Humans are not from Earth


“Humans are not from Earth”
আমরা মানুষরা এই পৃথিবীর সবথেকে বিকশিত ও বুদ্ধিমান প্রাণী । আজ আমরা এতটা উন্নত হয়েছি যে অন্য গ্রহে আমরা স্যাটেলাইট পাঠাতে পাচ্ছি । অতীতে যে প্রাণীদের আমরা ভয় পেতাম, আজ তাদের পোষ মানাতে শিখেছি । কিন্তু আপনি কি জানেন আমরা এই পৃথিবীর আদি প্রাণী নয় । আমরা অন্য কোনো গ্রহ থেকে এই পৃথিবীতে এসেছি । আমাদের কে বাইরের গ্রহের কোনো এলিয়েন্স এই পৃথিবীতে নিয়ে এসেছে । মানুষের সমস্ত রহস্য উদঘাটন হবে মিশন জিওগ্রাফি গ্রুপে ।
Dr. Ellis Silver -এর মতে, পৃথিবী মানুষের প্রাকৃতিক ঘর নয় । আমরা অন্য গ্রহের প্রাণী ছিলাম । এলিয়েন্স আমাদেরকে পৃথিবীতে নিয়ে এসেছে বা পাঠিয়েছে । অর্থাৎ আমরা পৃথিবীর আদি প্রাণী নয় ।এর সাপেক্ষে কিছু যুক্তি নিচে দেওয়া হল-
1. তেজ রশ্মি :- আমরা তেজ রশ্মিতে দেখতে পাই না । সেটা প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম যাই হোক না কেন । উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, আপনি গাড়ি চালাচ্ছেন তখন সূর্যের তেজ রশ্মি আপনার চোখে পড়ল এবং কিছু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনার চোখের সামনে অন্ধকার হয়ে আসবে । আর আপনি গাড়ি চালাতে পারবেন না । কিন্তু ওই সময়েই আপনি দেখবেন পাখিরা ওই তেজ রশ্মিতে সুন্দরভাবে উড়ে যাচ্ছে । অর্থাৎ পাখিদের এই আলো সমস্যার সৃষ্টি করছে না । যা পৃথিবীর অন্য প্রাণীর ক্ষেত্রেও দেখতে পাওয়া যায় । কারণ এরা কোটি কোটি বছর ধরে এই পৃথিবীতে থাকায় তারা নিজেদের বিকশিত করতে পেরেছে । আমরা এইরকম করতে পারিনা কারণ আমরা এখানে বিকশিতই হয়নি । সম্ভবত আমরা এমন গ্রহ থেকে এসেছি যেখানে পৃথিবীর মতো এত বেশি আলো আসে না ।
2. Sunlight:- ঠাণ্ডার দিনে রোদ পোহাতে আমাদের সবার ভালো লাগে । কিন্তু আমাদের যদি বলা হয় বছরের প্রতিটিটা দিন সূর্যের আলোর নীচে থাকতে তাহলে আমরা তা করতে পারি না । এই রকম হয় কারণ সূর্যের আলো থেকে বাঁচানোর জন্য আমাদের শরীরে ঘন লোম নেই । কিন্তু পৃথিবীর অন্য প্রাণী যারা স্থলভাগে জন্মায় তাদের ঘন ও লম্বা লোম থাকে । হাতি ও গণ্ডার ব্যতিক্রম হলেও তারা সময়ের সঙ্গে নিজেদের পরিবর্তন করেছে কারণ তাদের চামড়া মোটা হয় । কিন্তু আমাদের সাথে কিছুই হয়নি । আমাদের শরীরে ঘন লোমও নেই এবং চামড়াও মোটা নয় । ডারউইন এর তত্ত্ব অনুসারে প্রত্যেক জীব তার জলবায়ুর ভিত্তিতে বিকশিত হয়ে এসেছে । যদি এই রকম হয় আর আমরা বাদর থেকে বিকশিত হয়েছি তাহলে আমাদের শরীরেও ঘন লোম থাকার দরকার এবং তা আমাদের ক্ষেত্রে লাভজনক হতো । আগুন আবিষ্কারের পূর্বেও মানুষের শরীরে লোম ছিল না । তাই আগুনের কারণে মানুষের লোম পুড়েও যায়নি ।
*পরবর্তী পর্বে আরও যুক্তি দেওয়া হবে এবং বিস্তারিত আরও আলোচনা হবে ।
—-Sourav Sarkar (Director).
©Mission Geography India.

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s