GEOMORPHOLOGY SAQ


**Geomorphology সম্পর্কিত কয়েকটি বিখ্যাত বই ও বইগুলির লেখক :
1. Principles of Geology – চার্লস লয়েল (Charles Lyell)
2. Principle of Geomorphology – থর্নবেরি (W.D. Thornbury)
3. Morphology of Earth -এল সি কিং (L.C. King)
4. Our Mobile Earth -ডেলি (Daly)
5. World Geomorphology – ই এম ব্রীজেস (E.M. Bridges)
6. The Nature of Physical geography- গ্রেগরি (Gregory)
7. The Physical Basis of Geography and An Outline of Geomorphology উলড্রিজ (Wooldridge)
8. The Unstable Earth – জে এ স্টিয়ার্স (JA. Steers)
9. A treatise, the great Ice Age – জেমস গেইকি (James Geikie)
10. Illustration of The Huttonian Theory of The Earth – জন প্লেফেয়ার (John Playfair)
11. Theory of the Earth -জেমস হাটন (James Hutton)
Geomorphology সম্পর্কিত কতকগুলি বিখ্যাত উক্তি :
‘Egypt is the gift of Nile’- হেরোডোটাস (Herodotus)
Rivers make their own valley – লিওনার্ডো দ্যা ভিঞ্চি (Leonardo da Vinci)
প্রথম ‘Base Level-এর ধারণা- জে ডব্লু পাওয়েল (J.W.Powell)
‘Present is the key to the past’, No vestige of beginning – no prospect of an end -জেমস হাটন (James Hutton)
Cyclic nature of the earth history ধারণা- জেমস হাটন (James Hutton)
Complexity of geomorphic evolution is more common than simplicity -থর্নবেরি (Thornbury).
***Mission Geography***

** শিলালক্ষণ ও ভূমিরূপ (Lithology & Landforms) :-
• শিলালক্ষণ (Lithology) বলতে- শিলার যান্ত্রিক ও রাসায়নিক বৈশি বর্ণ, দানার আকৃতি, খনিজের সমন্বয়, গ্রথন ইত্যাদি শিলাপাঠকে বোঝায়।
• পৃথিবীপৃষ্ঠের ভূমিভাগের আকৃতি, বন্ধুরতা, উচ্চতা, ঢালকে- ভূমিরূপ বলে।
ভূমিরূপের পর্যায় তিনটি-
(1) প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপ – (First order relief)- উদা, মহাদেশ ও মহাসাগর।
(2) দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ – (Second order relief) – উদা: পর্বত, মালভূমি, সমভূমি।
(3)তৃতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ- (Third order relief)- উদা: গিরিখাত, প্লাবনভূমি।
আবহবিকার (Weathering) –
• প্রথম ‘পর্যায়ন প্রক্রিয়া’ (Gradation) শব্দটি ব্যবহার করেন- ভূবিজ্ঞানী চেম্বারলিন ও স্যালিসব্যারি।
• ইংরেজি “Denudation” শব্দটির উৎপত্তি- ল্যাটিন শব্দ ‘‘Denudare’ থেকে যার অর্থ- To strip bare
বা To lay bare
• আবহবিকার প্রক্রিয়ায় শিলাস্তর চুর্ণবিচূণ হয় কিন্তু- অপসারিত হয় না।
• আবহবিকার, ক্ষয়ীভবন ও পুঞ্জিত ক্ষয়ের সম্মিলিত ফলকে একত্রে- নগ্নীভবন (Denudation) বলে।
• যান্ত্রিক আবহবিকার- উয় মরু, শীতল মরু, মরুপ্রায় অঞ্চল, উচ্চ পার্বত্য ও শীতল জলবায়ু অঞ্চলে ঘটে থাকে।
• রাসায়নিক আবহবিকার – নিরক্ষীয়, উষ্ণ-আর্দ্র, ক্রান্তীয় মৌসুমী, আৰ্দ্ৰ নাতিশীতোয় জলবায়ু অঞ্চলে ঘটে থাকে।
• ইংরেজি “Exfoliation’ শব্দটির অর্থ- “Peeling away’ বা খোসা ছাড়ানো।
• গ্রানাইট শিলায় – শল্কমোচন আবহবিকার ঘটে।
• বিষমসত্ত্ব শিলায় – ক্ষুদ্রকণা বিশরণ (granular disintegration)আবহবিকার ঘটে।
• ব্যাসল্ট শিলায় – প্রস্তর চাই বিচ্ছিন্নকরণ (block disintegration)ঘটে থাকে। ।
• আবহবিকারের ফলে স্ত্রী ও ট্যালাস দ্বারা পর্বতের পাদদেশ আবৃত থাকলে, তাকে- ব্লকম্পেড (Felsenmer) বলে।
• রাসায়নিক আবহবিকারের হাইড্রোলিসিস প্রক্রিয়ায়- উপগোলাকৃতি আবহবিকার (spheroidal weathering) হয়।
• বৃষ্টিবহুল ক্রান্তীয় অঞ্চলে- রাসায়নিক আবহবিকারেব প্রাধান্য দেখা যায়।
• জারণ (Oxidation) প্রক্রিয়ার দ্বারা – লোহার ওপর মরিচা পড়ে।
• চুনাপাথর গঠিত অঞ্চলে – কার্বোনেশন বা অঙ্গারযোজন প্রক্রিয়ায় আবহবিকার ঘটে।
• যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলার – ভৌত ধর্মের পরিবর্তন ঘটে।
• ক্যালশিয়াম কার্বোনেট ক্যালশিয়াম বাই কার্বনেটে পরিণত হয়- অঙ্গারযোজন (Carbonation) প্রক্রিয়ায়।
• বন্ধ জলাভূমিতে ব্যাকটেরিয়ার কাজের দ্বারা- বিজারণ (Reduction) প্রক্রিয়া অধিক কার্যকরী হয়।
• কলিকরণ প্রক্রিয়ায় আবহবিকার ঘটে- উপকূল অঞ্চলে।
• হেমাটাইট লিমোনাইটে পরিণত হয় – জলযোজন (Hydration) প্রক্রিয়ার দ্বারা।
• সমসত্ত্ব শিলায় – শঙ্কমোচন আবহবিকার ঘটে।
• ছোটোনাগপুর মালভূমিতে টর দেখা যায়- গ্রানাইট শিলায়।
• ভূপৃষ্ঠের অল্প নীচে ভ্ৰাম্যমান অ্যালুমিনিয়াম,লোহা, সিলিকা ও চুনের স্থানীয় কেন্দ্রীভবনের ফলে উৎপন্ন এক কঠিন ত্বক হল- ডিউরিক্রাস্ট/আবহবিকার ত্বক/কুইরাস।
• E.J. wayland 1934সালে ‘চাঁচন তল’ (Etch plain) শব্দটি ব্যবহার করেন।
• ফেলসেনমার (Felsenmer)-এর অপর নাম- Block spade/Rock Sea (শিলা সমুদ্র)।
• যে সব ফাটল দ্বারা বৃহদায়তন বোল্ডার কম সংখ্যার বড়ো বড়ো খণ্ডে বিভক্ত হয় তাদের – Kensprung বলে।
• শিলাখণ্ডের ওপরের অংশ আবহবিকারের দ্বারা এতটাই পরিবর্তিত হয় যে অন্যদের থেকে রং, সচ্ছিদ্র বা বৈশিষ্ট্য দ্বারা স্বতন্ত্র হয়ে পড়ে একে – প্যাটিনা (Patina) বলে।
• বৈষম্যমূলক আবহবিকারের ফলে স্তম্ভ ও নানা আকৃতির শিলা ভূমির উপর দন্ডায়মান থাকে। এদের সম্মিলিত ভাবে – হুডু forzit (Hoodo Rock) বলে।
• আবহবিকারপ্রাপ্তপদার্থের নীচে অবস্থিত শিলা গঠিত ভূমিকে- ‘আবহবিকার ভূমিতল’ (Basal Surface of Weathering) বলে।
• ‘Deep Weathering Theory’-এর প্রবক্তা হলেন- লিনটন।
• সর্বাধিক রাসায়নিক আবহবিকার ঘটে- ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে।
• আবহবিকারের ফলে উৎপন্ন মৃত্তিকাময় শিথিল শিলাচুর্ণকে- রেগোলিথ বলে।
• রাসায়নিক আবহবিকারে ক্রান্তীয় অঞ্চলে- ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা সৃষ্টি হয়।
• ‘উপগোলাকার’ (Spheroidal Weathering) আবহবিকারের প্রবক্তা হলেন- ওলিয়ার।
***Mission Geography***

** পুঞ্জিত ক্ষয় (Mass Wasting) :-
• সরাসরি অভিকর্ষজ বলের প্রভাবে ভূমির ঢাল বেয়ে অবস্কার ও মৃত্তিকার স্থানান্তর কে- পুঞ্জিত ক্ষয় বলে।
• ল্যাটিন শব্দ ‘solum’ (যার অর্থ মৃত্তিকা) এবং “Fluere” (যার অর্থ প্রবাহ) থেকে- Solifluction শব্দটি এসেছে যার অর্থ মৃত্তিকা প্রবাহ।
• সর্বপ্রথম Solifluction শব্দটি উপস্থাপন করেন- J.G. Anderson (1906)।
• J.Daylik পেরিগ্লেসিয়াল জলবায়ুতে Solifluction শব্দটির পরিবর্তে- ‘congelinuction’ শব্দটি উপস্থাপন করেন।
• K.Brayan (1946) সর্বপ্রথম “Cryoturbation’শব্দটি ব্যবহার করেন যার দ্বারা – রেগোলিথের পুঞ্জ বিচলন কে বোঝায়।
• পুঞ্জিত ক্ষয়ের দ্রুতগতি সম্পন্ন প্রক্রিয়া হল- কদম প্রবাহ (Mud flow)।
• গাছ, বেড়া, টেলিগ্রাফ পোস্ট নীচের দিকে বেঁকে যায়- মৃত্তিকা বিসৰ্পন (Soil creep)-এর ফলে।
• মাটির নীচে যে স্তরে জল সারাবছর বরফ অবস্থায় থাকে সেই স্তরকে- চিরহিমন বা পার্মাফ্রস্ট বলে।
• ‘পার্মাফ্রস্ট’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – S.W. Mullar।
• বার বার অবস্কর সম্প্রপাতের ফলে নিরেট ভূমিশিলার ওপর খাতের সৃষ্টি হয়। এদেরকে- সম্প্রপাত চুট (avalanches chutes) বলে।
ঢালের বিবর্তন (Evolution of Slope)
• অনুভূমিক অথবা উল্লম্বতল থেকে উধ্বদিকে অথবা নিম্নদিকে স্বাভাবিক এবং কৃত্রিম ভূপৃষ্ঠের নতিকে – ঢাল (Slope) বলে।
• যে ভূমিরূপের উপরের অংশে তুলনামূলকভাবে নীচের অংশের তুলনায় বেশী ঢাল যুক্ত থাকে, তাকে – উত্তল ঢাল (Concave Slope) বলে।
• ঢাল ৬ প্রকার- ভৃগু ঢাল বা খাড়া ধাল,সরলরেখাব ধাল,উত্তল ধাল,অবতল ধাল,মিশ্র ধাল,সুষম ঢাল।
• ভৃগু ঢালে উৎপন্ন শিলাচুৰ্ণ সঞ্চিত হতে পারে না ফলে একে – মুক্ত পার্শ্ব ঢাল (Free-Face Slope) বলে।
• যে ঢালের উর্ধ্বে উত্তল ও নিম্নে অবতল ঢাল লক্ষ করা যায় তাকে – সরলরেখাবর্ত ঢাল বলে।
• সরলরেখাবর্ত ঢাল (Rectilinear Slope)- অবস্কর নিয়ন্ত্রিত ঢাল নামে পরিচিত।
• সুষম ঢাল যে সব অঞ্চলে অবস্থান করে সেখানে সমোন্নতি রেখাগুলি- সমদূরে অবস্থিত হয়।
• ঢালের ক্রমহ্রাসমান তত্ত্ব (Slope Decline Theory)-এর প্রবক্তা হলেন- W.M.Davis (1899) |
• ঢালের পরিবর্তন (Slope Replacement) তত্ত্বের ধারণা দেন- W.Penck |
• ঢালের সমান্তরাল পশ্চাদ অপসারণ (Parallel Retreat of Slope) তত্ত্বের প্রবক্তা হলেন- L.C. King
• ‘The development of hillside slopes’ গবেষনাপত্রটির লেখক হলেন- A.Wood
• ঢালের নিম্নাংশের তীব্র ভূমিক্ষয়কে- ভৌম অবক্ষয় (Basal Sapping) বলে।
• ‘ধুবক ঢাল’ (Constant slope)-এর কথা সর্বপ্রথম বলেন- A.Wood
জলচক্র (Hydrological Cycle)-
• যে চক্রাকার পথে বারিমণ্ডলের জলবায়ুমণ্ডল ও শিলামণ্ডলের মধ্য দিয়ে কঠিন, তরল, গ্যাসীয় অবস্থার মাধ্যমে আবর্তিত হয়ে পুনরায় বারিমণ্ডলে ফিরে আসে, তাকে – জলচক্র বলে।
• জলচক্রের উপাদানগুলি হল : – (i) বাষ্পীভবন ও বাষ্পীয় প্রস্বেদন (ii) ঘনীভবন (iii) অধক্ষেপন (iv) জল নিকাশ.
• জলচক্র একটি- বদ্ধ প্রণালীর (Closed system)-এর অন্তর্গত।
• সারা পৃথিবীর জলনিকাশের এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশী জল নিকাশিত হয় – এশিয়া মহাদেশ থেকে।
• শুষ্কতম মহাদেশের নাম হলো – অস্ট্রেলিয়া।
• উদ্ভিদের পাতা থেকে বাষ্পীভবন-এর প্রক্রিয়াকে — বাপীয় প্রস্বেদন (Evapotranspiration) বলে।
• শিলার ফাঁকফোকর এর মধ্য দিয়ে চুইয়ে চুইয়ে জল নীচে প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে — অনুস্রবণ (Percolation) বলে।
• প্রবেশ স্তরের মধ্যে দিয়ে জল চুইয়ে নীচে নেমে যায় এই প্রক্রিয়াকে — পরিস্রবন (Infiltration) বলে।
• মৃত্তিকার ভিতর দিয়ে জলের পরিচলন ধর্মের নাম– শিলার প্রবেশ্যতা (Permeability)।
জলনিকাশ (Run off)-
• ভূপৃষ্ঠের উপর দিয়ে জল বয়ে গিয়ে কোনো খাতে পড়লে, জলের এই প্রবাহকে — জলনিকাশ (Run off) বলে।
• জলনিকাশ (Run off) তিন প্রকার–(i) পৃষ্ঠ প্রবাহ (Surface Run off), (ii) অভ্যন্তরস্থ প্রবাহ (Sub-Surface Run off) এবং (iii) ভিত্তি প্রবাহ (Base Run off)।
• যখন মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে জল ভূপৃষ্ঠের উপর দিয়ে গড়িয়ে যায় তাকে — পৃষ্ঠ প্রবাহ (Surface Run off) বলে।
• সর্বপ্রথম ‘Run off cycle-এর ব্যাখ্যা দেন- প্রখ্যাত জলতত্ত্ববিদ William Hoyt
• ভূপৃষ্ঠস্থ নদীনালা দিয়ে স্থলভাগের জল সমুদ্রে নির্গত হলে তাকে- ডিসচার্জ বলে।
• বৃষ্টিপাত, বরফগলা জল প্রভৃতির দ্বারা জলের পুনঃপ্রাপ্তি ঘটে, একে- রিচার্জ বলে।
• সম্ভাব্য বাষ্পীয় প্রস্বেদন (Potential Evapotranspiration)প্রকাশ করা হয়- ‘PET’ দ্বারা।
• কোনো একটি বিশেষ অবস্থায় যে পরিমাণ প্রকৃত বাষ্পীয় প্রস্বেদন সংঘটিত হয় তাকে- যথার্থ বাষ্পীয় প্রস্বেদন (Absolute Evapotranspiration) বলে।
• প্রবেশ্য শিলাস্তরে ভৌমজলের উপরের সীমা বরাবর যে রেখাটি পাওয়া যায় তাকে- ভৌম জলস্তর (Ground Water Table) বলে।
• নির্দিষ্ট আয়তনের জলবাহী শিলার মধ্যে কতটা ভূজল রয়েছে তার আয়তনকে – ভূজলদেহ (Groundwater body) বলে।
• পর্যায়কালীন স্তরের নীচে স্থায়ীভাবে জল সঞ্চিত থাকে, ঐ স্তরকে – স্থায়ী সম্পৃক্ত স্তর বলে।
***Mission Geography***

** নদী গঠিত ভূমিরূপ ও প্রক্রিয়া- Fluvial Landform & Process :-
• ল্যাটিন শব্দ ‘Fluvius’- থেকে Fluvial শব্দটির উৎপত্তি, যার অর্থ নদী।
• ভারতের কয়েকটি আদর্শ নদীর নাম হল –গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং সিন্ধু।
• দুটি নদীর মধ্যবর্তী স্থানকে বলে- দোয়াব।
• প্রধান নদী, উপনদী ও শাখা নদী বিধৌত অঞ্চলকে – নদী অববাহিকা (River Basin) বলে।
• উপনদী ও শাখানদীসহ মূল নদী যে অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় সেই সমগ্র অঞ্চলটিকে নদীর – ধারণ অববাহিকা (Catchment area) বলে।
• পাশাপাশি অবস্থিত দুটি নদী অববাহিককে যে উচ্চভূমি পৃথক করে তাকে- জলবিভাজিকা (water Divide) বলে।
• ভারতের সাতপুরা পর্বত – নর্মদা ও তাপ্তীর জলবিভাজিকার উদাহরণ।
• ভারতের তিনটি জলবিভাজিকা অঞ্চল হল—(i) উত্তরের কারাকোরাম অঞ্চলসহ হিমালয়, (ii) মধ্য ভারতের বিন্ধ্য ও সাতপুরা অঞ্চল এবং (iii) পশ্চিম উপকূলে সহ্যাদ্রি বা পশ্চিমঘাট পর্বতমালা।
• কলোরাডো নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন একটি- গিরিখাত (George)-এর নাম।
• নদীর নির্দিষ্ট অংশ দিয়ে যত ঘনমিটার জল প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত হয় তার এককের নাম- কিউমেক।
• ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাতটির নাম – যোগ/গেরসোপ্লা/মহাত্মা গান্ধী জলপ্রপাত (সরাবতী নদীর ওপর)।
• পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত এর নাম হল- ভেনেজুয়েলার সেন্টে অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (কারাও নদীর ওপর)।
• পৃথিবীর বৃহত্তম নদী গঠিত দ্বীপটির নাম – ইলহা-দ্য-মারাজো(আমাজন নদী)।
• পৃথিবীর গভীরতম গিরিখাতের নাম হল – এল ক্যানন দ্য কলকা (পেরু) গিরিখাত।
• ভারতের বৃহত্তম নদী গঠিত দ্বীপটির নাম – ব্রহ্মপুত্রের মাজুলি দ্বীপ।
• বিশ্বের বৃহত্তম নদী অববাহিকা হল – আমাজন নদীর অববাহিকা।
• ভারতের বৃহত্তম নদী অববাহিকা হলো- গঙ্গা নদীর অববাহিকা।
• ‘ভূমির নিম্নক্ষয়সীমা’ (Base level of Erosion) ধারনাটি উপস্থাপন করেন- J.W.Powell (1875)
• ষষ্ঠ ঘাতের সূত্র (Sixth Power Low) প্রবক্তা হলেন- G.K.Gilbert
• প্রথম ‘Grade’ (পর্যায়/ক্ৰম) শব্দটি উপস্থাপন করেন- 1876 সালে G.K. Gilbert
• একটি নদী সর্বোচ্চ কীরকম আয়তনের শিলাখণ্ড পরিবহন করার যোগ্যতা রাখে তাকে – ঐ নদীর সামর্থ্য (Stream Competency) বলে।
• ভূপৃষ্ঠে নদীর বার্ষিক জলপ্রবাহের পরিমাণগত যে হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে তাকে – ঋতুভিত্তিক নদীবর্তন (River Regime) বলে।
• ফরাসী নদী বিজ্ঞানী পার্দে ঋতুভিত্তিক নদীবর্তনকে- তিন ভাগে ভাগ করেন।
• (i) সরল নদীবর্তনে নদীতে বছরে মাত্র একবার জলের পরিমাণ বাড়ে এবং কমে। উদাহরণ-ভোলগা, গঙ্গা,ইয়াং-সি-কিয়াং।
• (ii) দ্বিমাত্রিক নদীবর্তনে দুই বার জল বাড়ে কমে। উদাহরণ—আমাজন, জাইরে, গ্যারন, ওব ইত্যাদি নদী।
• (iii) জটিল নদীবর্তনে নদীর জল অধিক বার বাড়ে কমে। উদাহরণ—রাইন, দানিয়ুব, মিসিসিপি।
• নদীতে সময়ের ব্যবধানে জলপ্রবাহ কীরূপ বিভিন্নতা লাভ করে তা গ্রাফের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলে ঐ গ্রাফকে – হাইড্রোগ্রাফ বলে।
• নদীর জলপ্রবাহ ও নদীখাতের গভীরতা, এই দুটি জলরাশির ভিত্তিতে অঙ্কিত পরিলেখকে – Rating curve বলে।
• বিপরা নদীর (Obsequent Stream) অপর নাম- ভৃগুতট নদী।
উদাহরণ—শিবালিক পর্বতের উত্তর ঢালে এই প্রকার নদী দেখা যায়।
• পূর্ববর্তী বা পূর্বগামী (Antecedent stream) নদীর উদাহরণ হল সিন্ধু, শতদ্র, ব্রহ্মপুত্র।
• ঝাড়খণ্ডের সুবর্ণরেখা নদীর মুরি থেকে চান্ডিল পর্যন্ত অংশটি- অধ্যারোপ নদীর উদাহরণ।
• নদীর প্রস্থচ্ছেদে জলের নিচে নদীখাতের যে অংশ থাকে, জলবিদ্যায় তার দৈর্ঘ্যকে – আর্দ্র পরিসীমা (Wetted Perimeter) বা ভূমি পরিসীমা বলে।
• শুষ্ক জলবায়ু অঞ্চলের গিরিখাতগুলিকে – ক্যানিয়ন বলে।
• পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক গভীরতম ক্যানিয়ন হল- আমেরিকার অ্যারিজোনা প্রদেশের কলোরাডো নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
• রাঁচি মালভূমির ওপর গম্বুজাকৃতি পাহাড়ে প্যাট অঞ্চলে পরেশনাথ পাহাড়ের চারপাশে – কেন্দ্রবিমুখী জলনির্গম প্রণালী (Radial Drainage Pattern) দেখা যায়।
• অনুগামী নদীর বিপরীতমুখী প্রবাহিত নদীকে – বিপরা নদী (obsequent stream) বলে। উদা—শিবালিক পর্বতের উত্তর ঢালে এই নদী দেখা যায়।
• ভূমিভাগের প্রারম্ভিক ঢাল অনুসরণ করে যেসব নদী প্রবাহিত হয় তাদের – অনুগামী নদী (consequent stream) বলে। উদা-পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমদিকে প্রবাহিত বশিষ্ঠ, পয়স্বিনী নদী।
• যে সব নদী অনুগামী নদীর দিকেই প্রবাহিত হয় তাদের – পুনর্ভবা নদী (Resequent Stream) বলে।
• যেসব নদী ভূপ্রাকৃতিক পরিবর্তনের (উত্থান কার্যের) সঙ্গে সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষয়কার্য চালিয়ে পূর্বপ্রবাহ বজায় রাখতে সক্ষম হয়, তাদের – পূর্ববতী নদী বা পূর্বগামী নদী (Antecedent stream) বলে। উদা—সিন্ধু, শতদ্র, ব্রহ্মপুত্র।
• কেন্দ্রমুখী জলনিৰ্গম প্রণালী (Centripetal drainage pattern) দেখা যায়- উত্তরাখণ্ড রাজ্যের দেরাদুন উপত্যকায়/নেপালের কাঠমাণ্ডু উপত্যকায়।
• পিনেট জলনিগম প্রণালী লক্ষ করা যায়- হিমালয়ের দক্ষিণ প্রান্তের পাদদেশ অঞ্চলে এবং নর্মদা নদীর অববাহিকায়।
• সমান্তরাল জলনির্গম প্রনালী (Parallel Drainage Pattern) দেখা যায়- ভারতের পশ্চিম উপকূলীয় তটভূমিতে কিংবা ছোটােনাগপুর মালভূমির প্রান্তদেশের খাড়া ঢালে।
• ধনুকাকৃতি (Arcuate Delta) ব-দ্বীপের উদাহরণ হল- পো, রোন, হোয়াংহো, গঙ্গা, নীল ইত্যাদি নদীর ব-দ্বীপ। • পাখির পায়ের মতো ব-দ্বীপের (Bird foot delta বা Finger Delta) উদাহরণ- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি নদীর ব-দ্বীপ।
• কাসপেট ব-দ্বীপের উদাহরণ হল- স্পেনের এব্রো, ইতালির তাইবার ইত্যাদি নদীর ব-দ্বীপ।
• খাড়ীয় ব-দ্বীপ (Estuarine) এর উদাহরণ হল- ইউরোপের রাইন নদীর ব-দ্বীপ।
• সমুদ্র তরঙ্গ প্রভাবিত (wave influenced Delta) ব-দ্বীপের উদাহরণ হল- ব্রাজিলের সাও ফ্রান্সিসকো নদীর ব-দ্বীপ।
• ফাদল আকৃতির জোয়ার-ভাটা প্রভাবিত ব-দ্বীপের উদাহরণ হল- গঙ্গা, নাইজার, মেকং ইত্যাদি নদীর ব-দ্বীপ।
• লোবেট বা ব্যজনী (Lobet or Fan) আকৃতির ন্যায় বদ্বীপ হল- নীল, রোন ইত্যাদি নদীর ব-দ্বীপ।
• পৃথিবীর উচ্চতম (979 মি.) জলপ্রপাত হল- ভেনেজুয়েলার কারাও-এর একটি শাখানদীর উপর অবস্থিত স্যাল্টো অ্যাঞ্জল।
• বার্ষিক জলপ্রবাহের পরিমাণের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাত (6 লক্ষ কিউসেক) হল- কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বোয়োমা (Boyoma)।
• পৃথিবীর প্রশস্ততম (10৪ কিমি) জলপ্রপাত-এর নাম- লাওস দেশের খোন।
• পৃথিবীর সুদৃশ্যতম জলপ্রপাত হল- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে সেন্ট লরেন্স নদীর উপর গঠিত নায়গ্ৰা।
• তীব্র নদী প্রবাহ একলাফে না নেমে সিড়ির মতো ছোট ছোট ধাপে নিচে নামলে তাদের – খরস্রোত (Rapids) বলে। উদাহরণ—আফ্রিকারজাইরে নদী একাদিক্ৰমে 32টি র্যাপিড সৃষ্টি করে 270 মি. নিচে নেমে এসেছে, ছোটনাগপুরের পাহাড়ী অঞ্চলের নদী, সুবর্ণরেখা নদীর হুড্রু ইত্যাদি।
• যখন ছোট বা খুব ছোট ছোট জলপ্রপাতের অজস্র ধারা সিড়ির মতো ঢাল বেয়ে একাধিক ধাপে ধাপে নীচের দিকে নামে তখন তাকে – কাসকেড বলে। উদাহরণ—রাচির জোনহা জলপ্রপাত, উত্তর আয়ারল্যান্ডের টিয়ারস অফ গ্লেন।
• যে জলপ্রপাতে প্রচুর পরিমাণে জল প্রবাহিত হয় তাদের – ক্যাটারাক্ট বলে। উদাহরণ—খাতুম থেকে আসোয়ান পর্যন্ত নীলনদের গতিপথে 6টি বিখ্যাত ক্যাটারাক্ট লক্ষ করা যায়।
• পটহোল (Pot hole)-এর সৃষ্টি হয়- নদীর অবঘর্ষ প্রক্রিয়ার দ্বারা।
• Barbed Drainage Pattern/বড়শি আকৃতির জলনির্গম প্রণালী লক্ষ করা যায়- গোদাবরী নদীর সঙ্গে ইন্দ্রাবতীর নদী সঙ্গমে।
• নদীগ্রাসের ঘটনা বেশি (বৃক্ষরূপীতেও দেখা যায়) দেখা যায়- জাফরিরূপী জলনির্গম প্রণালীতে।
• সুবর্ণরেখা নদীর উপর হুড় জলপ্রপাত, নর্মদা নদীর উপর ধোয়াধার জলপ্রপাত (MP) হলো – নিক পয়েন্টের উদাহরণ।
• উপত্যকার মধ্যে উপত্যক ভূমিরূপের প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল- কলোরাডো নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
• স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক সেতু (Natural Bridge)-এর উদাহরণ হল- কলোরাডো নদীর উপনদী ব্রিজক্রীকের ওপর অবস্থিত Rainbow Bridge.
• ভারতে বিখ্যাত কোটেশ্বর গিরিখাত (Koteshwar gorge)- অলকানন্দা নদীর দ্বারা সৃষ্ট।
• নদী গর্ভে সৃষ্ট বাটি আকৃতি (Bowl Shaped)/বতুলাকার বড় বড় গর্তগুলিকে – প্লাঞ্জপুল বলে।
• বিভিন্ন ক্রমের উপনদীগুলি তাদের মূল নদীর সঙ্গে সবসময় সমকোণে মিলিত হয়- জাফরীৰূপী জলনির্গম প্রণালীতে।
• প্রধান নদী ও তাদের উপনদীসমূহ উভয়েই সমকোণে মিলিত হয়- আয়তাকার (Rectangular) জলনির্গমন প্রণালীতে।
• উপনদীগুলি প্রধান নদীর সঙ্গে সুক্ষ্মকোণে মিলিত হয় – বৃক্ষরূপী জলনির্গম প্রণালীতে।
• নদীর ব-দ্বীপ অঞ্চলে – বিনুনিরূপী জলনির্গম প্রণালী (Braided Pattern) গড়ে ওঠে।
• অসংগত জলনির্গম প্রণালী/কৌণিক জলনির্গম প্রণালী (Barbed Pattern) সাধারণত – নদীর উৎস অঞ্চলে গড়ে উঠে।
• বিশ্বের দুটি ক্ষুদ্রতম নদীর নাম- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রো (Roe) এবং ডি (D)
• নদীর বহন ক্ষমতা তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে —(i) নদীতে জলের পরিমাণ, (ii) নদী স্রোতের বেগ ও (iii) বাহিত শিলার আকার ও ওজন।
• কোনো নদীর নিম্নক্ষয় করার ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার ঘটনাকে- Rejuvenation/নদীর পূনৰ্যেীবনলাভ বলে।
• গঙ্গা ব-দ্বীপের উত্তরাংশ হল – মৃতপ্রায় ব-দ্বীপ (Moribund Delta)-এর উদাহরণ।
• সুন্দরবন অঞ্চল একটি – সক্রিয় ব-দ্বীপ (Active Delta)-এর নিদর্শন।
• গঙ্গা-দ্বীপের মধ্যাংশ এক প্রকার – পরিণত ব-দ্বীপ (Mature Delta) এর নির্দশন।
• কোনো নদীকে অন্য নদী অধিগ্রহণ করলে তাকে – নদীগ্রাস বলে।
• নদী যেখানে কোনো সমুদ্র, হ্রদ, বা বড় জলাশয়ে মিলিত হয় সেই মিলনস্থলকে নদীর – মোহনা বলে।
• মিয়েন্ডার কথাটি এসেছে- তুরস্কের বাক বহুল মিয়েড্রস নদীর নামানুসারে।
• নদীর পুনযৌবন লাভের ফলে নদীর দৈর্ঘ্য বরাবর যে বিন্দুতে উর্ধ্ব উপত্যকার পুরোনো মৃদু ঢালের সঙ্গে নিম্ন উপত্যকার নতুন খাড়াঢ়াল মিলিত হয়, তাকে – নিক পয়েন্ট বলে।
• একটি অন্তর্বাহিনী নদীর উদাহরণ হল- রাজস্থানের লুনি নদী।
• লুনী নদী রাজস্থানের আজমীরের কাছে নাগাপাহাড়ের আনাসাগর হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়ে – গুজরাটের কচ্ছের রাণ-এ পড়েছে।
***Mission Geography***

** চক্রীয় ও আচক্রীয় ধারণা (Cyclic and Non-cyclic Concept) :-
• চক্রীয় ধারণাটি স্কটল্যান্ডের ভূবিজ্ঞানী জেমস হটন (1785) প্রথম প্রস্তাব করেন তাঁর বিখ্যাত বই- ‘Cyclic Nature of the Earth History’-তে।
• স্বাভাবিক ক্ষয়চক্র ধারণাটির উপস্থাপক হলেন – W.M.Davis (1899)।
• “স্বাভাবিক ক্ষয়চক্ৰ” বলা হয়- নদীর ক্ষয়চক্রকে।
• W.M. Davis, 1899 সালে Geographical cycle of erosion ধারনাটি উপস্থাপন করেন- জেমস হাটনের চক্রীয় ধারণা এবং চার্লস ডারউইনের Origin of Species by means of Natural Selection-এর উপর ভিত্তি করে।
• ‘Geographical Essay” গ্রন্থটির লেখক হলেন – W.M.Davis।
• মরু অঞ্চলে পর্বতের পাদদেশীয় প্রায় সমতলভূমিকে – পেডিমেন্ট বলে।
• ক্ষয়চক্রের শেষসীমা হল – সমুদ্রপৃষ্ঠ।
• একাধিক ক্ষয়চকের চিহ্নযুক্ত অঞ্চলকে বলে- Polycyclic Landscape
• ডেভিসের ক্ষয়চক্রের ধারণাটি – আবদ্ধ নিয়মতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
• পৃথিবীর সর্বত্র সমুদ্রপৃষ্ঠের অবনমনকে – ইউস্ট্যাটিক পূনযৌবন লাভ বলা হয়।
• ক্ষয়চকের বার্ধক্য পর্যায়ে গঠিত হয়- পেনিপ্লেন।
• অসমবিকাশ তত্ত্বের (Laws of Unequal Development)প্রবক্তা হলেন- C.H. Crickmay (1933).
• প্লাবনভূমি ও অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ গঠিত হয়- ডেভিসের ক্ষয়চক্রের বার্ধক্য পর্যায়ে।
• ক্রিকমের অসমবিকাশ তত্ত্ব ক্ষয়চক্রের ধারণাটি – উন্মুক্ত প্রণালীর অন্তর্ভুক্ত।
• “Die morphologische Analyse”-গ্রন্থের লেখক হলেন- ওয়ালথার পেঙ্ক।
• L.C.King তাঁর পাদসমতলীকরন তত্ত্ব (Pediplanation Concept) প্রকাশ করেন-1948 সালে ।
• জার্মান শব্দ Entwicklung শব্দের অর্থ- বিকাশ (Development)।
• অল্প পললযুক্ত বা পলল শূন্য নদীমঞ্চকে – প্রস্তরশয্যা নদীমঞ্চ (bedrock terraces) বলে।
• আচকীয় ধারণার (Non cyclic concept) সমর্থক হলেন – জে টি হ্যাক, চোরলে, স্ট্র্যালার।
• পাদদেশীয় ধাপ (Piedmont treppen) ধারনাটি প্রবর্তন করেন- W.Penck
• বন্ধুরতাহীন নিম্ন সমভূমিকে পেঙ্ক-এর নামানুসারে – প্রাইমারাস্ফ (Primarrumpt) বলে।
• ডেভিসের ভূমিরূপের উত্থান ও বিকাশ একটি – পর্যায়ক্রমিক প্রক্রিয়া।
• সমপ্রায় ভূমির মাঝে মাঝে কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত অবশিষ্ট পাহাড় বা ঢিবিকে- মোনাডনক বলে।
• ক্লিকমের মতে ক্ষয়চক্রের শেষ পর্যায়ে – প্যানপ্লেন গঠিত হয়।
• মরু ক্ষয়চক্ৰে স্থানীয় নিম্নক্ষয় সীমা হল – প্লায়া হ্রদ।
• সমপ্রায় ভূমি (Peneplain) – উত্তল ঢালযুক্ত হয়ে থাকে।
• ক্ষয়চক্রের যৌবন অবস্থায় নদী উপত্যকাগুলো ইংরেজি – ‘V’ আকৃতির হয়।
• নদী গ্রাসের ঘটনা ঘটে ক্ষয়চক্রের – যৌবন অবস্থায় (youthful stage)।
• বৃক্ষরূপী জলনির্গম প্রণালীর সৃষ্টি হয় ক্ষয়চক্রের – যৌবন অবস্থায়।
• নদীর মস্তকমুখী ক্ষয়কার্যের ফলে – নদীগ্রাসের সৃষ্টি হয়।
• ক্ষয়চক্রের পরিণত পর্যায়ে প্রধান নদীগুলিতে – পর্যায়িত ঢালের সৃষ্টি হয়।
• ডেভিসের মতে ভূমিরূপ হল গঠন, প্রক্রিয়া ও পর্যায়ের সম্মিলিত পরিণতি। একে -’Trio of Davis’ বলে। • ভূমিরূপ গঠনে ‘সিমাটােজেনি শক্তির উপর গুরুত্ব দিয়েছেন – L.C. King।
• ভূ-দৃশ্যাবলি হল অবরোহন প্রক্রিয়া ও উত্থান পর্বের ধারাবাহিকতার একটি সম্মিলিত রূপ-পেঙ্ক ।
• ভূমিরূপ বিবর্তনের প্রাথমিক পর্বে – ‘প্রাইমারাস্ফ’-এর সৃষ্টি হয়।
• পেডিপ্লেন এর ধারণা দেন – L.C. King।
• ভূমিরূপ গঠনে মহিভাবক ও গিরিজনি আলোড়নের কথা বলেছেন – W:M. Davis।
• ডেভিস তার ক্ষয়চক্র ধারণাটি উপস্থাপন করেন – গ্রাফের সাহায্যে।
• পেঙ্কের মতে ক্ষীয়মান বিবর্তন হল ক্ষয়চক্রের – Absteigende Entwicklung অর্থাৎ তৃতীয় বা সর্বশেষ পর্যায়।
• পাদসমতলীকরন মতবাদটির জনক হলেন—L.C.King।
• পেডিপ্লেনের ওপর অবস্থিত অবশিষ্ট পাহাড় বা উচ্চভূমিকে বলা হয় – ইনসেলবার্জ।
• ভূমিভাগের পুনযৌবন লাভকে নির্দেশ করে- যুগল নদী মঞ্চ।
• ‘Geomorphic forms are expression of the phase and rate of upliftment in relation of
Degradation”—বলেছেন- W.Penck
• “Erosion can not wait for the completion of upliftment”—W. Penck
• “Landscape feature pass through an orderly series of change, just as do human beings in their life spent’—A.N.Strahler
• ‘Cyclic nature of the Earth History’ গ্রন্থের রচয়িতা-জেমস হাটন।
• ডেভিসের ক্ষয়চকে তিনটি (যৌবন, পরিণত, বার্ধক্য) ও পেঙ্কের ক্ষয়চক্ৰে – পাচটি পর্যায় আছে।
***Mission Geography***

** নদীর পুনর্যৌবনলাভ (Rejuvenation of River) :-
• নদীর নিম্নক্ষয়ের ক্ষমতা পুনরুজ্জীবিত হওয়াকে – নদীর পুনযৌবন লাভ বলে।
• নদীর পুনযৌবন লাভ ঘটে- সমুদ্রপৃষ্ঠের পতন হলে অথবা অন্য কোনো প্রাকৃতিক কারণে নদীর ক্ষয় করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে।
• পুনযৌবন তিনপ্রকার। যথা—(i) গতিময় পুনযৌবন লাভ (ii) সমুদ্র গর্ভের আয়তন বৃদ্ধির ফলে পুনযৌবন লাভ, (iii) স্থিতিশীল পুনযৌবন লাভ।
• পুনযৌবনের কারণগুলি হল—(i) মহীভাবক ও গিরিজনি আলোড়ন, (ii) ভূমিতাপ, (ii) জলবায়ুর পরিবর্তন, (iv) সমুদ্রপৃষ্ঠের জলতলের উচ্চতা বৃদ্ধি, (v) নদীপথের ঢালের পরিবর্তন, (vi) নদীর বোঝা হ্রাস, (vii) সমুদ্রগর্ভের আয়তন বৃদ্ধি (ix) নদীগ্রাস (x) ভাজ, চুতি, (x) অগ্ন্যুৎপাত।
• নদীর বোঝা হ্রাস, নদীগ্রাস, জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে – স্থিতিশীল পুনর্যৌবনলাভ (Static Rejuvenation) ঘটেl
• মহীভাবক ও গিরিজনিক আলোড়নের কারণে- গতিশীল পুনযৌবন লাভ ঘটে।
• ডেভিসের মতে তিনভাবে গতিশীল পুনযৌবন লাভ ঘটে। যথা—(i) সমভাবে উত্থান, (ii) মৃদুভাবে হেলানো উত্থান, (iii) খিলান আকৃতির উত্থান।
• উপত্যকা সবচেয়ে বেশি গভীর হয়-গতিশীল পুনযৌবন এর ফলে ।
• স্থিতিশীল পুনযৌবন লাভ হলে – উপত্যকা গতিশীল, ইউস্টাস্টিকের তুলনায় কম গভীর হয়।
• ভূআন্দোলনের ফলে সমুদ্রবক্ষ বিস্তৃত হলে মহাদেশীয় হিমবাহ-এর গলনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার পরিবর্তন ঘটে – ইউস্টাটিক পুনযৌবন লাভ ঘটে।
• পুনযৌবন লাভের ফলে গঠিত ভূমিরূপ : – (1) উপত্যকা অন্তর্বতী উপত্যকা, (2) নিক পয়েন্ট বা খাজবিন্দু, (3) কর্তিত নদী বাঁক, (4) স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক সেতু, (5) নদী মঞ্চ।
• উপত্যকার মধ্যে উপত্যকা দেখা যায়- কলোরাডো নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন-এ ।
• নিকবিন্দুতে জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে- মধ্যপ্রদেশে জব্বলপুরে নর্মদা নদীর ধোয়াধারা-এ।
• ঝাড়খণ্ডের সুবর্ণরেখায় হুড়ু জলপ্রপাত হল – নিক জলপ্রপাত।
• দক্ষিণ ভারতের কৃয়া, কাবেরী, গোদাবরী নদীতে- 10-15 মিটার লম্বা কর্তিত নদীবাক দেখা যায়।
• খোদিত বা কর্তিত (Truncated) নদীবাক দুই প্রকার। যথা—(1) সমঢাল বিশিষ্ট পরিখাবেষ্টিত নদীবাক (2) অসমঢাল বিশিষ্ট পরিখাবেষ্টিত নদীবাঁক।
• নদী উপত্যকায় একাধিক নদীমঞ্চ – একাধিক ক্ষয়চক্র নির্দেশ করে।
• নদীমঞ্চ দেখা যায় – গঙ্গা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র নদীতে ।
• নদীমঞ্চ দুইপ্রকার। যথা—(a) প্রতিসাম্য/যুগ্ম নদীমঞ্চ (b) অপ্রতিসাম্য বা অযুগ্ম নদীমঞ্চ।
• প্রতিসাম্য নদীমঞ্চ সৃষ্টি হয়- নিম্নমুখী ক্ষয়কার্যের ফলে ।
• অপ্রতিসাম্য নদীমঞ্চ গড়ে ওঠে- নদী বাকের এক পার্শ্বে নিম্নমুখী ক্ষয় ও অপর পার্শ্বে পার্শ্বক্ষয়ের মাধ্যমে ।
• নদীমঞ্চ গড়ে ওঠে- উষ্ণ-আৰ্দ্ৰ জলবায়ুতে ।
• নদীবাক গড়ে ওঠে–নদীর মধ্য ও নিম্নগতিতে ।
***Mission Geography***

Edited by Sourav Sarkar (Admin).
Whatsapp Group- 9735337699.

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s