মালাবারেরগর্বের “কয়াল”


মালাবারেরগর্বের “কয়াল” !!!
++++++++++++++++++++++
কয়ালকি সেটি আমরা প্রায় সবাই জানি।। তার আগে লেগুন কি সেটি আগে জানি।। “লেগুন বা উপহ্রদ হল- স্থলভাগ দ্বারা আবদ্ধ এবং একদিক সমুদ্রে উম্মুক্ত লবণাক্ত জলের হ্রদকে উপহ্রদ বা লেগুন বলে। ভারতের বৃহত্তম লেগুন হল ‘চিল্কা’ যেটি আবার এশীয়ার ও বৃহত্তম লেগুন হিসাবে পরিচিত।
# সাধারণতকেরল রাজ্যের মালাবার উপকুলের উপহ্রদ গুলিকে #কয়াল বলে।
# এটিকিভাবে সৃষ্টি? ভু আন্দোলনের ফলে মালাবার উপকুল বরাবর উত্থান ও নিমজ্জন ঘটেছে (তাই একে আমরা যৌগিক উপকুল বলে)। এই উত্থান ও নিমজ্জনের চিহ্ন স্বরুপ এখানে অসংখ্য জলাভূমি বা ব্যাকওয়াটার সৃষ্টি হয়েছে। এই জলাভূমিকেই স্থানীয় ভাষায় “কয়াল” বলা হয়।।
–> কয়াল সৃষ্টির মতবাদ হিসাবে আরো কটি মতবাদ প্রচলিত রয়েছে, সেটি হল…অনেক সময় অগভীর সমুদ্রোপকূল অঞ্চলে সমুদ্রের ঢেউ বা নদীর বয়ে আনা বালি, নুড়ি,কাঁকড় প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে উপকূলের প্রায় সমান্তরাল ভাবে লম্বা বাঁধের সৃষ্টি হয়। কালক্রমে এই বাঁধের পিছনে বৃষ্টি বা সমুদ্রের জল আবদ্ধ হয়ে ধীরে ধীরে মূল সমুদ্র থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ওই বাঁধের সঙ্গে মূল ভূখন্ড যুক্ত হয়ে পড়ায় বাঁধের পিছনে প্রায় আবদ্ধ জলাভূমি বা ব্যাকওয়াটারস এর সৃষ্টি হয়।
# আয়তন- এটি ১৫০০ কিমি দীর্ঘ একটি জালিকা বিন্যাশ। যেটিতে প্রায় ৩৮ টি নদী ও ৫ টি বৃহৎ হ্রদের দ্বারা সমৃদ্ধ।
# এরনাম ব্যাকওয়াটার হল কেন? প্রচলিত আছে যে, ওই হ্রদের জল টি প্রকৃতপক্ষে মিষ্টি নদীর জল। যেটি নদীর মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে আসে, যেটি আবার কৃষিকাজে ব্যাবহৃত হয় এবং পুনরায় আবার ফিরে যায় এই জন্য একে ব্যাকওয়াটার বলে (মতপার্থক্য থাকলে জানাতে ভুলবেন না) এর সাথে সমুদ্রের ও যোগাযোগ রয়েছে।
# Veniceof the East— কেরালার কোচি থেকে ৬৮ কিমি দূরে অবস্থিত Alappuzha কে Venice of the East বলা হয়। এখানে অসংখ খাল, ব্যাকওয়াটার, হ্রদ, সমুদ্র সৈকতে সমৃদ্ধ অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা এক অসাধারণ প্রাকৃতিক শোভাতে মুগ্ধ হয়ে Lord Curzon একে Venice of the East হিসাবে বর্ণণা করেছেন।
# এখানেজাতীয় জলপথ-৩ কোল্লাম থেকে কোট্টাপুরম পর্যন্ত প্রায় ২০৫কিমি পথ অতিক্রম করেছে এই ব্যাকওয়াটারের সমান্তরালে।
# বৈশিষ্ট– ১) এগুলি এক ধরনের উপহ্রদ। ২) এগুলি লবণাক্ত জলের হ্রদ। ৩) এগুলি স্থলভাগ দ্বারা আবদ্ধ এবং এর একদিক সমুদ্রে উম্মুক্ত। ৪) এগুলি সাধারণত অগভীড় ও দীর্ঘ হয়। ৫) স্থানিয় মানুষদের যোগাযোগ ব্যাবস্থায় বিশেষ ভূমিকা রয়েছে এই কয়ালের। ৬। এটি পর্যটন শিল্পের জন্য বিখ্যাত, এখানকার হাউস বোট গুলি পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।
# কিছুকয়ালের উদাহরণ- ভেম্বনাদ, অষ্টমুদি, ভেলী লেক।
# ভারতেরবৃহত্তম কয়াল হল– # ভেম্বনাদ(২০৩৩ কিমি/বর্গতে)।
Edited by- Rajkumar Guria.
————————————–

©Mission Geography India.

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s