SUPER POST


*POST-1 Geographical Facts অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি !!
1) আয়তনের ভিত্তিতে, পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো শহর হলো অন্তঃ মঙ্গোলিয়ার হুলুনবুইর। হুলুনবুইর শহরের আয়তন ২,৬৩,৯৫৩ বর্গ কিমি!!
2) আন্টলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে মাঝ বরাবর অবস্থিত ‘মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা হল পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০,০০০ কিমি। আইসল্যান্ড হল মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরার একমাত্র অংশ যা জলের বা সমুদ্রতলের ওপরে অবস্থিত!!
3) অস্ট্রেলিয়া এতো বৃহৎ দ্বীপ যে, একে দ্বীপ নয়, মহাদেশ হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া নয়, বিশ্বে উপকূলের দৈর্ঘ্যে প্রথম হল কানাডা। কানাডার উপকূলের মোট দৈর্ঘ্য হল ১,৫২,১০০ মাইল!!
4) বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো দেশ (আয়তন অনুসারে) রাশিয়া হলেও, সবচেয়ে বেশি প্রতিবেশী দেশ রয়েছে চীনের। ১৪ টি। চীনের প্রতিবেশী দেশগুলি হল– ভারত, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরঘিজস্তান, কাজাকিস্তান, মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া, উঃ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, মায়ানমার।
5) কিউবা হল সমগ্র ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের একমাত্র দ্বীপ, যেখানে রেলপথ রয়েছে!!
6) পৃথিবীর সর্বোচ্চ ২৫ টি পর্বতশৃঙ্গের ১৯ টিই হিমালয় পর্বতে অবস্থিত, মাউন্ট এভারেস্ট সহ!!
7) নাউরু হল পৃথিবীর একমাত্র দেশ, যার কোনো স্বীকৃত রাজধানী নেই!!
8) লেবানন হল মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র দেশ, যেখানে কোনো মরুভূমি নেই!!
9) রোম (ইতালি) এর থেকে বেশি ইতালিয়ান, ডাবলিন (আয়ারল্যান্ড) এর থেকে বেশি আইরিশ রয়েছে USA এর ‘বিগ আপেল’ নিউইয়র্ক শহরে!!
10) আমাদের পৃথিবীর কেন্দ্রে এতো পরিমাণ সোনা আছে, যা দিয়ে সারা পৃথিবীকে ১.৫ ফুট পুরু সোনা দিয়ে মুড়ে ফেলা সম্ভব!!
11) দঃ আমেরিকার আমাজন বৃষ্টি অরণ্য পৃথিবীর মোট অক্সিজেন এর ২০% এরও বেশি সরবরাহ করে থাকে!!
12) দঃ আমেরিকার আমাজন নদী আটলান্টিক মহাসাগরে এতো বেশি পরিমান জলবহন করে মিশেছে যে, উপকূলের মোহানা থেকে ১০০ মাইল দূরত্বের সমুদ্রেও মিষ্টি জল পাওয়া যায়!!
13) আমাজন নদী হল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জলবহনকারী নদী। আমাজন নদীতে যা জলবহন হয়, তা বিশ্বের আমাজন পরবর্তী জলবহনে শ্রেষ্ঠ আটটি নদীর থেকেও বেশি!!
14) তুরস্কের ইস্তানবুল হল বিশ্বের একমাত্র শহর, যা দুটি মহাদেশ (এশিয়া & ইউরোপে) অবস্থিত!!
15) রাষ্ট্রের মর্যাদা যুক্ত পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দ্বীপ হল — পলিনেশিয়ার পিটকারিন দ্বীপ। এর আয়তন — ৪.৫৩ বর্গ কিমি মাত্র।
16) রোম হল পৃথিবীর প্রথম শহর যার জনসংখ্যা ১ মিলিয়নে পৌঁছেছিল!!
17) আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলস শহরের পুরো নাম হল — El Pueblo de Nuestra
Senora la Reina de Los Angeles de Porciuncula
. এই পুরো নামের ৩.৬৩% এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল L.A.!!
18) বিশ্বের ৯০% বরফ ও ৭০% মিষ্টি জল (বরফ রূপে) আন্টার্কটিকা মহাদেশে সঞ্চিত রয়েছে। তবুও আন্টার্কটিকা মহাদেশকে পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি (Cold Desert) হিসেবে গন্য করা হয়, কারন আন্টার্কটিকার বার্ষিক অধঃক্ষেপনের পরিমাণ মাত্র ২ ইঞ্চি!!
19) বিশ্বে মাত্র ৩ টি দেশ একটিমাত্র প্রতিবেশী দেশ দ্বারা চারিদিকে পরিবেষ্টিত রয়েছে। এগুলি হল — ভ্যাটিক্ন সিটি (ইতালি দ্বারা), লেসোথো (দঃ আফ্রিকা দ্বারা), সান মারিনো (ইতালি দ্বারা)!!
20) Llanfairpwllgwyngyllgogerychwyrndrobwyll
llantysiliogogogoch — হল বিশ্বের কোনো গ্রামের সবচেয়ে বড়ো নাম। এটি ওয়ালশে অবস্থিত!!

*POST-2 স্থানীয় বায়ু
১) ফন(Foehn) কি?
উঃ সুইৎজারল্যান্ডেআল্পস পর্বতের উত্তরদিকে প্রবাহিত এক প্রকার উষ্ণ স্থানীয় বায়ু।
২) চিনুক (Chinook) কি?
উঃ রকি পার্বত্য অঞ্চল থেকে প্রেইরি অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত এক প্রকার উষ্ণ ও শুষ্ক স্থানীয় বায়ু।
৩) চিনুক শব্দটির অর্থ কি?
উঃ তুষার খাদক।
৪) সান্টা আনা (Santa Ana) কি?
উঃ দঃ ক্যালিফোর্নিয়াতে প্রবাহিত এক প্রকার উষ্ণ ও শুষ্ক বায়ু।
৫) কিসের নামানুসারে সান্টা আনা বায়ুর নামকরন করা হয়েছে?
উঃ সান্টা আনা ক্যানিয়ন।
৬) চিনুক বায়ু কখন প্রবাহিত হয়?
উঃ শীত ও বসন্তের শুরুতে।
৭) ইয়ামো/যামো (Yamo) কি?
উঃ জাপানের সংকীর্ণ উপত্যকায় প্রবাহিত এক প্রকার উষ্ণ, শুষ্ক স্থানীয় বায়ু।
৮) জোন্ডা (Zonda) কি?
উঃ দক্ষিন আমেরিকায় আন্দিজ উপত্যকা থেকে আর্জেন্টিনার সমভূমির দিকে প্রবাহিত একপ্রকার উষ্ণ ও শুষ্ক স্থানীয় বায়ু।
৯) ট্রামোন্টানে (Tramontane) কি?
উঃ মধ্য ইউরোপের উপত্যকায় প্রবাহিত একপ্রকার উষ্ণ, শুষ্ক স্থানীয় বায়ু।
১০) সিরক্কো (Sirocco) কি?
উঃ সাহারা মরুভূমি থেকে ভূমধ্যসাগর ও দঃ ইতালির ওপর প্রবাহিত এক প্রকার উষ্ণ, শুষ্ক, ধূলিকনা যুক্ত স্থানীয় বায়ু।
১১) স্পেনে সিরক্কো বায়ু কি নামে পরিচিত?
উঃ লেভেচ/লেভিচ।
১২) মাদিয়েরা ও মরক্কো তে সিরক্কো বায়ু কি নামে পরিচিত?
উঃ লেস্টে।
১৩) ব্রিকফিল্ডার (Brickfielder) কি?
উঃ অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাহিত উত্তুরে উষ্ণ স্থানীয় বায়ু।
১৪) খামসিন (Khamsin) কি?
উঃ বসন্তকালে মিশরে প্রবাহিত উষ্ণ, শুষ্ক, দক্ষিনী স্থানীয় বায়ু।
১৫) খামসিন শব্দটির অর্থ কি?
উঃ পঞ্চাশ।
১৬) সিমুম (Simoom) কি?
উঃ ইজরায়েল, সিরিয়া, জর্ডন ও আরব উপদ্বীপের মরু অঞ্চলে প্রবাহিত এক প্রকার উষ্ণ স্থানীয় বায়ু।
১৭) মধ্য এশিয়ায় সিমুম প্রকৃতির স্থানীয় বায়ু কি নামে পরিচিত?
উঃ গার্মসিল।
১৮) হারমাট্টান কি?
উঃ আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে প্রবাহিত একপ্রকার উষ্ণ স্থানীয় বায়ু।
১৯) ব্ল্যাকরোলার কি?
উঃ উত্তর আমেরিকার সমভূমিতে প্রবাহিত এক প্রকার উষ্ণ, শুষ্ক, ধূলিপূর্ণ স্থানীয় বায়ু।
২০) শামল কি?
উঃ ইরাক ও পারস্য উপসাগর অঞ্চলে প্রবাহিত এক প্রকার উষ্ণ শুষ্ক স্থানীয় বায়ু।
২১) নরওয়েস্টার কি?
উঃ নিউজিল্যান্ডে পার্বত্য অঞ্চল থেকে প্রবাহিত একপ্রকার উষ্ণ ও শুষ্ক বায়ু।
২২) মিস্ট্রাল কি?
উঃ শীতকালে ফ্রান্সে প্রবাহিত একপ্রকার শীতল স্থানীয় বায়ু।
২৩) বোরা কি?
উঃ আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে গ্রীস, ক্রোয়েশিয়া, বুলগেরিয়া প্রভৃতি দেশে প্রবাহিত শীতল, শুষ্ক স্থানীয় বায়ু।
২৪) মিস্ট্রাল শব্দটির অর্থ কি?
উঃ প্রভূত্বময়।
২৫) ব্লিজার্ড কি?
উঃ আন্টার্কটিকা, পূর্ব রকি পর্বত অঞ্চলে প্রবাহিত তীব্র শীতল, প্রবল গতিবেগ যুক্ত স্থানীয় বায়ু।
২৬) বুরান কি?
উঃ পূর্ব রাশিয়া ও মধ্য সাইবেরিয়া অঞ্চলে প্রবাহিত শীতল উত্তর-পূর্ব স্থানীয় বায়ু।
২৭) পূর্গা কি?
উঃ রাশিয়ার তুন্দ্রা অঞ্চলে প্রবাহিত শীতল স্থানীয় বায়ু।
২৮) পাম্পেরো কি?
উঃ পম্পাস অঞ্চলে প্রবাহিত শীতল স্থানীয় বায়ু।
২৯) পাপাগায়ো কি?
উঃ কোস্টারিকা ও পাপাগায়ো উপসাগরে প্রবাহিত ভয়ংকর তীব্র, শীতল স্থানীয় বায়ু।
৩০) তেহুয়ান্টেপিসার/তেহুয়ানো কি?
উঃ দক্ষিন মেক্সিকো ও দঃ-মধ্য আমেরিকায় প্রবাহিত শীতল স্থানীয় বায়ু।
৩১) ফ্রিয়াজেম কি?
উঃ আমাজন উপত্যকায় প্রবাহিত স্থানীয় বায়ু।

*POST-3 ভারতের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
১) প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৫১-৫৬) — প্রাথমিক ক্ষেত্রের উন্নয়ন। সেচ ও শক্তি, কৃষি ও সম্প্রদায় উন্নয়ন, পরিবহন ও যোগাযোগ।
২) দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৫৬-৬১)— পাবলিক সেক্টর ও দ্রুত শিল্পায়ন। জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও লৌহ-ইস্পাত শিল্প।
৩) তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৬১-৬৬) —- গম উৎপাদন বৃদ্ধি, সিমেন্ট ও সার কারখানা, গ্রামীন প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা।
(১৯৬৬-৬৯ প্ল্যান হলি ডে)
৪) চতুর্থ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৬৯-৭৪)— সবুজ বিপ্লব, দুগ্ধ বিপ্লব, ব্যাঙ্ক জাতীয়করণ। প্রথম পারমানবিক পরীক্ষা (পোখরান-১)।
৫) পঞ্চম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৭৪-৭৮)— কৃষি স্বনির্ভরতা, কর্মসংস্থান, দারিদ্র দূরীকরণ, ন্যায়।
জাতীয় সড়ক ব্যবস্থা শুরু।
(১৯৭৮-৮০ রোলিং প্ল্যান)
৬) ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৮০-৮৫)— আর্থিক ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ, মূল্য নিয়ন্ত্রন তুলে দেওয়া।
৭) সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০)— অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা, সামাজিক ন্যায়, খাদ্যশস্য উৎপাদন, প্রযুক্তি উন্নয়ন।
(১৯৯০-৯২ অ্যানুয়াল প্ল্যান)
৮) অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৯২-৯৭)— আর্থিক উদারীকরন ও বিশ্বায়ন, শিল্প আধুনিকীকরন।
৯) নবম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)—-সামাজিক পরিকাঠামো, জল নীতি, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন, প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও শিক্ষা উন্নয়ন।
১০) দশম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০০৩-০৭)— দারিদ্র দূরীকরণ, আঞ্চলিক বৈষম্য রোধ, কর্মসংস্থান, স্বাক্ষরতা।
১১) একাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০০৭-১২)— পানীয় জল, লিঙ্গ বৈষম্য রোধ, দারিদ্র দূরীকরণ, শিক্ষার ক্ষমতায়ন, স্থিতিশীল উন্নয়ন।
১২) দ্বাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০১২-১৭)— কৃষি শিল্প বানিজ্যের উন্নতি ও বৃদ্ধি, দারিদ্র দূরীকরণ & কর্মসংস্থান।

*POST-4 পৃথিবীর বিদ্যুৎকেন্দ্র
পৃথিবীর —
১)যে কোন প্রকার বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্র — থ্রি গর্জেস ড্যাম (চিন)।
২) বৃহত্তম কয়লা-চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র – তাইচুং (তাইওয়ান)।
৩) বৃহত্তম জ্বালানি তেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র — শোয়াইবা (সৌদি আরব)।
৪) বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র — সারগাট (রাশিয়া)।
৫) বৃহত্তম পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র — ব্রুস (কানাডা)।
৬) বৃহত্তম অয়েল-শেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র — Eesti (এস্তোনিয়া)।
৭) বৃহত্তম পিট কয়লা চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র – শাতুরা (রাশিয়া)।
৮) বৃহত্তম বায়োমাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র — দ্রাক্স (ব্রিটেন)।
৯) বৃহত্তম ভূ-তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র — গিজার (USA)।
১০) বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র — থ্রি গর্জেস (চিন)।
১১) বৃহত্তম পাম্প স্টোরেজ বিদ্যুৎ কেন্দ্র — বাথ কাউন্টি (USA) (পৃথিবীর বৃহত্তম ব্যাটারি)।
১২) বৃহত্তম নদী জলপ্রবাহ বিদ্যুৎ কেন্দ্র — চিফ জোসেফ (USA)।
১৩) বৃহত্তম জোয়ার ভাটা বিদ্যুৎ কেন্দ্র — সিহওয়া লেক (দঃ কোরিয়া)।
১৪) বৃহত্তম সমুদ্র তরঙ্গ বিদ্যুৎ কেন্দ্র — অ্যাগুকাদৌরা (পর্তুগাল)।
১৫) বৃহত্তম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র — I) উপকূলীয় — গাংসু (চীন)
II) অ-উপকূলীয় — লন্ডন অ্যারে (ব্রিটেন)।

*POST-5 ভৌগোলিক গ্রন্থ ও লেখক
১) Erdkunde — কার্ল রিটার।
২) Europe in Gernalde — কার্ল রিটার।
৩) Eexceptionalismin Geography — স্কীফার।
৪) Cosmos — হামবোল্ড।
৫) Stop & Go Determinism — গ্রিফিথ টেলর।
৬) Political Geography — রেটজেল।
৭) Anthropogeography — রেটজেল।
৮) Principle of Geography — ভিদাল।
৯) Annual da Geography — ভিদাল।
১০) Nature of Geography — হার্টশোন।
১১) Perspective on the nature of Geography — হার্টশোন।
১২) Theoritical Geography — উইলিয়াম বাংগে।
১৩) Location Analysis in Human Geography — পিটার হ্যাগট।
১৪) Model In Geography — হ্যাগট & চোরলে।
১৫) Principle of Human Geography — ভিদাল।
১৬) Human Geography & Area Research — উলম্যান।
১৭) The Pioneer Fringe — বাওম্যান।
১৮) The Morphology of Landscape — কার্ল ও সয়ার।
১৯) Civilisation & Climate — হান্টিংটন।
২০) The Principle of Human Geography — হান্টিংটন।
২১) The Pulse of Asia — হান্টিংটন।
২২) Influence of Geographic Environment — সেম্পেল।
২৩) Geographical Pivot of History — ম্যাকিনডার।
২৪) Geographical Introduction to History — লুসিয়েন ফেব্রে।
২৫) Geographie Humanie : essai de Classification Positive — জিন ব্রুনস।
২৬) Almagast — টলেমি।
২৭) The Outline of geography — টলেমি।
২৮) Geographia — স্ট্র্যাবো।
২৯) Critic of pure reason — ইমানুয়েল কান্ট।
৩০) Social Justice & City — ডেভিড হার্ভে।
৩১) Explanation in Geography — ডেভিড হার্ভে।
৩২) Makers of Modern geography — ডিকিনসন।
৩৩) Moral Geographics — ডেভিড স্মিথ।
৩৪) জিওগ্রাফিয়া — টলেমি।
৩৫) The Republic — প্লেটো।
৩৬) The Culture of Cities — লুই মামফোর্ড।
৩৭) The City in History — লুই মামফোর্ড।
৩৮) De la France — ভিদাল।
৩৯) জিওগ্রাফিয়া জেনারেলিস — ভ্যারেনিয়াস।
৪০) গেসপেরিওডস — হেকাটিয়াস।
৪১) ইকুমেন : দ্য হ্যাবিটেবল পার্ট অফ দ্য আর্থ — এরাটোসথেনিস।
৪২) An Essay on the Principle of Population — ম্যালথাস।
৪৩) Perspective on the Nature of Geography — হার্টশোন।
৪৪) Ideology, Science & Human Geography — ডেরেক গ্রেগরি।
৪৫) Concept of Geography as a Science of Space — হার্টশোন।
৪৬) The Biography of Landscape — স্যামুয়েলস।
৪৭) Geoecology — কার্ল ট্রোল।
৪৮) Region & Regionalism — ডিকিনসন।
৪৯) মানবযন্ত্র — লামেত্রী।
৫০) Regional Transformation — ডেরেক গ্রেগরি।

*POST-6 ভারতের জলপ্রপাত
১) চিত্রকূট জলপ্রপাত — ইন্দ্রাবতী নদী — ছত্তিসগড় (ভারতের নায়াগ্রা ; ভারতের প্রশস্ততম)।
২) অমৃতধারা জলপ্রপাত — হাঁসদেও নদী — ছত্তিসগড়।
৩) দুধ সাগর জলপ্রপাত — মান্ডবী নদী — গোয়া-কর্নাটক সীমানা।
৪) নিনাই জলপ্রপাত — নর্মদা নদী — গুজরাট।
৫) অহর্বল জলপ্রপাত — ভিশু নদী — জম্মু ও কাশ্মীর।
৬) দশম জলপ্রপাত — কাঞ্চি নদী — ঝাড়খন্ড।
৭) হুড্রু জলপ্রপাত — সুবর্ণরেখা নদী — ঝাড়খন্ড।
৮) জোনহা জলপ্রপাত/গৌতমধারা জলপ্রপাত — গুঙ্গা নদী — ঝাড়খন্ড।
৯) কুঞ্চিকাল জলপ্রপাত — বরাহি নদী — কর্নাটক। (ভারতের উচ্চতম)।
১০) যোগ / গেরসোপ্পা জলপ্রপাত — শরাবতী নদী — কর্নাটক।
১১) বরকনা জলপ্রপাত — সীতা নদী — কর্নাটক।
১২) গোকাক জলপ্রপাত — ঘাটপ্রভা নদী — কর্নাটক।
১৩) মাগোড় জলপ্রপাত — বেদতি নদী — কর্নাটক।
১৪) অতিথারাপ্পিল্লীজলপ্রপাত — চালাকুড়ি নদী — কেরালা।
১৫) পালারুবি জলপ্রপাত — কাল্লাড়া নদী — কেরালা।
১৬) চাচাই জলপ্রপাত — বিহাড় নদী – মধ্যপ্রদেশ।
১৭) ধুঁয়াধার জলপ্রপাত — নর্মদা নদী — মধ্যপ্রদেশ।
১৮) কেওতি জলপ্রপাত – মহনা নদী — মধ্যপ্রদেশ।
১৯) কুনে জলপ্রপাত — ** — মহারাষ্ট্র।
২০) সহস্ত্রকুন্ড জলপ্রপাত — পেনগঙ্গা — মহারাষ্ট্র।
২১) বাজরাই জলপ্রপাত — উর্মোদি নদী — মহারাষ্ট্র।
২২) ল্যাংশিয়াং জলপ্রপাত — কিনসি নদী — মেঘালয়।
২৩) কিনরেম জলপ্রপাত — ** — মেঘালয়(চেরাপুঞ্জি)।
২৪) বিশপ ফলস — ** — মেঘালয় (শিলং)।
২৫) নোহকালিকাই — ** — মেঘালয়(চেরাপুঞ্জি)। (ভারতের উচ্চতম প্লাঞ্জ জলপ্রপাত)।
২৬) ভানতাওং জলপ্রপাত — লাও নদী — মিজোরাম।
২৭) বারেহিপানি ফলস — বুদ্ধবালঙ্গ নদী — ওড়িশা।
২৮) ডুডুমা জলপ্রপাত — মাচকুন্দ নদী — ওড়িশা।
২৯) খান্দাধার ফলস — কোরা নালা — ওড়িশা।
৩০) শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত — কাবেরী নদী — কর্নাটক।

*POST-7 স্ট্যাটিসটিক্স ও কার্টোগ্রাফিক টেকনিক
১) অ্যাটলাস শব্দটির অর্থ কি?
উঃ মানচিত্রের বই।
২) ভারতের কোন সংস্থা বিষয়ভিত্তিক মানচিত্র প্রস্তুত করে?
উঃ NATMO
৩) ভারতের কোন সংস্থা ভূবৈচিত্র্যসূচকমানচিত্র প্রস্তুত করে?
উঃ সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।
৪) ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্রের অপর নাম কি?
উঃ মৌজা মানচিত্র।
৫) মৌজা/ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্রের স্কেল কত?
উঃ ১:৩৯৬০
৬) কে সর্বপ্রথম পৃথিবীর মানচিত্র প্রস্তুত করেন?
উঃ অ্যানাক্সিমিন্ডার।
৭) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানচিত্র বিশারদ কাকে বলা হয়?
উঃ আলইদ্রিসি।
৮) মানচিত্রে দূরত্ব নির্নয় করার জন্য কোন যন্ত্রের সাহায্য নেওয়া হয়?
উঃ রোটামিটার।
৯) কোন যন্ত্রের সাহায্যে মানচিত্র ছোটো বড়ো করা হয়?
উঃ প্যান্টোগ্রাফ।
১০) মানচিত্র কোন এলাকার আয়তন নির্ধারনের জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
উঃ প্লানিমিটার।
১১) মানচিত্রে বড়ো স্কেলের R.F. কত?
উঃ ১:৩৯৬০ (মৌজা মানচিত্র)
১২) মানচিত্রে মাঝারি স্কেলের R.F. কত?
উঃ ১:৫০,০০০
১৩) মানচিত্রে ছোটো স্কেলের R.F. কত?
উঃ ১:১০০০০০০
১৪) কে ভার্নিয়ার স্কেল আবিষ্কার করেন?
উঃ রবার্ট পিয়েরি ভার্নিয়ার।
১৫) R.F.এর পুরো নাম কি?
উঃ Representative Fraction
১৬) স্বাক্ষরতা বন্টনের মানচিত্র কোন প্রকার ম্যাপ?
উঃ বিষয়ভিত্তিক বা থিমেটিক ম্যাপ।
১৭) বিভিন্ন রং এর ব্যবহারে তৈরি মানচিত্র কে বি বলে?
উঃ কোরোক্রোমাটিক মানচিত্র।
১৮) কোন যন্ত্রের সাহায্যে ত্রিমাত্রিক কোনো দৃশ্যকে দ্বিমাত্রিক করে মানচিত্র অঙ্কন করা হয়?
উঃ স্টিরিওস্কোপ।
১৯) মানচিত্র অঙ্কনে সর্বাধিক প্রয়োজনীয় কি?
উঃ স্কেল।
২০) টোপোগ্রাফিক মানচিত্রের R.F. কত হয়?
উঃ ১:৫০,০০০
২১) এইডোগ্রাফ কি?
উঃ মানচিত্র ছোটো-বড়ো করার যন্ত্র।
২২) বেঞ্চমার্ক কি?
উঃ ভূপৃষ্ঠ থেকে কোন বিন্দুর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাপা প্রকৃত উচ্চতা।
২৩) স্পট হাইট কি?
উঃ মানচিত্র কোন স্থান বিন্দুর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দেখানো উচ্চতা।
২৪) সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
উঃ দেরাদুন।
২৫) কত সালে সার্ভে অফ ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়?
উঃ ১৯৬৭
২৬) আন্তর্জাতিক টোপোগ্রাফিক মানচিত্র সিরিজে, সমগ্র পৃথিবীকে কয়টি টোপোশিটে ভাগ করা হয়েছে?
উঃ ২২২২ টি।
২৭) মিলিয়ন শিট টোপোম্যাপের R.F. কত?
উঃ ১:১০০০০০০
২৮) ডিগ্রি শিট টোপোম্যাপের R.F. কত?
উঃ ১:১০০০০০
২৯) ১৫ মিনিট শিট টোপোম্যাপের R.F. কত?
উঃ ১:৫০০০০
৩০) মিলিয়ন শিট টোপোম্যাপের অক্ষাংশ & দ্রাঘিমা গত বিস্তার কত?
উঃ ৪ ডিগ্রি × ৪ ডিগ্রি।
৩১) ডিগ্রি শিট টোপোম্যাপের অক্ষাংশ & দ্রাঘিমাগত বিস্তার কত?
উঃ ১ ডিগ্রি × ১ ডিগ্রি।
৩২) ভারতের রাশিবিজ্ঞানের জনক কে?
উঃ প্রশান্তচন্দ্র মহালানবিশ।
৩৩) তথ্যের শ্রেনি কয় প্রকার & কিকি?
উঃ ২ প্রকার — গুনগত & সংখ্যামূলক।
৩৪) একটি গুনগত তথ্যের উদাহরন দাও।
উঃ নাম, ঠিকানা, বর্ন, জাতি।
৩৫) একটি সংখ্যামূলক তথ্যের উদাহরন দাও।
উঃ ব্যক্তির বয়স, উচ্চতা।
৩৬) কোনো রাশিতথ্যের সংক্ষিপ্তকরনের জন্য নির্দিষ্ট পার্থক্য অনুসারে ভাগ করা কে কি বলে?
উঃ শ্রেনি।
৩৭) যখন রাশিতথ্যের কোনো শ্রেনীর উর্দ্ধসীমানা ও তার পরবর্তী নিম্নসীমানার মধ্যে পার্থক্য থাকে, তাকে কি বলে?
উঃ শ্রেণী সীমা বা Class Limit
৩৮) একটি শ্রেণীসীমার উদাহরন দাও।
উঃ ৭০০-৮০০, ৮০১-৯০০, ৯০১-১০০০
৩৯) যখন রাশিতথ্যের কোনো শ্রেনীর উর্দ্ধসীমানা & তার পরবর্তী নিম্নসীমানার মধ্যে পার্থক্য থাকে না, তাকে কি বলে?
উঃ শ্রেনী সীমানা বা Class Boundary
৪০) একটি শ্রেণী সীমানার উদাহরন দাও।
উঃ ৭০০-৮০০, ৮০০-৯০০, ৯০০-১০০০
৪১) একটি শ্রেণীর উচ্চসীমা ও নিম্নসীমার পার্থক্যকে কি বলে?
উঃ শ্রেণী ব্যবধান বা Class Interval
৪২) ৭০০-৮০০ এর শ্রেণী ব্যবধান কত?
উঃ ১০০
৪৩) Statistics শব্দটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?
উঃ ব্যারন বাইলফেল্ড।
৪৪) যে চলকের মানকে ভগ্নাংশে নয়, শুধুমাত্র পূর্নসংখ্যায় দেখানো যায়, তাকে কি বলে?
উঃ বিচ্ছিন্ন চলক।
৪৫) যে চলকের মানকে ভগ্নাংশ বা পূর্ণ সংখ্যায় দেখানো যায়, তাকে কি বলে?
উঃ অবিচ্ছিন্ন চলক।
৪৬) যেসব উপাদান বা রাশির মান পরিবর্তন হয় না, তাকে কি বলে?
উঃ ধ্রুবক।
৪৭) একটি ধ্রুবকের উদাহরন দাও।
উঃ সপ্তাহের দিনসংখ্যা ৭ টি।
৪৮) একটি বিচ্ছিন্ন চলকের উদাহরন দাও।
উঃ পরিবারের লোকসংখ্যা।
৪৯) একটি অবিচ্ছিন্ন চলকের উদাহরন দাও।
উঃ বৃষ্টিপাত।
৫০) PIXEL কথাটির অর্থ কি?
উঃ Picture (PIX) Element

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s