রহস্য অন্যতম। বিশাল আকৃতির কোনো নক্ষত্র যখন তার জ্বালানি পুড়িয়ে শেষ করে ফেলে, তখন নক্ষত্র গুলি সংকুচিত হতে থাকে। সাধারণত GALAXY গুলির মাঝে অবস্থানরত বড় বড় নক্ষত্র গুলি তাদের বিবর্তনের শেষ পর্যায়ে SUPERNOVA বিস্ফোরণের মাধ্যমে BLACK HOLE এর সৃষ্টি করে।
বিশাল আয়তন নক্ষত্র গুলি সংকুচিত হয়ে অতি বিশাল ঘনত্ব সম্পন্ন হয়ে পড়ে। এদের মহাকর্ষীয় বল এতই বেশি হয় যে সেখান থেকে আলোও নির্গত হতে পারে না। যেহেতু আলো বেরিয়ে আসতে পারে না, তাই BLACK HOLE এর অস্তিত্বও চোখে পড়ে না (কারণ, আমরা জানি কোনো বস্তুতে আলো পড়ে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পৌঁছালে তা দৃশ্যমান হয়)।
তাহলেBLACK HOLEএর অবস্থান কি ভাবে বোঝা যাবে ?
– মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মতে, অনেক সময় মহাকাশে দেখা যায় একটি বিশেষ বিন্দুকে কেন্দ্র করে প্রচুর তারকা রাশি ঘুরছে অথবা দেখা যায়, সর্পিল আকার গ্যাসীয় বস্তু কোনো বিন্দুকে কেন্দ্র করে অবস্থান করে। এই বিশেষ বিন্দুগুলিই হল BLACK HOLE. অর্থাৎ BLACK HOLE দেখা যাচ্ছে না ঠিকই কিন্তু নিজেদের অস্তিত্বের জানান দেয় উপরোক্ত ভাবে।
তবে BLACK HOLE সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা বিশেষ কিছু জানতে পারেন নি। তাই এটি এখনও রহস্যাবৃত।
Source- All Bengal Geography Student.
***Mission Geography***

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s