GEOTECTONIC SAQ


1. ভূঅভ্যন্তরের স্তর বিন্যাসের সবথেকে হালকা পদার্থ দ্বারা গঠিত স্তরটি হল- ভূত্বক।
2. মহাসমুদ্রের তলায় ভূত্বকের বিস্তার- 5-10 কিমি।
3. সিয়াল ও সিমা যথাক্রমে যে শিলা দ্বারা গঠিত — গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট।
4. সিয়াল ও সিমার মধ্যে বিযুক্তি রেখা অবস্থিত -কনরাড বিযুক্তি।
5. মোহো বিযুক্তি রেখা পৃথক করেছে যে দুটি স্তরকে– ভূত্বক ও উদ্ধ গুরুমণ্ডল।
6. উর্ধ্ব ও নিম্ন গুরুমণ্ডলের মধ্যে অবস্থিত –র্যাপিটি বিযুক্তিরেখা।
7. বহিঃকেন্দ্র মণ্ডল ও নিম্ন গুরুমণ্ডলের মধ্যে অবস্থিত বিযুক্তিরেখা– গুটেনবার্গ।
৪. লেম্যান বিযুক্তিরেখার অবস্থান — অন্তঃ ও বহিঃকেন্দ্রমণ্ডল- এর মাঝে।
9. র্যাপিটি বিযুক্তিরেখার গভীরতা– 700 km
10. গুটেনবার্গ বিযুক্তিরেখার গভীরতা– 2900 km
11. লেহম্যান বিযুক্তিরেখার গভীরতা — 5150 km
12. কনরাড বিযুক্তিরেখার আপেক্ষিক ঘনত্ব কত– 2.8 – 3 গ্রাম/ঘন সেমি।
13. মোহো বিযুক্তি রেখার আপেক্ষিক ঘনত্ব – 3.3-3.4গ্রাম/ঘনসেমি।
14. গুটেনবার্গ বিযুক্তিরেখার আপেক্ষিক ঘনত্ব – 5.5-10 গ্রাম/ঘনসেমি।
15. লেম্যান বিযুক্তিরেখার আপেক্ষিক ঘনত্ব–12.3-13.3 গ্রাম/ঘনসেমি।
16. নিফেসিমা ও ক্রোফেসিমা সম্পর্কিত –গুরুমণ্ডলের সঙ্গে।
17. সিয়াল ও সিমা সম্পর্কিত — ভূত্বকের সঙ্গে।
18. উর্ধ্ব গুরুমণ্ডল পরিচিত– ক্রোফেসিমা নামে।
19. নিফেসিমার গভীরতা কত — 700 – 2900 km
20. র্যাপিটি– 700 km ,গুটেনবার্গ— 2900 km , লেম্যান — 5150 km
21. সঠিক ক্রম — মোহো, র্যাপিটি, গুটেনবাৰ্গ, লেম্যান
22. বহিঃ ও অন্ত কেন্দ্রমণ্ডলের গভীরতা যথাক্রমে — 5150 3 6371 km
23. ‘S’ তরঙ্গ যে স্তরে অদৃশ্য হয়ে যায়– কেন্দ্রমণ্ডল।
24. ক্রোফেসিমার উপাদানগুলি যথাক্রমে — ক্রোমিয়াম, লোহা, সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম।
25. কেন্দ্রমণ্ডলকে সংক্ষেপ বলা হয়– নিফে ।
26. মহাদেশীয় পাত যে শিলা দ্বারা গঠিত — গ্রানাইট।
27. মহাসাগরীয় পাত যে শিলা দ্বারা গঠিত — ব্যাসল্ট।
28. ভূঅভ্যন্তরে স্তর আছে– 3 টি।
29. জলের উৎস হল– শিলামণ্ডল।
30. সিয়াল — মহাদেশীয় ভূত্বক গঠন করে । সিমা -মহাসাগরীয় ভূত্বক গঠন করে।
31. প্রবক্তার নামানুসারে- রেখাগুলির নামকরণ করা হয়েছে।
32. সিয়াল ও সিমা যথাক্রমে যে জাতীয় শিলা দ্বারা গঠিত– গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট।
33. সিয়াল ও সিমার প্রকৃতি যথাক্ৰমেঃ– আম্লিক ও ক্ষারকীয়।
34. M বিযুক্তিতলের অপরনাম — মোহো।
35. যে বিজ্ঞনী প্রথম লক্ষ্য করেন ভূত্বকের মহাদেশীয় অংশ গ্রানাইট ও মহাসাগরীয় অংশ ব্যাসল্ট শিলায় তৈরি –এডওয়ার্ড সুয়েস।
36. গুটেনবার্গ বিযুক্তি রেখা : বেনো গুটেনবার্গ : 1912 খ্রীস্টাব্দ।
37. অন্তঃকেন্দ্রমণ্ডলে ‘P’ তরঙ্গের গতিবেগ 11-23 কিমি/সেকেণ্ডে।
38. P ও S তরঙ্গের ব্যাপক গতি বিক্ষেপ ঘটে যে বিযুক্তিরেখায়– ওল্ডহাম।
39. গুটেনবার্গ বিযুক্তিরেখায় P তরঙ্গের গতিবেগ সেকেণ্ডে — 13.6 কিমি।
40. শীল্ড হল- (ক) অতিপ্রাচীন স্থায়ী ভূ-খণ্ড (খ) প্রিক্যামবিয়ানযুগে গঠিত (গ) পৃথিবীতে 11 টি শীল্ড অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়েছে।
41. ক্রেটন- ভূত্বকের অপেক্ষাকৃত স্থিতিশীল অংশ।
ইহা– কেলাসিত শিলা দ্বারা গঠিত।
এখানে- মৃদু তাপপ্রবাহ লক্ষ্য করা যায়।
প্ল্যাটফর্ম –ক্রেটনের একটি অংশ।
42. মহীভাবক ও গিরিজনী আলোড়নকে সম্মিলিত ভাবে ডায়াস্ট্রফিজম বলেছেন –গিলবার্ট।
43. মহীভাবক ও গিরিজনী আলোড়ন, ইউস্ট্যাটিক আলোড়ন,সমস্থিতিক আলোড়ন হল–অন্তঃর্জাত প্রক্রিয়া।
44. বহিঃর্জাত প্রক্রিয়া হল- পুঞ্জিত ক্ষয়।
45. অ্যাসথেনোস্ফিয়ার –ভূ-ত্বক ও গুরুমন্ডলের সন্ধি এলাকায় অবস্থিত।
এটি- সান্দ্র, উয়, দুর্বল স্থিতিস্থাপক স্তর।
এটি– পরিচলন তাপস্রোতের চালিকা শক্তি।
46. ভূঅভ্যন্তরে প্রতি 32 মিটারে –1°C হারে তাপমাত্রা বাড়ে।
47. ভূপৃষ্ঠ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দূরত্ব –6370 km
48. দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত পৃথিবীর গভীরতম খনির (সোনা) গভীরতা — 3–4 km
49. শিলামণ্ডলের গড় গভীরতা কত –100 km
50. পৃথিবীর চৌম্বকত্ব সৃষ্টি হয়েছে– বহিঃকেন্দ্র মণ্ডলে।
51. যে বিজ্ঞানে শিলার সমগ্র ক্রিয়া, বৈশিষ্ট্য, প্রকৃতি প্রভৃতি আলোচনা করা হয় তাকে বলা হয়– পেট্রোলজি।
52. পেট্রো একটি – গ্রীক শব্দ, যার অর্থ শিলা।
53. পৃথিবীতে প্রায় 1000 খনিজ পদার্থ আছে এর মধ্যে–10 টি।
54. “সমস্ত শিলার জনক’ বলা হয় –আগ্নেয় শিলাকে।
55. আগ্নেয় শিলা –স্তরীভূত শিলা।
ইহা -স্ফটিকাকার।
এর-ভঙ্গুরতা কম।
56. নিঃসারী শিলা : লাভা শিলা ও পাইরোক্লাস্ট।
উদভেদী শিলা : পাতালিক ও উপপাতালিক।
57. পাইরোক্লাস্ট এর উদাহরণ হল- টাফ।
58. প্রকৃত জমাটবন্ধ হওয়ায় নিঃসারী শিলার কণাগুলি– খুবই সূক্ষ্ম।
অতি ধীর গতিতে শীতল হওয়ায় উদবোধী শিলার কণাগুলির — আকার বড় হয়।
59. আম্লিক শিলায় সিলিকা ও ক্ষারকীয় অক্সাইডের পরিমান যথাক্রমে– 65% ও 35%
60. গ্ৰথন অনুযায়ী আগ্নেয় শিলাকে—5 ভাগে ভাগ করা যায়।
61. গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট শিলায় গঠিত পাহাড়ের চূড়াগুলি যথাক্রমে, — গোল ও চ্যাপ্টা ধরনের হয়।
62. পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য -(a) ইহা স্তরীভূত (b) জীবাশ্ম দেখা যায় (c) সছিদ্রতা (d) স্ফটিক অনুপস্থিত।
63. রুপান্তরিত রুপ- গ্রানাইট > নিস , আগইট > হর্নরেন্ড , ব্যাসল্ট > অ্যাম্ফিবোলাইট।
64. রুপান্তরিত রুপ- (ক) বেলে পাথর > কোয়ার্টজাইট
(খ) চুনা পাথর > মার্বেল
(গ) কাদাপাথর > শ্লেট
65. গ্রাব্রোর রুপান্তরিত রুপটি হল– সাপেন্টাইট
66. নাইস > ফিলাইট, ফিলাইট > শিস্ট এটি -রুপান্তরিত শিলা থেকে সৃষ্ট রুপান্তরিত শিলা.
67. নীচের কোনটি চিহ্নিত করো।
কোয়ার্টজাইট , মার্বেল, বেলেপাথর . শ্লেট –এখানে বিজাতীয় হল- বেলেপাথর।
68. ভূগর্ভে চাপের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হলে শিলার যে জাতীয় রুপান্তর ঘটে–গতিশীল।
69. বেলেপাথর শিলায় — খনিজ তেল সঞ্চিত থাকে।
70. নিঃসার আগ্নেয় শিলার উদাহরণ– ব্যাসল্ট।
71. উদবোধী আগ্নেয় শিলার উদাহরণ- গ্রানাইট।
72. উপপাতালিক আগ্নেয় শিলা হল- পরফাইরি ও ডোলেরাইট।
73. পাতালিক শিলা হল- গ্রানাইট ও গ্রাব্রো।
74. ডেকানট্রাপ –ব্যাসল্ট শিলায় গঠিত।
75. দিল্লীর লাল কেল্লা, উদয় গিরি খণ্ড, গিরি মন্দির,খাজুরাহ মন্দির,জয়সলমীরের সোনার কেল্লা যে শিলায় তৈরি — বেলেপাথর।
76. গোলাকার ভূপ্রকৃতি যে শিলা দ্বারা গঠিতঃ — গ্রানাইট।
77. বেলেপাথরের — প্রবেশ্যতা খুব বেশি।
কাদাপাথরের– সছিদ্রতা খুব বেশি।
78. প্রবেশ্যতা বেশি হলে জল ধারণ ক্ষমতা– হ্রাস ও সচ্ছিদ্রতা বেশি হলে জলধারণ ক্ষমতা– বৃদ্ধি পায়।
79. সৈন্ধব লবন — অসংঘাত শিলা ও –রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়।
80. খনিজের কাঠিন্য পরিমানের স্কেলটি হল –মোহো স্কেল।
81. মোহো স্কেলে সর্বনিম্ন কাঠিন্যের খনিজটি হল -ট্যাল্ক।
82. শিলা —-সিলিকার পরিমাণ
1.আম্লিক—> 65%
2. মধ্যবর্তী—65 – 55%
3. ক্ষারকীয়— 55 – 45%
4. অতিক্ষারকীয়— 120° ।
103. দোকোলম ভাঁজ দেখা যায় -জুরা পর্ব…
104. পশ্চাদ কর্ষন ভাজ সৃষ্টি হয়– কঠিন শিলাদ্বয়ের মধ্যস্থিত নরম শিলার যুগ্ম বলের প্রভাবে।
105. আবৃত ভাজে বাহুদুটি হেলে থাকে– ভিন্ন কোণে ।
106. শেভরন ভাজ দেখতে অনেকটা আকৃতির — V
107. একনত ভাজ গঠিত হয় — চাপ পীড়নের ফল।
108. যে ভাজের অক্ষতল অনুভূমিক তলের সঙ্গে প্রায় সমান্তরাল ভাবে অবস্থান করে তাকে— শায়িত ভাজ বলে।
109. দার্জিলিং হিমালয় যে ভাজের উদাহরণ— শায়িত।
110. একনত ভাজ সৃষ্টি হয়– সংকোচনের ফলে।
111. ভাজের জ্যামিতিক উপাদান –গ্রন্থি ও গ্রন্থিরেখা।
112. যে বলের প্রভাবে কোমল পাললিক শিলাস্তরে ভাজ পড়ে– সংনমন।
113. প্রাকৃতিক উধ্বভঙ্গ গুলি—পর্বত রূপে অবস্থান করে।
114. স্তরায়ন তল ও অনুভূমিক তল যে রেখা বরাবর পরস্পরকে ছেদ করে তাকে তাকে বলা হয়–আয়াম।
115. শিলাস্তরের নতি ও আয়াম—ক্লাইনেমিটার যন্ত্রের সাহায্যে পরিমান করা হয়।
116, প্রতিসম ভাজে – বল সমান ও উভমুখী হয়।
117. ভাজযুক্ত শিলাস্তরে অনুগামী নদী সৃষ্টি হয়– ভূমির প্রাথমিক ঢাল অনুযায়ী।
118. অধোভঙ্গের মধ্য দিয়ে ভূমির ঢাল অনুসারে প্রবাহিত নদীকে বলা হয়–অনুদৈর্ঘ্যনদী।
119. চুতির ফলে শিলাস্তরের কোনো অংশের অনুভূমিক বা পাশ্বীয় ব্যবধানকে বলে– ব্যবধি
120. অনুলোম চুতি দ্বয়ের মধ্যবর্তী অবনত অংশকে বলে– সংস্র উপত্যকা
121. বিলোম চুতি দ্বয়ের মধ্যবর্তী অবনত অংশকে বলে– র্যাম্প উপত্যকা।
122. দুটি সমান্তরাল চু্যতির মধ্যবর্তী অংশ যে উচ্চভূমি গঠন করে তাকে বলে–হোস্ট।
123. দুটি তির্যক চুতির মধ্যবর্তী উত্থিত ভূখণ্ডকে বলে– স্তুপ পর্বত।
124. ন্যাপের যে অংশ মূল শিলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অবস্থান করে তাকে কী বলে– ক্লিপে।
125. পাদমূল প্রাচীর অপেক্ষা ঝুলন্ত প্রাচীর নিচের দিকে বসে গেলে –অনুলোম চ্যুতি উৎপন্ন হয়।
ঝুলন্ত প্রাচীর পাদমূল প্রাচীরের উপরে উর্ধ্বে উঠে এলে –বিলোম চ্যুতি সৃষ্টি হয়।
126. যদি বিলোম চ্যুতির চ্যুতিতলের নতি –45°ডিগ্রীর কম হয় তখন তাকে থ্রাস্ট চ্যুতি বলে।
127. বিজাতীয় চিহ্নিত করো (ক) সমান্তরাল চ্যুতি (খ) সোপান চ্যুতি (গ) পরিধি চ্যুতি (ঘ) অরীয় চ্যুতি —
(খ) সোপান চ্যুতি
128.নতি স্থলন চ্যুতিতে প্রকৃত স্থলন ও নতি স্খলনের পরিমাণ–সমান।
129. যে চ্যুতিতে চ্যুতিরেখাগুলি বৃত্তীয় বা বৃত্তচাপীয় ধরনের হয়– পরিধি চ্যুতি ।
130. একই বিন্দুতে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কেন্দ্রবিমুখ চ্যুতি গোষ্ঠীকে বলে- -অরীয় চ্যুতি।
131. বিলোম চ্যুতির সৃষ্টি হয় —-চাপপীড়ন এর ফলে।
132. অরীয় চ্যুতিতে চ্যুতিরেখা গুলি ——কেন্দ্রবিমুখ অবস্থায় থাকে।
133. চ্যুতির জ্যামিতিক উপাদান হল-ব্যবধি।
134. বিলোম চুতি যে বলের প্রভাবে সৃষ্টি হয়– সংনমন।
135. যে চ্যুতির মাধ্যমে খরস্রোতের সৃষ্টি হয়–সোপান চ্যুতি।
136. কাশ্মীর হিমালয়ের পিরপাঞ্জাল থ্রাস্ট হল- সংঘট্ট চ্যুতি।
137. স্খলিত শিলাস্তরের যে অংশ চুতির ওপর অবস্থান করে তাকে বলে— ঝুলন্ত প্রাচীর।
138. যে চ্যুতির ক্ষেত্রে ভূমিধসের সম্ভবনা বেশি– বিলোম।
139. রাইন নদীর উপত্যকায় যে চ্যুতি দেখা যায়– অনুলোম।
140. অমিল পৃথক করো (ক) বিমিশ্র চ্যুতি রেখা ভৃগু (খ) বিপরা চ্যুতি রেখা ভৃগু (গ) চ্যুতি ভৃগু (ঘ) পুনর্ভবা চ্যুতিরেখা ভৃগু। —(গ) চ্যুতি ভৃগু।
141. বিমিশ্র চ্যুতিরেখা ভৃগুতটের উল্লেখ করেন বিজ্ঞানী– কটন।
142.বিলোম চ্যুতিতে চ্যুতিতলের নতির মান 45° বা তার বেশি হয়।
143. বৈষম্যমূলক ক্ষয়কার্যের ফলে প্রাচীন চুতি, খাড়াতলের স্থানে যে নতুন খাড়াতলের সৃষ্টি হয় তাকে ডব্লু এম. ডেভিস ——চ্যুতিরেখা-ভৃগু বলে অভিহিত করেছেন।
144. চ্যুতিতল ও অনুভূমিক তলের মধ্যে উৎপন্ন কোণকে —-চ্যুতিতলের নতি বলে।
145. চ্যুতিকোণ ও চ্যুতিতলের নতির মধ্যে সম্পর্ক হল- পরস্পরের পরিপূরক।
146. শিলং মালভূমি একটি ——হোস্ট এর উদাহরণ।
147. যে অংশে গ্রস্থ উপত্যকা সৃষ্টি হয়——–অনুলোম চ্যুতিদ্বয়ের মধ্যবর্তী অংশে।
148. চ্যুতিরেখা ভৃগু সৃষ্টি হয়– বৈষম্যমূলক ক্ষয় কার্যের ফলে।
149. অগ্ন্যুৎপাতের সময় লাভার সঙ্গে ভূ-ত্বকীয় শিলার অংখ্য টুকরো নির্গত হলে তাকে -পাইরোক্লাস্ট বলে।
150. 4–32 মিমি ব্যাসের অধিক শিলাখণ্ডের সমন্বয়ে গঠিত পাইরোক্লাস্ট পদার্থকে ——টেপেরা বলে।
151.অগ্ন্যুৎপাতের সময় নির্গত লাভাখণ্ডের মোটামুটি ছিদ্র থাকলে তাকে —সিন্ডার এবং যথেষ্ট ছিদ্র থাকলে তাকে —–ল্যাপিলি বলে।
152. লাভা ও পাইরোক্লাস্ট উভয়ই চূর্ণ-বিচুর্ণ ও Cindery texture হলে ——স্কোরিয়াবলে।
153. আগ্নেয় ভস্ম যখন আগ্নেয়গিরির চারপাশে সিমেন্টের মতো জমাট বাধে তখন তাকে বলে–আগ্নেয় তুফ।
154. আগ্নেয় ভস্ম আগ্নেয়গিরির চারপাশে ঢালাই লোহার মতো দৃঢ়ভাবে যুক্ত হলে তাকে —ইগনিমব্রাইট বলে।
155. রায়োলাইট —–আম্লিক জাতীয় লাভা।
156. অগ্নেয়গিরি থেকে CO2 নির্গত হলে তাকে বলে–মফেতিস।
157. আগ্নেয়গিরি থেকে বোরিক অ্যাসিড নির্গত হলে তাকে বলে– স্যফিওনি।
158. “The valley of Ten thousand Smoke” নামে যে আগ্নেয়গিরি পরিচিত -আলাস্কার কাটমাই।
159. “পিলি কেশ’ নামে পরিচিত — হাওয়াই ধরনের আগ্নেয়গিরি।
160. জ্বালামুখের চারপাশে লাভা ঝামা ইটের ন্যায় কঠিন ভূত্বক সৃষ্টি করলে তাকে —— স্কোরিয়াসিয়াসবলে।
161. ভূমধ্যসাগরের আলোকস্তম্ভ বলা হয়– স্টোম্বলিয় ধরনকে।
162. যে শ্রেণির আগ্নেয়গিরি থেকে আগ্নেয় পদার্থ ফুলকপির মতো গাঢ় কালো মেঘ সৃষ্টি করে–ভলকান।
163. যে শ্রেণির অগ্নদগম সর্বাপেক্ষা ধ্বংসাত্মক–পিলি।
164. ধনাত্মক বা উন্নীত ভূমিরুপ নয়–ক্যালডেরা।
165. অবনত ভূমিরুপ –জ্বালামুখ ও ক্যালডেরা।
166. নিঃসারী (Extrusive) ভূমিরুপ–(ক) ব্যাথোলিথ (খ) স্ট্যাফ (গ) ডাইক।
167. পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বিধ্বংসী আগ্নেয়গিরি হল –মাউন্ট পিলি।
168. দড়ির মতো পাকানো লাভা প্রবাহকে বলে– পা হো হো।
169. ভস্মসঞ্চিত মালভূমিকে বলে– স্টেপটো।
170. সবচেয়ে বেশিসংখ্যক আগ্নেয়গিরি আছে– জাপানে।
171. মাউন্ট এটনা যে ধরনের আগ্নেয়গিরির উদাহরণ– মিশ্র।
172. একটি কর্দম আগ্নেয়গিরি হল– সিন্ধুপ্রদেশের হিংলাজ।
173. উত্তল লেন্সের আকৃতি বিশিষ্ট উদ্ধমুখী উদবোধী আগ্নেয় অবয়বকে বলে–ল্যাকোলিথ।
174. চামচ বা সরার আকৃতি বিশিষ্ট উদবোধী অবয়বকে বলে –লপোলিথ।
175. ল্যাকোলিথ : হেনরি পর্ব ।
176. ফ্যাকোলিথ : কর্ডন পর্বত। লোপোলিথ : ডুলুথ গ্র্যারো।
177. ভারতের ডেকানট্রাপ অঞ্চলে দেখা যায়–ডাইক।
178. ভারতের প্রচুর পরিমাণে ল্যাকেলিথ দেখতে পাওয়া যায় ছোটোনাগপুর অঞ্চলে।
179. যে শ্রেণির অগ্লুদপাতের ফলে ডেকানট্রাপ গঠিত হয়েছে– বিদার।
180. সিডার বৃক্ষের ন্যায়–ল্যাকেলিথ।
181. ভূত্বক ও গুরু মণ্ডলের মাঝে যে বিযুক্তিরেখা তার নাম–কনরাড বিযুক্তি।
182. অ্যাসথেনোস্ফিয়ারের অবস্থান –50 – 250 কিমি গভীরতায়।
183. P এবং S তরঙ্গের গতিবিক্ষেপ ঘটে–2900 কিমি।
184. S তরঙ্গ প্রবাহিত হতে পারে না– বহিঃগুরু মণ্ডলে।
185. ভূকম্পীয় ছায়া বলয়ের অবস্থান – 120–143 কিমি।
186. ভূত্বকের ঘনত্ব— 2.8 কিমি।
187. ভূত্বকের বিস্তার— 30–100 কিমি।
188. ভূঅভ্যন্তরে 2900 কিমি গভীরতায় উষ্ণতা –3700°C
189. বহিঃকেন্দ্র মণ্ডলের আপেক্ষিক ঘনত্ব– 10 – 12.3 গ্রাম / ঘনসেমি
190. P তরঙ্গ অন্ত কেন্দ্রমণ্ডল দিয়ে যে বেগে প্রবাহিত হয় 11.23 কিমি/সেকেণ্ড
191. কনরাড বিযুক্তি রেখাটি আবিস্কৃত হয়–1934 খ্রিস্টাব্দে
192. মোহো বিযুক্তি রেখাটি আবিস্কৃত হয় — 1909 খ্রিস্টাব্দ
193. ওল্ড হাম বিযুক্তি রেখার অপর নাম –গুটেনবার্গ বিযুক্তি
194. লেহম্যান বিযুক্তি রেখা আবিষ্কৃত হয়– 1936 খ্রিস্টাব্দ
195. মহাদেশের প্রাচীনতম ভূখণ্ড/শীল্ড যে যুগে গঠিত- প্রিক্যাম্বিয়ান।
196. ভারতের দাক্ষিনাত্যের মালভূমি অঞ্চল গঠিত –আগ্নেয় শিলা দিয়ে।
197. টাফ যে ধরনের শিলা– পাইরোক্লাস্ট।
198. একটি আম্লিক শিলার উদাহরণ হল— অবসিডিয়ান।
199. একটি মধ্যবর্তী শিলার উদাহরণ– পরফাইরি।
200. গ্যারো একটি কি ধরনের শিলা –ক্ষারকীয়।
201. একটি অতিক্ষারকীয় শিলা হল— কিম্বারলাইট।
202. গ্র্যারো যে ধরনের শিলা –ফ্যানেরাইটিক।
203. গ্রানাইট শিলায় সিলিকার পরিমান– 65%
204. কর্ণাটকের মালনাদ অঞ্চলের ভূমিরুপ গঠিত -গ্রানাইট শিলায়।
205. তুফ (Tuff) যে ধরনের পাললিক শিলা–সংঘাত।
206. বালুকাময় পাললিক শিলার কণার ব্যস– 0.06 – 2 মিমি।
207. কোয়ার্টজাইট যে ধরনের রুপান্তরিত শিলা–অ্যারিনাসিয়াস।
208. শ্লেট যে ধরনের রুপান্তরিত শিলা –আজিলাসিয়াস।
209. একটি ক্যালকেরিয়াস শিলার উদাহরণ হল– মার্বেল।
210. একটি কার্বোনিফেরাস শিলার উদাহরণ হল– মার্বেল।
211. একটি ফেলসিক শিলার উদাহরণ হল– মাসকোভাইট।
212. একটি ম্যাফিক শিলার উদাহরণ হল–বায়াটাইট।
213. খনিজ তেল তৈরি হয় যে প্রাণীর দেহনির্যাস থেকে–ফোরামিনিফেরা।
214. ফিলাইট যে শিলায় রুপান্তরিত হয়– শিষ্ট।
215. পত্রায়ন তল লক্ষ্য করা যায় যে শিলায় –রুপান্তরিত।
216. ‘প্লেট কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন–জে. টি. উইলসন.
217. পাতসংস্থানতত্ত্ব বিকাশ লাভ করে– 1960 খ্রিস্টাব্দে.
218. ভূত্বকে বড় পাতের সংখ্যা– 6 টি.
219. পাতসংস্থানতত্ত্বের দ্বারা যে আলোড়নকে ব্যাখ্যা করা যায় –মহিভাবক ,গিরিজনি, সমসিথতিক ।
220. গঠনকারী সীমান্ত বলা হয় কাকে- প্রতিসারী পাতসীমান্ত।
221. “সান আন্দ্রিজ ফল্ট” হল– নিরপেক্ষ পাতসীমান্ত।
222. অলাকোজেন দেখা যায়– ত্রিপাত সম্মেলনে।
223. পরিচলন স্রোত তত্ত্বটি উপস্থাপন করেন— হোমস।
224. যে রেখা বরাবর দুটি পাতের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে তাকে বলে –জীবন রেখা।
225. বেনিয়ফ অঞ্চল চিহ্নিত করেন–হিউগো বেনিয়ফ।
226. কুরী পয়েন্টের উষ্ণতা হল- 600°Ꮯ
227. মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা যে ধরনের পাত সীমানার উদাহরণ–অপসারী পাতসীমানা।
228. যে পাতটি ত্রিপাত সম্মেলনে অবস্থিত- প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাত।
229. সামুদ্রিক ভূত্বক প্রসারনের ধারনা প্রথম দেন- হ্যারি হেস।
230. সামুদ্রিক ভূত্বক প্রসারনের তত্ত্ব প্রকাশিত হয় – 1960 সালে।
231. আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশের বিস্তারের হার বছরে— 2 সেমি।
232. ভারত মহাসাগরের বিস্তারের হার বছরে – 1.5 – 3 সেমি।
233. পৃথিবীর চৌম্বকীয় বিচূতি মাপা হয় যে যন্ত্র দিয়ে- ম্যাগনেটোমিটার।
234. চতুস্তলক মতবাদ প্রকাশ করেছিলেন- লোথিয়ান গ্রীন।
235. মহীসঞ্চরন মতবাদ 1910 সালে প্রকাশ করেন- এফ. বি. টেলর
236. এফ. বি. টেলর তার মহাদেশীয় সঞ্চরনের ধারনায় যে যুগে তৈরি পর্বতমালার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন- টার্সিয়ারি।
237. প্রথম মহীসঞ্চারনের একটি পূর্ণ ধারনা অবতারনা করেছিলেন- ওয়েগনার
238. ওয়েগনার তার মহীসঞ্চারনের ধারনা দেন- 1912 সালে।
239. “Die Entstehung der Kontinente and ozeane’-বইটির লেখক- ওয়েগনার
240. ড্যুটয়েট মহীখাতের নাম দিয়েছিলেন – সামফ্রাউ
241. সমস্থিতি কথাটা প্রথম ব্যবহার করেন- ডাটন।
242. জি. বি. এইরি তার তত্ত্ব প্রকাশ করেন – 1855 খ্রিস্টাব্দ।
243. জে. এইচ প্র্যাট তার তত্ত্ব প্রকাশ করেন -1859 খ্রিস্টাব্দ।
244. ‘ওরোজনি’ শব্দটির প্রবর্তক হলেন- জি. কে. গিলবার্ট।
245. ‘ওরোজোন’ শব্দটি প্রবর্তিত হয় -1890 সালে।
246. Oros’ কথাটির অর্থ কি- পর্বত।
247. পর্বত সৃষ্টির মহীখাত তত্ত্বের প্রবক্তা – ডালি।
248. মাধ্যিক ভর-এর ধারনাটি উপস্থাপন করেন- ভূতত্ত্ববিদ কোবার।
249. পর্বত গঠনের তাপীয় সংকোচন মতবাদের প্রবক্তা – জেফ্রিস।
250. ‘কার্ডিলেরা’ শব্দের অর্থ -পর্বত শ্রেণী।
251. একটি কর্ডিলেরার উদাহরণ হল- আন্দিজ।
252. জিওসিনক্লাইনের প্রথম ধারনা দেন- জেমস হল ও জেমস ডানা।
253. জিওক্লাইন কথাটি উপস্থাপন করেন- সেলবি।
254. জেনটিক্লাইন দেখা যায়—ইন্দোনেশিয়ায়।
255. একটি সঞ্চয়জাত পর্বতের উদাহরণ হল- ভিসুভিয়াস।
256. অ্যাপলেশিয়ান একটি – ক্ষয়জাত পর্বত।
257. রকি – ভঙ্গিল পর্বত।
258. পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রস্ত উপত্যকা – দ্যি গ্রেট রিফট ভ্যালি।
259. দক্ষিণাত্য মালভূমিতে অগ্ন্যুৎপাত ঘটে- ফিসার অগ্ন্যুৎপাত।
260. পিলীর কেশ দেখা যায় – হাওয়াই শ্রেণির আগ্নেয়গিরিতে।
261. প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয়মেখলায় পৃথিবীর–৮৫ শতাংশ আগ্নেয়গিরি আছে।
262. পৃথিবীতে হটস্পট আছে – 21টি।
263. একটি প্লিউমের উদাহরণ হল- ট্রিবেস্টি।
264. পৃথিবীর বৃহত্তম কালডেরা- জাপানের আসোয়ান
265. উত্তল গম্বুজাকৃতির আগ্নেয় ভূমিরুপকে বলে -ল্যাকোলিথ।
266. ভূগর্ভের ফাটলে উল্লেখ ভাবে ম্যাগমা জমাট বাধলে তাকে বলে- ডাইক।
267. ভূগর্ভের ফাটলে উল্লম্ব ভাবে মাগমা জমাট বাধলে তাকে বলে- সিল।
268. একটি মৃত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ – মাউন্ট পোপো।
269. চিম্বোরাজো- মিশ্র শঙ্কু ধরনের আগ্নেয়গিরি।
270. একটি গম্বুজাকৃতি আগ্নেয়গিরির উদাহরণ- মাউন্ট পিলি।
271. সালফাটরা থেকে নিঃসৃত হয়- গন্ধক মিশ্রিত গ্যাস।
272. –1. প্রতিসম ভাঁজ – দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য ও নতি সমান
2. অপ্রতিসম ভাজ – দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য ও নতি অসমান
3. সমনত ভাজ- দুটি বাহু সমান কোনে সমান্তরাল ভাবে একই দিকে হেলে থাকে।
4. শায়িত ভাজ – সমতল প্রায় অনুভূমিক হয়
273. ছত্রাকার ভাজের নীচের অংশে পার্শ্বচাপ সর্বাধিক হলে তা- শায়িত ভাজে পরিণত হয়।
274. যে রেখা বরাবর অনুভূমিক তলের সঙ্গে ভাজপ্রাপ্ত শিলাস্তরটি ছেদ করে তাকে বলে- আয়াম রেখা 275. সিনিস্ট্রাল বলতে বোঝায়- বা হাতি আয়াম স্খলন চুতি।
276. হর্ন ব্লেণ্ড- অগাইট শিলার রুপান্তরের ফলে সৃষ্টি হয়।
277. বৈপরীত্য ভূমিরুপে উদ্ধভঙ্গ ও অধোভঙ্গতে যে ভূমিরুপ গঠন করে তাকে যথাক্রমে বলে— উপত্যকা ও শৈলশিরা।
278. সর্বাপেক্ষা বিধ্বংসী তরঙ্গের নাম হলো— এল তরঙ্গ।
279. রিখটার স্কেল এর মাত্রা হলো- 0 – 10 মাত্রা।
280, ত্রিপাত সম্মেলন এর নিস্ক্রিয় বাহুর নাম হলো— আলকাজেন।
281. ‘পাত সঞ্চরণ তত্ত্বের জনক হলেন- পিচো।
282. সিমাটোজেনি ধারনার প্রবর্তন করেন— এল সি কিং
283. প্লুটোনিক শিলা বলা হয়— গ্রানাইট কে।
284. ‘S’ তরঙ্গ দ্বারা সৃষ্ট ছায়া বলয়ের পরিমাণ -26.5%
285. ‘L’ তরঙ্গ ধ্বংসাত্মক হওয়ার কারণ(ক) পৃথিবীর পরিধি বরাবর কার্যকরী হয়।
286. ল্যাপিলি হলো আগ্নেয় বোমা থেকে প্রাপ্ত -অতিক্ষুদ্র শিলাখণ্ড।
287. প্লিউম হলো— ম্যাগমার উর্ধ্বমুখী প্রবাহ।
288. পৃথিবীর বৃহত্তম ক্যালডেরা অবস্থিত – জাপানে।
289. পরিচলন স্রোত’ তত্ত্বটির আবিষ্কর্তা হলেন- আর্থার হোমস।
290. পাতগুলি মহাদেশের তলদেশে – 150 কিমি বিস্তৃত।
291. নিউটনের মহাকর্য সূত্র অনুযায়ী ১৭৯৮ সালে পৃথিবীর গড় ঘনত্ব পরিমাপ করেছিলেন-
ক্যাভেনডিস।
292. উত্তর আমেরিকার হেনরি পর্বত একটি– ল্যাকোলিথ।
293. প্যানজিয়া বিভক্ত করেছিল যে যুগে সেই যুগটির নাম- মেসোজোয়িক।
294. মহীসঞ্চারন তত্ত্ব এর প্রথম ধারনা দেন– আলফ্রেড ওয়েগনার
295. পদার্থের ভাসমানতার ধর্মের ওপর ভিত্তি করে সমস্থিতি তত্ত্ব প্রবর্তন করেন- জর্জ এইরি।
296. 1950 সালের অসমের ভূমিকম্পে কোন নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয় ?
Ans. ডিবং নদীর ।
297. সুনামির প্রধান কারণ কী ?
Ans. সমুদ্রের তলায় ভূমিকম্প ।
298. ভূমিকম্প উপকেন্দ্রের প্রায় বিপরীত দিকে অবস্থিত অঞ্চলকে কী বলে ?
Ans. ভূমিকম্পের ছায়া অঞ্চল (Shadow zone of earthquake)।
299. লাভ তরঙ্গ কে আবিষ্কার করেন ?
Ans. A.E.H. Love ।
300. ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি কোনটি ?
Ans. ব্যারেন ।
301. পৃথিবীর সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি কোনটি ?
Ans. মৌনালোয়া ।
302. বেশি ধ্বংসত্মক ভূ – কম্পীয় তরঙ্গ কোনটি ?
Ans. L তরঙ্গ ।
303. ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থেকে প্রতিপাদ কেন্দ্রের কৌণিক দূরত্ব কত ?
Ans. 180 ডিগ্রি ।
304. হাওয়াই দ্বীপে অবস্থানকারী পৃথিবীর উচ্চতম আগ্নয়গিরি কোনটি ?
Ans. মাউনা কিয়া ।
305. ভূ – অভ্যন্তরে ভূমিকম্পের উৎস অঞ্চলকে কি বলে ?
Ans. বেনিয়ফ অঞ্চল ।
306. ভূমিকম্পের কেন্দ্রের সোজাসুজি ভূ – পৃষ্ঠের ওপরের স্থানটিকে কি বলে ?
Ans. উপকেন্দ্র ।
307. ভূমিকম্পের ‘P’ তরঙ্গ , ‘S’ তরঙ্গ এবং পৃষ্ঠ তরঙ্গ যে শিলা গঠিত অংশের ভিতর দিয়ে চলাচল করতে পারে তাকে কি বলে ?
Ans. ভূ – ত্বক ।
308. অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট দুটি পদার্থ কি কি ?
Ans. পাইরোক্লাস্ট ও সিন্ডার ।
309. বেনিয়ফ মণ্ডলের ঢাল ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে কত ডিগ্রি কোণ করে অবস্থান করে ?
Ans. 30 – 80 ডিগ্রি ।
310. সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি কোনটি ?
Ans. কটোপ্যাক্সি ।
311. আগ্নেয় পদার্থ সমৃদ্ধ কাদার প্রবাহকে কী বলে ?
Ans. লাহার ।
312. ‘P’ – তরঙ্গ সৃষ্ট ছায়া অঞ্চলের পরিমান কত ?
Ans. 26.5% ।
313. বিশ্বের বৃহত্তম ও সমুদ্র তলদেশ থেকে সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নয়গিরি কোনটি ?
Ans. কিলাউই ।
314. ভূমিকম্প তরঙ্গের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে কত ?
Ans. 5-6 kms ।
315. ভূমিকম্প নির্মাণ কেন্দ্র প্রথম তৈরি করেন কে ?
Ans. মিলনে ।
***Mission Geography***

Edited by Sourav Sarkar (Admin).
Whatsapp Group- 9735337699

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s