Indian Geography SAQ (ভারতের ভূগোল)


■ভারতের ভূপ্রকৃতি (Relief):-

1. টেথিস হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ লিওপারগেল।
2. পশ্চিম হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ নাঙ্গা পর্বত।
3. মধ্য হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ মাউন্ট এভারেস্ট।
4. পূর্ব হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা।
5. পশ্চিম হিমালয় কয় ভাগে বিভক্ত ও কিকি?
উঃ ৩ ভাগে– কাশ্মীর হিমালয়, পাঞ্জাব ও হিমাচল হিমালয়, কুমায়ুন হিমালয়।
6. পশ্চিম হিমালয়ের প্রধান গিরিপথ গুলি কিকি?
উঃ বানিহাল, জোজিলা, পীরপঞ্জাল, কারাকোরাম।
7. কোন দুই পর্বতশ্রেণির মাঝে কাশ্মীর উপত্যকা অবস্থিত?
উঃ জাস্কর ও পীরপঞ্জাল।
8. কাশ্মীর হিমালয়ের প্রধান পর্বতশ্রেণি কোনটি?
উঃ জাস্কর ও পীরপঞ্জাল।
9. পাঞ্জাব ও হিমাচল হিমালয়ের প্রধান পর্বতশ্রেণি কোনটি?
উঃ ধৌলাধর।
10. কোন হ্রদকে কাশ্মীরের রত্ন বলা হয়?
উঃ ডাল লেক।
11. পূর্ব হিমালয় কয় ভাগে বিভক্ত ও কিকি?
উঃ তিন ভাগে — সিকিম-দার্জিলিং হিমালয়, ভুটান হিমালয়, অরুনাচল হিমালয়।
12. সিকিম-দার্জিলিং হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা।
13. পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ সন্দাকফু (সিকিম-দার্জিলিং হিমালয় পর্বত)।
14. ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা (8,598m)।
15. সিকিম-দার্জিলিং হিমালয়ের প্রধান হিমবাহ কোনটি?
উঃ জেমু।
16. সিকিম-দার্জিলিং হিমবাহের প্রধান গিরিপথ গুলি কিকি?
উঃ নাথুলা, বুমলা।
17. ভুটান হিমালয়ের প্রধান পর্বতশ্রেণি কোনটি?
উঃ মাসাংকিংডু।
18. ভুটান হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ চমোলারী।
19. ভুটান হিমালয়ের প্রধান গিরিপথ গুলি কিকি?
উঃ লিংসিলা, ইউলিলা।
20. অরুনাচল হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ নামচারবাওয়া।

■ভারতের নদনদী (Indian River):-

1.উত্তর ও দক্ষিন ভারতের জলবিভাজিকা – বিন্ধ্য পর্বত ৷
2.অলকনন্দা দেবপ্রয়াগের কাছে গঙ্গায় পড়েছে ৷
3.গঙ্গার প্রধান উপনদী হল – যমুনা ৷
4.সিন্ধু নদীর উৎপত্তি হয়েছে – সিন্-খা-বাব হিমবাহ থেকে ৷
5.ব্রক্ষ্মপুত্রতিব্বতে – সাংপো নামে পরিচিত ৷
6.রাজস্থানের মরু অঞ্চলের প্রধান নদীর নাম – লুনি ৷
7.সুবর্ণরেখা নদীর গতিপথে – হুড্রু জলপ্রপাত অবস্থিত ৷
8.কাবেরি নদীর গতিপথে শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়েছে ৷
9.লোকটাক হ্রদ মণিপুরে অবস্থিত ৷
10.আনাইসাগর হ্রদ থেকে লুনি নদীর সৃষ্টি হয়েছে ৷
11.সরাবতি নদীর গতিপথে গেরসোপ্পা বা যোগজলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
12.নর্মদা নদীর গতিপথে ধুয়াধার জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
13.ত্র্যাম্বক উচ্চভূমি থেকে গোদাবরি নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
14.যমুনা নদী এলাহাবাদের কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ছে ৷
15.ভারতের সর্ব্বোচ্চ জলপ্রপাতের নাম গেরসাপ্পো যার অপরদুটি নাম যোগজলপ্রপাত বা গান্ধী জলপ্রপাত ৷
16.গঙ্গোত্রী হিমালয়ের গোমুখ তুষারগুহা থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
17.ভারতের দুটি লবণাক্ত জলের হ্রদের নাম সম্বর ও চিল্কা ৷
18.ভারতের একটি অর্ন্তবাহিনী নদীর নাম লুনি ৷
19.দক্ষিন ভারতের নদিগুলি শুধু বৃষ্টির জলে পুষ্ট ৷
20.ভারতের প্রধান নদীর নাম গঙ্গা ৷
21.যমুনোত্রী হিমবাহ থেকে যমুনা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
22.হরিদ্বারের কাছে গঙ্গা সমভুমিতে নেমে এসেছে ৷
23.উত্তর-পশ্চিমভারতের প্রধান নদী – সিন্ধু ৷
24.উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান নদী – ব্রক্ষ্মপুত্র ৷
25.কাশ্মির উপত্যকার মধ্য দিয়ে – ঝিলাম বা বিতস্তা নদী প্রবাহিত হয়েছে ৷
26.সিন্ধু নদীর তীরে হরপ্পা ও মহেঞ্জেদারো সভ্যতার সৃষ্টি হয়েছিল ৷
27.সবরমতি নদী – আরাবল্লি পর্বত থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে ৷
28.ভারতের একটি আদর্শ নদী – গঙ্গা ৷
29.সরাবতী একটি পশ্চিম বাহিনী নদী ৷
30.পাঞ্জাবের প্রধান নদী – শতদ্রু ৷
31.অরুণাচলপ্রদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রেরনাম – ডিহং ৷
32.তাপ্তি নদীর প্রধান উপনদীর নাম – পূর্ণা ৷
33.ডাল ও উলার হ্রদ কাশ্মিরে অবস্থিত ৷
34.গঙ্গার দূষণ রোধের জন্য ১৯৮৫ সালে সেন্ট্রাল গঙ্গা অথোরিটি নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত করা হয় ৷
35.মহানদীর উপর ভারতের দীর্ঘতম ( ২৬ কিমি) বাঁধ – হিরাকুদ অবস্থিত ৷
36.মেট্টুর বাঁধ কাবেরী নদীর উপর অবস্থিত ৷
37.নাগারজুন সাগর বাঁধ কৃষ্ণা নদীর উপর অবস্থিত ৷
38.জন্মু কাশ্মিরের লাদাখে বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ (১৪,২৫৬ ফুট) পংগং অবস্থিত ৷
39.ভারতের বৃহত্তম হ্রদের নাম – কাশ্মিরের উলার ৷
40.শতদ্রু নদীর উপর ভারতের উচ্চতম বাঁধ ভাকরা – নাঙ্গাল অবস্থিত ৷
41.গঙ্গা ব্রক্ষ্মপুত্রেরব-দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ সমভূমির উদাহরণ ৷
42.ব্রক্ষ্মপুত্রের মাজুলি দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ ৷
43.গোদাবরি নদী কে দক্ষিন ভারতের গঙ্গা বলা হয় ৷
44.কাবেরি নদীকে দক্ষিন ভারতের পবিত্র নদী বলা হয় ৷
45.ভারতের পশ্চিম বাহিনী নদীগুলির মধ্য উল্লেখযোগ্য – নর্মদা,তাপ্তি,সবরমতি ও সরাবতি ৷
46.গোমুখ থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত গঙ্গার উচ্চগতি৷ হরিদ্বার থেকে রাজমহল পাহাড় পর্যন্ত গঙ্গার মধ্যগতি ৷ রাজমহল পাহাড় থেকে বঙ্গোপসাগরের মুখ পর্যন্ত গঙ্গার নিন্মগতি ৷
47.লুনি নদী কচ্ছের রণে পড়েছে ৷
48.নর্মদা ও তাপ্তি নদী গ্রস্থ উপত্যকার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ৷
49.বাংলাদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রেরনাম যমুনা ৷
50.ব্রক্ষ্মপুত্রের দুটি উপনদীর নাম হল – সুবর্ণসিরি ও লোহিত ৷

■ভারতের জলবায়ু (Indian Climate):-

1.ভারতের একটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ – লু ৷
2.মৌসুমি বিস্ফোরণ হয় – গ্রীষ্মকালে ৷
3.আশ্বিনের ঝড় হয় – শরৎকালে ৷
4.পশ্চিমি ঝামেলা হয় – শীতকালে ৷
5.তামিলনাড়ুর উপকূলের বছরে দুবার বৃষ্টিপাত হয় ৷
6.মৌসুমি কথার অর্থ – ঋতু ৷
7.মৌসুমি বিস্ফোরণের ফলে বর্ষাকালের সূচনা হয় ৷
8.দক্ষিন ভারতের জলবায়ু সমভাবাপন্ন ৷
9.উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রকৃতপক্ষে – উত্তরপূর্ব আয়ন বায়ু ৷
10.পর্বতের অনুবাতঢালে কমবৃষ্টিপাত যুক্ত অঞ্চলকে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে ৷
11.ভারতকে মৌসুমি জলবায়ুর দেশ বলে ৷
12.মেঘালয়ের মোসিনরামে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতা হয় ৷
13.দক্ষিন ভারতে গ্রীষ্মকালে বজ্রবিদ্যুত সহ যে বৃষ্টিপাত হয় তাকে আম্রবৃষ্টি বলে ৷
14.মৌসিম কথাটি একটি আরবিয় শব্দ ৷
15.লাদাখ ভারতের একটি শীতল মরু-মালভূমির উদাহরণ ৷
16.পশ্চিমঘাট পর্বতের পূর্বঢাল ও শিলং বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের উদাহরণ ৷

■ভারতের স্বাভাবিক উদ্ভিদ:-

1.ছোটোনাগপুর মালভূমিতে- পর্ণমোচি বৃক্ষ জন্মায় ৷
2.ভারত সরকারের অরণ্য গবেষণাগার দেরাদুনে অবস্থিত ৷
3.মধ্যপ্রদেশে বনভূমির পরিমান সর্বাধিক ৷
4.ম্যানগ্রোভ অরণ্য দেখা যায় ব-দ্বীপ অঞ্চলে ৷
5.বাবলা, একটি জেরোফাইটিক উদ্ভিদ ৷
6.ভারতের পর্ণমোচি অরণ্যের অপরনাম – মৌসুমি অরণ্য ৷
7.পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন ও ওড়িশার ভিতরকণিকা ম্যানগ্রোভ অরণ্যের উদাহরণ ৷
8.লাক্ষা থেকে গালা উৎপন্ন হয় ৷
9.তুতগাছে রেশম কীট পালন করা হয় ৷
10.বৃক্ষে বৃক্ষে ঘর্ষণজাত অরণ্যদহন কারি আগুনকে দাবানল বলে ৷
11.পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমঢালে – চিরসবুজ অরণ্য আছে ৷
12.সুন্দরি গাছের নামানুসারে সুন্দরবন নামকরণ করা হয়েছে ৷
13.ভারতের বনভূমি সংরক্ষণ আইন চালুহয় – ১৯৮০ সালে ৷
14.অল্পীয় উদ্ভিদ বলে – জুনিপার,রোডোডেনড্রন, লার্চ,ভূর্জ প্রভৃতি উদ্ভিদকে ৷ এগুলি হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায় ৷
15.চিরহরিৎ অরণ্য দেখতে পাওয়া যায় – পূর্ব হিমালয়ের তরাই অঞ্চলে,পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমঢালে ,আন্দামান নেকেবর দ্বীপ অঞ্চলে ৷

■ভারতের মাটি:-

1.ভারতের শতকরা ৪৬ ভাগস্থানে পলিমাটি আছে ৷
2.ভারতের শতকরা ১৭ ভাগ স্থানে কৃষ্ণ মত্তিকা আছে ৷
3.ভারতের শতকরা ১১ ভাগ স্থানে লোহিত মৃত্তিকা আছে ৷
4.ভারতের শতকরা ৮ ভাগ স্থানে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা আছে ৷
5.বালুকাময় মরুমৃত্তিকাকে সিরোজেম বলে ৷
6.বালি ও নুড়ি পাথরপূর্ণ মৃত্তিকাকে – ভাবর বলে ৷
7.কালো মাটি ব্যসল্ট মৃত্তিকা ক্ষয়ে সৃষ্ট হয়েছে ,এর অপর নাম রেগুর ৷
8.কালো মাটিতে লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড থাকে ৷এর অপরনাম লাল কাকুরে মাটি ৷
9.নতুন পলি সঞ্চিত প্লাবন ভূমির মাটিকে খাদর বলে ৷ এতে বালির ভাগ বেশি থাকে এর রঙ ধুসর ৷
10.পুরানো পলি মাটির নাম ভাঙ্গর ৷ এতে চুন জাতিয় পদার্থ বেশি থাকে ৷
11.ল্যাটিন শব্দ ল্যাটার যার বাংলা প্রতিশব্দ ইট – এর থেকে ল্যাটেরাইট মাটির উৎপত্তি হয়ছে ৷
12.ঝুম চাষ একধরণের পরিবর্তনশিল কৃষি ৷
13.দাক্ষিণাত্য মালভূমিতে কৃষ্ণ মৃত্তিকা দেখা যায় ৷
14.তেলেগু শব্দ রেগাডা থেকে রেগুর শব্দের উৎপত্তি ৷
15.উচ্চ গঙ্গা সমভূমি অঞ্চলে কোথাও কোথাও একপ্রকার সূক্ষ কণার মৃত্তিকা দেখা যায় একে ভুর বলে ৷
16.ছোটোনাগপুরেরমালভুমি অঞ্চলে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা দেখা যায় ৷
17.পডসল মৃত্তিকা অঞ্চলে সরলবর্গীয় অরণ্য দেখতে পাওয়া যায় ৷
18.মৃত্তিকা সংরক্ষনের প্রধান উপায় বৃক্ষরোপণ ৷
19.উত্তরাঞ্চলেরদেরাদুনে মৃত্তিকা গবেষণাগার আছে ৷
20.বালি মাটিতে বালির ভাগ শতকরা ৫০ ভাগের বেশি ৷
21.দোয়াশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমান সমান ৷
22.এঁটেল মাটিতে কাদার পরিমাণ ৫০ % এর বেশি ৷
23.পাঞ্জাবে নবিন পলিমাটিকে বেট বলে ৷
24.জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ অম্ল মৃত্তিকার নাম পডসল এটি হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায় ৷
25.মাটির উপরিভাগ বায়ুপ্রবাহ বা বৃষ্টিপাত দ্বারা ক্ষয় প্রাপ্ত হলে তাকে আস্তরণ ক্ষয় বলে ৷
26.বৃষ্টির জল উঁচু জায়গা থেকে নীচু জায়গায় গড়িয়ে পড়ার সময় সরু নালার আকারে ক্ষয় পেলে তাকে নালিক্ষয় বলে ৷
27.নালিক্ষয় পরস্পর যুক্ত হলে তাকে প্রণালীক্ষয় বলে ৷

■ভারতের জলসেচ ব্যবস্থা ও কৃষিজ ফসল:-

1.উত্তর ভারতের নদীগুলি বরফগলা জলে পুষ্ট ৷
2.ভারতে প্রধানত তিনটি পদ্ধতিতে জলসেচ করা হয় (১) কূপ ও নলকূপ (২) জলাশয় বা পুষ্করিণী (৩) সেচখাল ৷
3.৫০ % কৃষিজমি কূপ ও নলকূপের সাহায্যে জলসেচ করা হয় ৷
4.উত্তর ভারতের সমভূমি অঞ্চল,পাঞ্জাব ,উত্তরপ্রদেশ বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে এই ধরণের জলসেচ দেখা যায় ৷
5.৭ % কৃষিজমি জলাশয় বা পুষ্করিনীর সাহায্যে জলসেচ করা হয় ৷
6.দক্ষিন ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ,কর্ণাটক,তামিলনাড়ুতে এই পদ্ধতিতে জলসেচ বেশি করা হয় ৷
7.৩৮% কৃষিজমি জলাশয় ও পুষ্করিণীর সাহায্যে জলসেচ করা হয় ৷
8.সেচখাল দুই ধরণের হয় (১) প্লাবন খাল (২) নিত্যবহ খাল
9.গোদাবরি,কৃষ্ণা,কাবেরি নদীর ব-দ্বীপ খাল প্লাবন খালের উদাহরণ ৷
10.উচ্চগঙ্গা খাল,পাঞ্জাবের পশ্চিম যমুনা খাল ও উচ্চবারি দোয়ার খাল,সারদা খাল, পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুরের খাল ও ইডেন খাল নিত্যবহ কালের উদাহরণ ৷

©Mission Geography India
Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s