TYPES OF COLLAR WORKERS


TYPES OF COLLAR WORKERS

1. Red-Collar Worker: প্রাথমিক স্তরের কাজে নিযুক্ত কর্মীদের Red-Collar Worker বলে । কারণ এদের সব সময় বাড়ির বাইরে রোদে-জলে কাজ করতে হয় । যেমন- কৃষক বা কৃষিকাজে নিযুক্ত কর্মী ।

2. Blue-Collar Worker: এই শব্দটি প্রথম 1924 সালে ব্যবহৃত হয় । গৌণ স্তরের কার্যে (Secondary Activities) নিযুক্ত শ্রমিকদের Blue-Collar Worker বলে । যেমন- কলকারখানা বা শিল্পের কাজে নিযুক্ত শ্রমিক ।

3. Black-Collar Worker: কয়লা ও খনিজ তেল উত্তোলনের কার্যে নিযুক্ত শ্রমিকদের Black-Collar Worker বলে । কিছু ক্ষেত্রে, এটি ব্যবহার করা হয় যারা কালোবাজারী কার্যকলাপের সাথে যুক্ত ।

4. Pink-Collar Worker: এই শব্দটি প্রথম 1990-এর দশকের শেষের দিকে লেখক ও সামাজিক সমালোচক লুইস হোভের দ্বারা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে । সেবাক্ষেত্রের কার্যে (Tertiary Activities) নিযুক্ত কর্মীদের Pink-Collar Worker বলে ।
Example: Nurses, Secretaries, Elementary School Teacher etc.

5. White-Collar Worker: এই শব্দটি প্রথম 1930 সালে Upton Sinclair ব্যবহার করেন । উচ্চ মেধা সম্পন্ন কোয়াটারনারী কাজের (Quaternary Activities) সাথে যুক্ত মানুষদের White-Collar Worker বলে । এরা একটি বেতনভোগী পেশাদার ।
Example: IT শিল্পে নিযুক্ত কর্মী, PSC, SSC, পর্যটন ও বিনোদন শিল্পে নিযুক্ত কর্মী ।

6. Gold-Collar Worker : Robert Earl Kelley তাঁর রচিত “THE GOLD-COLLAR WORKER”(1985) বইতে ‘Gold-Collar Worker’ কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন । এই নবগঠিত শব্দগুছ সেইসব তরুণ ও কমবেতনভুক্ত কর্মীদের নির্দেশিত করে, যারা শ্রমব্যয় করে আকর্ষণীয় সমৃদ্ধিলাভের ক্রিয়াকলাপে । অতি-উচ্চশিক্ষিতব্যক্তি কিংবা সমাজে ও কর্মস্থানে বিশেষ সম্মানীয় ব্যক্তিগণ Gold-Collar Worker নামে প্রসিদ্ধ ।
উদাঃ- Lawyer, Doctors, Research scientists প্রমুখ ।

7. Yellow-Collar Worker : সৃজনীমূলক কাজের সাথে যুক্ত ব্যক্তি যারা blue-collar ও white-collar কাজ করার পাশাপাশি চারদেওয়ালের বাইরে বেরিয়ে সৃষ্টিমূলক কাজও করে থাকে, তাদের ‘Yellow-Collar Worker’ বলে ।
উদাঃ- Photographers, Filmmakers, Directors, Editors etc.

8. Green-Collar Worker : প্রাকৃতিক উপাদানগুলিকে(সৌররশ্মি,জল,বায়ু প্রভৃতি) অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহারপোযোগী করে তোলার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের ‘Green-Collar Worker’ বলে । এই শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন Patrick Heffernan (1976) .
উদাঃ- Solar panels, Greenpeace, World wide fund for nature –এ কর্মরত শ্রমিক ।

9. Orange-Collar Worker : নগরবাসী কর্তৃক ধৃত কারাবাসী শ্রমিকরা(Prison Labours) কমলা রঙের পোষাক পরে সকলে মিলেমিশে(orange jump suits)কাজ করার জন্য তাদের এরূপ নামকরণ হয়েছে ।

10. Gray-Collar Worker : অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকরা ‘Gray-Collar Worker’ নামে পরিচিত । অর্থাৎ যেসব ব্যক্তি কোনো কাজ থেকে retirement-এর পর পুনরায় কোনো কাজে নিযুক্ত হয় তাদের ‘Gray-Collar Worker’ এবং সেই কাজটিকে বলা হয় Gray-Collar Work ।
উদাঃ- Fire fighters, Police officers, Health-care professional, security guards etc.

11. Scarlet-Collar Worker : পর্ণগ্রাফি শিল্পকর্মের সাথে যুক্ত কর্মীদের ‘Scarlet-Collar Worker’ বলে । এই কর্মের প্রতি মহিলাদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায় । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, Scarlet বা রক্তিম বর্ণ সবভাবতই ব্যভিচারকে নির্দেশ করে ।

12. Open-Collar Worker : এই কর্মীরা প্রধানত internet-এর মাধ্যমে ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় কাজ করে থাকে ।

13. No-Collar Worker : সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করেও যেসকল ব্যক্তি economic activity থেকে বিচ্যুত রয়েছেন (অর্থাৎ শিক্ষিত বেকার), তাদের বলা হয় ‘No-Collar Worker’ । বর্তমানে ভারত ও আমেরিকাতে এটি একটি উদীয়মান ও ক্রমোচ্চ প্রসারিত শ্রেণীরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে ।
•Edited & Designed by Sourav Sarkar (Director, MGI GROUP)
©Mission Geography India

WHAT IS GEOGRAPHY (ভূগোল কী)


ভূগোল কী ? ভূগোল আমরা কেন পড়ি ? ভূগোল শিক্ষার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য কী ? আসুন জেনে নেওয়া যাক ।


ভূগোল এক বিশালায়তন জ্ঞান ভান্ডার l মানুষের প্রতিটি ক্রিয়াকলাপের সাথে ভূগোল অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত l একজন চাষী থেকে একজন পর্যটক, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, পরিসংখ্যানবিদ সকল প্রকার ব্যক্তির ভূগোল বিষয়ে জ্ঞান রাখা প্রয়োজন l কারণ পৃথিবী ও মানব তথা জীবজগতের অন্তঃসম্পর্কের আলোচনাই হল ভূগোল l ভূগোল একাধারে মানুষের জীবনযাত্রা-সংস্কৃতি,­ আর্থ-সামাজিক জীবন প্রণালী, জলবায়ু ও পরিবেশের সম্পর্ক এবং তার ভিত্তিতে মানবীয় কার্যাবলীর বিভিণ্ন দিক নিয়ে আলোচনা করে l অর্থাত্ ভূগোল সংকীর্ণ থেকে বিস্তারিত ভাবে প্রার্থিব সকল প্রকার উপাদানের জ্ঞান লাভের অন্যতম প্রধান মাধ্যম l

ভূগোল শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কে নিম্নলিখিত ভাবে বর্ণনা করা যায় –

1. মানষিক চেতনার উন্মেষ :- প্রতিটি শিক্ষার মূল লক্ষ্য হল মানসিক চেতনার উন্মেষ ঘটানো l এই চেতনা থেকে একজন মানুষ তার জীবনযাত্রা ও তার মানোন্নয়ন সঠিক ভাবে করতে পারে l ভূগোল যেহেতু প্রাকৃতিক, আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক প্রভৃতি বিভিণ্ন ধরনের পরিবেশ ও মনুষ্য জীবনে তার প্রভাব সমন্ধে আলোচনা করে ,তাই শিক্ষার্থীর মানসিক চেতনার বিকাশে ভূগোল এক অত্যাবশ্যকীয় বিষয় l

2. পৃথিবী ও তার বৈশিষ্ট সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন :- এই বিশাল পৃথিবীর দুটি ভৌগলিক স্থানের মধ্যে প্রচুর বিভেদতা রয়েছে, আবার অবস্থান ভেদে জলবায়ু, প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষের অর্থনৈতিক কার্যাবলীর প্রকৃতি ও মানবীয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট সদা পরিবর্তনশীল l পৃথিবীর এরুপ সামগ্রিক ও স্থানিক বৈশিষ্ট ও বিভেদতা সম্পর্কে জ্ঞান লাভের জন্য ভূগোল পাঠ অত্যাবশকীয় l

3. যুক্তিবাদী, অন্বেষণী ও অনুসন্ধানী মনোভাবের বিকাশ :- ভূগোল বিজ্ঞানের ‘আঁতুড়ঘর ‘ l যেকোন রকম প্রার্থিব সংঘটন অন্যান্য বিজ্ঞানের মতোই ভূগোলে অনুসন্ধানী দৃষ্টিভঙ্গিতে যুক্তির মাধ্যমে গ্রহণ করা হয় l আবার ঐ সংঘটনকে প্রার্থিব বিভিণ্ন শক্তির প্রভাব দ্বারা আলোচনা করে উপস্থাপনা করা হয় l ফলে ভূগোল পৃথিবীর বিভিণ্ন ঘটনা সম্পর্কে শিক্ষার্থীর মনে কৌতুহল জাগিয়ে তুলতে সক্ষম l এই কৌতুহল অন্বেষণী, অনুসন্ধানী, পর্যবেক্ষণ মূলক এবং যুক্তিবাদী মনোভাবের বিকাশে সাহায্য করে l

4. প্রাকৃতিক অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ :- ভূগোল কোন স্থানের প্রাকৃতিক অবস্থা, জলবায়ু ও ভূপ্রকৃতির সম্পর্ক, জলবায়ুর ভিত্তিতে মানুষের দৈহিক গঠণ, সাংস্কৃতির বিকাশ,রুচি-আহার-জীবি­কার প্রাথমিক বৈশিষ্ট বসতির গঠণ প্রভৃতি নানা বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করে থাকে l অর্থাত্ পৃথিবীর বিভিণ্ন স্থানের প্রকৃতি ও মানবীয় সমাজ তথা মানুষ সম্পর্কে জ্ঞান লাভের অদ্বিতীয় মাধ্যম হল ভূগোল l

5. প্রাকৃতিক সম্পদ সম্পর্কে ধারণার বিকাশ :- জ্ঞান আজকের শিক্ষার্থী আগামী দিনের দ্বায়িত্বশীল নাগরিক l একজন দ্বায়িত্বশীল নাগরিকের প্রধান দ্বায়িত্ব হল দেশের সামগ্রীক উন্নয়ন সাধন আর এই উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হল সম্পদ উত্তোলন l সম্পদ উত্তোলনের জন্য সম্পদ ও প্রকৃতির অন্তঃসম্পর্ক সমন্ধে ধারণা থাকা জরুরী l প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাব্য সঞ্চয় ক্ষেত্র, সম্পদের প্রকৃতি ও গুরুত্ব, অর্থনৈতিক উন্নয়নে সম্পদের ভূমিকা সম্পর্কে ধারণা প্রদানে ভূগোল শিক্ষার্থীদের কাছে অনবদ্য বিষয় l

6. অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ­ সম্পর্কে ধারণা লাভ :- পৃথিবীর উত্পত্তি,জীবজগতের বিকাশ, মানবীয় সমাজের ক্রম প্রতিপাদন, অর্থনৈতিক-সামাজিক-সা­ংস্কৃতিক বিকাশের ধারা প্রভৃতি নানা বিষয়ের অতীত-বর্তমান ও ভবিষ্যতের রূপরেখা ও সম্পর্ক সমন্ধে জ্ঞান লাভের জন্য ভূগোল পাঠ আবশ্যক l

7. পরিবেশ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ :- পৃথিবীর বর্তমান প্রাকৃতিক পরিবেশ ও তার ভবিষ্যতে পরিবর্তনশীলতা,পরিবেশ­ের উন্নয়ন ও অবনমন, ভূমিরুপের বিকাশ,পরিবেশ দূষণ ও দূষণ রোধের উপায়,দূষণ ও জীবজগতের পরিবর্তিত রুপ, বিশ্ব উষ্ণায়ন প্রভৃতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ ভূগোল শিক্ষার্থী তথা যেকোন শিক্ষার্থী অন্যতম আগ্রহের বিষয় যা ভূগোল শিক্ষার মাধম্যে সম্পূর্ণ হয় l

8. সুষম ব্যক্তিত্বের বিকাশ :- যেকোন শিক্ষার অন্যতম মূল উদ্দেশ্য হল সুষম ব্যক্তিত্বের বিকাশ l যা শিক্ষার্থীর পারিপার্শিক প্রাকৃতিক ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা,পরিবেশ সচেতনতা, জীবনধারণের মানোন্নয়ন, জ্ঞানার্জনের কৌতুহল, বিশ্বের আপেক্ষিক পরিকাঠামো ও জনজীবনে তার প্রভাব সম্পর্কে ধারণার ভিত্তিতে গঠিত হয় l যা ভূগোলের এক অন্যতম প্রতিপাদ্য বিষয় l

9. সামাজিকতার বিকাশ :- ভূগোল শিক্ষা দেশপ্রেম জাগরণ ; প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি আকর্ষণ ; সহযোগিতা,সমবেদনা ও বিশ্ব ভাতৃত্ব বোধের মনোভাব গঠণ ; দেশ ও মানবজাতির সাপেক্ষে সভ্যতা ও সংস্কৃতির মূল্যায়ন উপলব্ধি প্রভৃতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীর অন্তঃকরনে সামাজিকতার বীজ বপনে সাহায্য করে থাকে l


10. ব্যবহারিক দিকের উন্নয়ন :- মানুষ প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছে উন্নয়নের পিছনে l এই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ব্যবহারিক দক্ষতা যা ভূগোল শিক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত হয় l ভূমির ব্যবহার, শিল্পের বিকাশ, কৃষিব্যবস্থার উন্নয়ন,পরিবহন, যোগাযোগ ও বাণিজ্য ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের সাথে এরুপ উন্নয়ন ওতপ্রোতভাবে জড়িত l আবার উন্নয়নের এইসব উপাদানগুলোর ব্যবহারিক কৌশল সমন্ধে সম্যক ধারণা প্রদান করে ভূগোল শিক্ষা l অর্থাত্ ব্যবহারিক দিকের উন্নয়নে ভূগোল শিক্ষা আবশ্যকীয় l

অবশেষে বলা যায় ভূগোল এমন একটি বিষয় যা একজন শিক্ষার্থীকে সম্পূর্ণ ভাবে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র সমন্ধে জ্ঞান আহরণে অণুপ্রেরিত করে থাকে l ভূগোল শুধু মাটি, পাথর,শিলা প্রভৃতির বর্ণনা নয় ইহা সমগ্র ব্রহ্মান্ডের একঝলকের দর্পণ l যা, না জানলে জ্ঞানের পরিধি সংকীর্ণ থেকে যায় l আসুন আমরা ভূগোলকে তথা বিশ্ব প্রকৃতির রহস্য কে জানতে ভূগোলের প্রতি আলোকপাত করি l






•Edited by Gopal Mondal (Writter, MGI GROUP)
•Designed by Sourav Sarkar (Director, MGI GROUP)
©Mission Geography India

ভূগোল শব্দকোষ (Bhugol Shabdakosh)


ভূগোল শব্দকোষ

1. A-horizon: ‘A’ স্তর,
2. Ablation: অপসারণ,
3. Ablation Area: অপসারণ এলাকা,
4. Ablation Woraine: অপসারণ গ্রাবরেখা,
5. Abney Level: জরিপ কাজে ব্যবহৃত যন্ত্র,
6. Abrasion: অবঘর্ষ,
7. Abrasion Terrace: অবঘর্ষ মঞ্চ,
8. Absulate Humidity: চরম আদ্রতা,
9. Absulate Space: প্রকৃত অবস্থান,
10. Absulate Stability: আবহাওয়ার স্থিতাবস্থা,
11. Absorption: শোষন,
12. Abstruction: নিষ্কাশন,
13. Abyssal Hill: পাতালিক পর্বত,
14. Abyssal Plain: গভীর সমুদ্রের সমভূমি,
15. Abyssal Zone: গভীর সমুদ্রের সমভূমি বলয়,
16. Acasta Gneiss: প্রাচীন শিলা,
17. Acclerated Erosion: ত্বরান্বিত ভূমিক্ষয়,
18. Accessibility: গম্যতা,
19. Accessibility Map: গম্যতাসূচক মানচিত্র,
20. Accidented Relief: অপ্রতাশিত ভূমিরূপ,
21. Acculturation: সংস্কৃতায়ন,
22. Acid Humification: অ্যাসিড হিউমিফিকেশন,
23. Acid Rain: অম্লবৃষ্টি,
24. Acid Rock: আম্লিক শিলা,
25. Acid Soil: অম্ল মৃত্তিকা,
26. Acidic Rock: আম্লিক শিলা,
27. Acre-Foot: একক ফুট,
28. Acropolis: অ্যাক্রোপলিস,
29. Action Space: কার্যোপযোগী স্থান,
30. Active Acidity: সক্রিয় অম্লতা,
31. Active Fault:
সক্রিয় চ্যুতি,
32. Active Layer: সক্রিয় স্তর,
33. Active Margin: সক্রিয় সীমান্ত,
34. Active Volcano: সক্রিয় আগ্নেয়গিরি,
35. Activity Rate: সক্রিয়তার হার,
36. Activity Ratio: সক্রিয় অনুপাত,
37. Adaptation: অভিযোজন,
38. Adaptive Radiation: অভিযোজিত বিকিরণ,
39. Adhesion: সংযুক্তিকরণ,
40. Adiabatic Process: তাপবিযুক্তিকরণ পদ্ধতি।
41. Adjusted Stream: আয়াম নদী,
42. Administrative Principle: প্রশাসনিক অবস্থান নীতি,
42. Administrative Town: প্রশাসনিক শহর,
43. Adobe: অ্যাডোব,
44. Adret: ঢালু পর্বত ঢাল,
45. Advanced Dune: অগ্রবর্তী বালিয়াড়ি,
46. Advection Fog: অনুভূমিক পরিচলনজনিত কুয়াশা,
47. Adventive Cone: প্রকৃতি বিরুদ্ধ শঙ্কু,
48. Aeolian: বায়ব্য,
49. Aeolianite: কঠিন বালিয়াড়ি,
50. Aeon: অতিকল্প,
51. Aeration: বাতান্বয়ন,
52. Aeration Zone:বাতান্বয়ন মন্ডল,
53. Aerial Photograph: আলোকচিত্র,
54. Aerobic: বায়ুজীবি,
55. Aerography: আবহবিদ্যা,
56. Aeroplankton: বায়ুতাড়িত অণুজীব,
57. Aerosols: অ্যারোসল,
58. Aerosphere: বায়ুমণ্ডল,
59. Afforestation: বনভূমিকরণ,
60. After Shock: পরবর্তী ঝাঁকুনি,
61. Agate: অকীক পাথর/সোলেমানি পাথর,
62. Age: যুগ,
63. Age Dependency: বয়স নির্ভরশীলতা,
64. Age Pattern: বয়স ধরন,
65. Age Specific Death Rate: বয়ঃক্রমিক মৃত্যুহার,
66. Age Structure: বয়স কাঠামো,
67. Age-sex Pyramid: বয়স-লিঙ্গ কাঠামো,
68. Age-sex Ratio: বয়স-লিঙ্গ অনুপাত,
69. Agglomerate: পিণ্ডিত/স্তূপীকৃত,
70. Agglomeration: শহরতলির জনসংখ্যা,
71. Aggradation: অবক্ষেপণ সৃষ্ট ভূমিরূপ,
72. Aggradation Ice: ভূ-নিম্নস্থ বরফরাশি,
73. Aggregates: মৃত্তিকার সমষ্টি,
74. Aggregation:সমষ্টিকরণ,
75. Agonic Line: অকৌনিক রেখা,
76. Agrarian Society: কৃষিসমাজ,
77. Agribusiness: কৃষিব্যবসা,
78. Agricultural Calendar: কৃষিপঞ্জিকা,
79. Agriculturalcycle: কৃষিচক্র,
80. Agricultural Density: কৃষিঘনত্ব।
81. Agricultural Efficiency: কৃষি দক্ষতা,
82. Agricultural Geography: কৃষি ভূগোল,
83. Agricultural Industrialization: কৃষি শিল্পায়ন,
84. Agricultural Labour Productivity: কৃষি শ্রমিক উৎপাদনশীলতা,
85. Agricultural Land: কৃষিজমি,
86. Agricultural Location theory: কৃষি অবস্থান তত্ত্ব,
87. Agricultural Mechanisation: কৃষি যান্ত্রিকীকরণ,
88. Agricultural Region: কৃষি অঞ্চল,
89. Agricultural Revolution: কৃষি বিপ্লব,
90. Agricultural Topography: কৃষি ভূমিরূপ,
91. Agricultural Waste: কৃষি উচ্ছিষ্টাংশ,
92. Agriculture: কৃষিকার্য,
93. Agricultural Co-operative: কৃষি সমবায়,
94. Agro-Climatology:­ কৃষি-জলবায়ু বিদ্যা,
95. Agro-forestry: কৃষি-বনসৃজন,
96. Agronomy: কৃষিবিদ্যা,
97. Agrotown: কৃষিশহর,
98. Agulhas current: এক উষ্ণ স্রোত,
99. Aid: একপ্রকারের সম্পদের ধারা,
100. Aiguilles: ছাপানো ধরনের গ্রানাইট শিলা,
101. Air: বায়ু,
102. Air Corridor: বায়ুপথ,
103. Air Drainage: বায়ু নিষ্কাষন,
104. Air Fronts: বায়ুপ্রাচীর,
105. Air Glow: বায়ুদ্যুতি,
106. Air Masses: বায়ুপূঞ্জ,
107. Air Pollutant: বায়ুদূষক,
108. Air Pollution:বায়ুদূষণ,
109. Air Pressure: বায়ুর চাপ,
110. Air Pressure Tendency: বায়ুচাপের প্রবনতা,
111. Air Quality Standard: বায়ুর গুনমান মাত্রা,
112. Albedo: প্রতিফলনতা,
113. Albedometer: সৌরবিকিরন মাপার যন্ত্র,
114. Alber’s Projection: অ্যালবার অভিক্ষেপ,
115. Albite: বর্ণহীন শিলা,
116. Alcobe: কুলুঙ্গি,
117. Alcrete: অ্যালক্রিট,
118. Aleutian Low: অ্যালুসিয়ান নিম্নচাপ,
119. Alfisol: ধূসর বাদামী রঙের উর্বর পৃষ্ঠ মৃত্তিকা,
120. Alidade: প্লেনটেবিল পদ্ধতিতে জরিপকার্যে ব্যবহৃত যন্ত্র।
•Next Coming Soon..

•Edited by Deep Sinha (Admin).
©Mission Geography India.

Indian Geography SAQ (ভারতের ভূগোল)


■ভারতের ভূপ্রকৃতি (Relief):-

1. টেথিস হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ লিওপারগেল।
2. পশ্চিম হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ নাঙ্গা পর্বত।
3. মধ্য হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ মাউন্ট এভারেস্ট।
4. পূর্ব হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা।
5. পশ্চিম হিমালয় কয় ভাগে বিভক্ত ও কিকি?
উঃ ৩ ভাগে– কাশ্মীর হিমালয়, পাঞ্জাব ও হিমাচল হিমালয়, কুমায়ুন হিমালয়।
6. পশ্চিম হিমালয়ের প্রধান গিরিপথ গুলি কিকি?
উঃ বানিহাল, জোজিলা, পীরপঞ্জাল, কারাকোরাম।
7. কোন দুই পর্বতশ্রেণির মাঝে কাশ্মীর উপত্যকা অবস্থিত?
উঃ জাস্কর ও পীরপঞ্জাল।
8. কাশ্মীর হিমালয়ের প্রধান পর্বতশ্রেণি কোনটি?
উঃ জাস্কর ও পীরপঞ্জাল।
9. পাঞ্জাব ও হিমাচল হিমালয়ের প্রধান পর্বতশ্রেণি কোনটি?
উঃ ধৌলাধর।
10. কোন হ্রদকে কাশ্মীরের রত্ন বলা হয়?
উঃ ডাল লেক।
11. পূর্ব হিমালয় কয় ভাগে বিভক্ত ও কিকি?
উঃ তিন ভাগে — সিকিম-দার্জিলিং হিমালয়, ভুটান হিমালয়, অরুনাচল হিমালয়।
12. সিকিম-দার্জিলিং হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা।
13. পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ সন্দাকফু (সিকিম-দার্জিলিং হিমালয় পর্বত)।
14. ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা (8,598m)।
15. সিকিম-দার্জিলিং হিমালয়ের প্রধান হিমবাহ কোনটি?
উঃ জেমু।
16. সিকিম-দার্জিলিং হিমবাহের প্রধান গিরিপথ গুলি কিকি?
উঃ নাথুলা, বুমলা।
17. ভুটান হিমালয়ের প্রধান পর্বতশ্রেণি কোনটি?
উঃ মাসাংকিংডু।
18. ভুটান হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ চমোলারী।
19. ভুটান হিমালয়ের প্রধান গিরিপথ গুলি কিকি?
উঃ লিংসিলা, ইউলিলা।
20. অরুনাচল হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ নামচারবাওয়া।

■ভারতের নদনদী (Indian River):-

1.উত্তর ও দক্ষিন ভারতের জলবিভাজিকা – বিন্ধ্য পর্বত ৷
2.অলকনন্দা দেবপ্রয়াগের কাছে গঙ্গায় পড়েছে ৷
3.গঙ্গার প্রধান উপনদী হল – যমুনা ৷
4.সিন্ধু নদীর উৎপত্তি হয়েছে – সিন্-খা-বাব হিমবাহ থেকে ৷
5.ব্রক্ষ্মপুত্রতিব্বতে – সাংপো নামে পরিচিত ৷
6.রাজস্থানের মরু অঞ্চলের প্রধান নদীর নাম – লুনি ৷
7.সুবর্ণরেখা নদীর গতিপথে – হুড্রু জলপ্রপাত অবস্থিত ৷
8.কাবেরি নদীর গতিপথে শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়েছে ৷
9.লোকটাক হ্রদ মণিপুরে অবস্থিত ৷
10.আনাইসাগর হ্রদ থেকে লুনি নদীর সৃষ্টি হয়েছে ৷
11.সরাবতি নদীর গতিপথে গেরসোপ্পা বা যোগজলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
12.নর্মদা নদীর গতিপথে ধুয়াধার জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
13.ত্র্যাম্বক উচ্চভূমি থেকে গোদাবরি নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
14.যমুনা নদী এলাহাবাদের কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ছে ৷
15.ভারতের সর্ব্বোচ্চ জলপ্রপাতের নাম গেরসাপ্পো যার অপরদুটি নাম যোগজলপ্রপাত বা গান্ধী জলপ্রপাত ৷
16.গঙ্গোত্রী হিমালয়ের গোমুখ তুষারগুহা থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
17.ভারতের দুটি লবণাক্ত জলের হ্রদের নাম সম্বর ও চিল্কা ৷
18.ভারতের একটি অর্ন্তবাহিনী নদীর নাম লুনি ৷
19.দক্ষিন ভারতের নদিগুলি শুধু বৃষ্টির জলে পুষ্ট ৷
20.ভারতের প্রধান নদীর নাম গঙ্গা ৷
21.যমুনোত্রী হিমবাহ থেকে যমুনা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
22.হরিদ্বারের কাছে গঙ্গা সমভুমিতে নেমে এসেছে ৷
23.উত্তর-পশ্চিমভারতের প্রধান নদী – সিন্ধু ৷
24.উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান নদী – ব্রক্ষ্মপুত্র ৷
25.কাশ্মির উপত্যকার মধ্য দিয়ে – ঝিলাম বা বিতস্তা নদী প্রবাহিত হয়েছে ৷
26.সিন্ধু নদীর তীরে হরপ্পা ও মহেঞ্জেদারো সভ্যতার সৃষ্টি হয়েছিল ৷
27.সবরমতি নদী – আরাবল্লি পর্বত থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে ৷
28.ভারতের একটি আদর্শ নদী – গঙ্গা ৷
29.সরাবতী একটি পশ্চিম বাহিনী নদী ৷
30.পাঞ্জাবের প্রধান নদী – শতদ্রু ৷
31.অরুণাচলপ্রদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রেরনাম – ডিহং ৷
32.তাপ্তি নদীর প্রধান উপনদীর নাম – পূর্ণা ৷
33.ডাল ও উলার হ্রদ কাশ্মিরে অবস্থিত ৷
34.গঙ্গার দূষণ রোধের জন্য ১৯৮৫ সালে সেন্ট্রাল গঙ্গা অথোরিটি নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত করা হয় ৷
35.মহানদীর উপর ভারতের দীর্ঘতম ( ২৬ কিমি) বাঁধ – হিরাকুদ অবস্থিত ৷
36.মেট্টুর বাঁধ কাবেরী নদীর উপর অবস্থিত ৷
37.নাগারজুন সাগর বাঁধ কৃষ্ণা নদীর উপর অবস্থিত ৷
38.জন্মু কাশ্মিরের লাদাখে বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ (১৪,২৫৬ ফুট) পংগং অবস্থিত ৷
39.ভারতের বৃহত্তম হ্রদের নাম – কাশ্মিরের উলার ৷
40.শতদ্রু নদীর উপর ভারতের উচ্চতম বাঁধ ভাকরা – নাঙ্গাল অবস্থিত ৷
41.গঙ্গা ব্রক্ষ্মপুত্রেরব-দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ সমভূমির উদাহরণ ৷
42.ব্রক্ষ্মপুত্রের মাজুলি দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ ৷
43.গোদাবরি নদী কে দক্ষিন ভারতের গঙ্গা বলা হয় ৷
44.কাবেরি নদীকে দক্ষিন ভারতের পবিত্র নদী বলা হয় ৷
45.ভারতের পশ্চিম বাহিনী নদীগুলির মধ্য উল্লেখযোগ্য – নর্মদা,তাপ্তি,সবরমতি ও সরাবতি ৷
46.গোমুখ থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত গঙ্গার উচ্চগতি৷ হরিদ্বার থেকে রাজমহল পাহাড় পর্যন্ত গঙ্গার মধ্যগতি ৷ রাজমহল পাহাড় থেকে বঙ্গোপসাগরের মুখ পর্যন্ত গঙ্গার নিন্মগতি ৷
47.লুনি নদী কচ্ছের রণে পড়েছে ৷
48.নর্মদা ও তাপ্তি নদী গ্রস্থ উপত্যকার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ৷
49.বাংলাদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রেরনাম যমুনা ৷
50.ব্রক্ষ্মপুত্রের দুটি উপনদীর নাম হল – সুবর্ণসিরি ও লোহিত ৷

■ভারতের জলবায়ু (Indian Climate):-

1.ভারতের একটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ – লু ৷
2.মৌসুমি বিস্ফোরণ হয় – গ্রীষ্মকালে ৷
3.আশ্বিনের ঝড় হয় – শরৎকালে ৷
4.পশ্চিমি ঝামেলা হয় – শীতকালে ৷
5.তামিলনাড়ুর উপকূলের বছরে দুবার বৃষ্টিপাত হয় ৷
6.মৌসুমি কথার অর্থ – ঋতু ৷
7.মৌসুমি বিস্ফোরণের ফলে বর্ষাকালের সূচনা হয় ৷
8.দক্ষিন ভারতের জলবায়ু সমভাবাপন্ন ৷
9.উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রকৃতপক্ষে – উত্তরপূর্ব আয়ন বায়ু ৷
10.পর্বতের অনুবাতঢালে কমবৃষ্টিপাত যুক্ত অঞ্চলকে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে ৷
11.ভারতকে মৌসুমি জলবায়ুর দেশ বলে ৷
12.মেঘালয়ের মোসিনরামে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতা হয় ৷
13.দক্ষিন ভারতে গ্রীষ্মকালে বজ্রবিদ্যুত সহ যে বৃষ্টিপাত হয় তাকে আম্রবৃষ্টি বলে ৷
14.মৌসিম কথাটি একটি আরবিয় শব্দ ৷
15.লাদাখ ভারতের একটি শীতল মরু-মালভূমির উদাহরণ ৷
16.পশ্চিমঘাট পর্বতের পূর্বঢাল ও শিলং বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের উদাহরণ ৷

■ভারতের স্বাভাবিক উদ্ভিদ:-

1.ছোটোনাগপুর মালভূমিতে- পর্ণমোচি বৃক্ষ জন্মায় ৷
2.ভারত সরকারের অরণ্য গবেষণাগার দেরাদুনে অবস্থিত ৷
3.মধ্যপ্রদেশে বনভূমির পরিমান সর্বাধিক ৷
4.ম্যানগ্রোভ অরণ্য দেখা যায় ব-দ্বীপ অঞ্চলে ৷
5.বাবলা, একটি জেরোফাইটিক উদ্ভিদ ৷
6.ভারতের পর্ণমোচি অরণ্যের অপরনাম – মৌসুমি অরণ্য ৷
7.পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন ও ওড়িশার ভিতরকণিকা ম্যানগ্রোভ অরণ্যের উদাহরণ ৷
8.লাক্ষা থেকে গালা উৎপন্ন হয় ৷
9.তুতগাছে রেশম কীট পালন করা হয় ৷
10.বৃক্ষে বৃক্ষে ঘর্ষণজাত অরণ্যদহন কারি আগুনকে দাবানল বলে ৷
11.পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমঢালে – চিরসবুজ অরণ্য আছে ৷
12.সুন্দরি গাছের নামানুসারে সুন্দরবন নামকরণ করা হয়েছে ৷
13.ভারতের বনভূমি সংরক্ষণ আইন চালুহয় – ১৯৮০ সালে ৷
14.অল্পীয় উদ্ভিদ বলে – জুনিপার,রোডোডেনড্রন, লার্চ,ভূর্জ প্রভৃতি উদ্ভিদকে ৷ এগুলি হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায় ৷
15.চিরহরিৎ অরণ্য দেখতে পাওয়া যায় – পূর্ব হিমালয়ের তরাই অঞ্চলে,পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমঢালে ,আন্দামান নেকেবর দ্বীপ অঞ্চলে ৷

■ভারতের মাটি:-

1.ভারতের শতকরা ৪৬ ভাগস্থানে পলিমাটি আছে ৷
2.ভারতের শতকরা ১৭ ভাগ স্থানে কৃষ্ণ মত্তিকা আছে ৷
3.ভারতের শতকরা ১১ ভাগ স্থানে লোহিত মৃত্তিকা আছে ৷
4.ভারতের শতকরা ৮ ভাগ স্থানে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা আছে ৷
5.বালুকাময় মরুমৃত্তিকাকে সিরোজেম বলে ৷
6.বালি ও নুড়ি পাথরপূর্ণ মৃত্তিকাকে – ভাবর বলে ৷
7.কালো মাটি ব্যসল্ট মৃত্তিকা ক্ষয়ে সৃষ্ট হয়েছে ,এর অপর নাম রেগুর ৷
8.কালো মাটিতে লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড থাকে ৷এর অপরনাম লাল কাকুরে মাটি ৷
9.নতুন পলি সঞ্চিত প্লাবন ভূমির মাটিকে খাদর বলে ৷ এতে বালির ভাগ বেশি থাকে এর রঙ ধুসর ৷
10.পুরানো পলি মাটির নাম ভাঙ্গর ৷ এতে চুন জাতিয় পদার্থ বেশি থাকে ৷
11.ল্যাটিন শব্দ ল্যাটার যার বাংলা প্রতিশব্দ ইট – এর থেকে ল্যাটেরাইট মাটির উৎপত্তি হয়ছে ৷
12.ঝুম চাষ একধরণের পরিবর্তনশিল কৃষি ৷
13.দাক্ষিণাত্য মালভূমিতে কৃষ্ণ মৃত্তিকা দেখা যায় ৷
14.তেলেগু শব্দ রেগাডা থেকে রেগুর শব্দের উৎপত্তি ৷
15.উচ্চ গঙ্গা সমভূমি অঞ্চলে কোথাও কোথাও একপ্রকার সূক্ষ কণার মৃত্তিকা দেখা যায় একে ভুর বলে ৷
16.ছোটোনাগপুরেরমালভুমি অঞ্চলে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা দেখা যায় ৷
17.পডসল মৃত্তিকা অঞ্চলে সরলবর্গীয় অরণ্য দেখতে পাওয়া যায় ৷
18.মৃত্তিকা সংরক্ষনের প্রধান উপায় বৃক্ষরোপণ ৷
19.উত্তরাঞ্চলেরদেরাদুনে মৃত্তিকা গবেষণাগার আছে ৷
20.বালি মাটিতে বালির ভাগ শতকরা ৫০ ভাগের বেশি ৷
21.দোয়াশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমান সমান ৷
22.এঁটেল মাটিতে কাদার পরিমাণ ৫০ % এর বেশি ৷
23.পাঞ্জাবে নবিন পলিমাটিকে বেট বলে ৷
24.জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ অম্ল মৃত্তিকার নাম পডসল এটি হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায় ৷
25.মাটির উপরিভাগ বায়ুপ্রবাহ বা বৃষ্টিপাত দ্বারা ক্ষয় প্রাপ্ত হলে তাকে আস্তরণ ক্ষয় বলে ৷
26.বৃষ্টির জল উঁচু জায়গা থেকে নীচু জায়গায় গড়িয়ে পড়ার সময় সরু নালার আকারে ক্ষয় পেলে তাকে নালিক্ষয় বলে ৷
27.নালিক্ষয় পরস্পর যুক্ত হলে তাকে প্রণালীক্ষয় বলে ৷

■ভারতের জলসেচ ব্যবস্থা ও কৃষিজ ফসল:-

1.উত্তর ভারতের নদীগুলি বরফগলা জলে পুষ্ট ৷
2.ভারতে প্রধানত তিনটি পদ্ধতিতে জলসেচ করা হয় (১) কূপ ও নলকূপ (২) জলাশয় বা পুষ্করিণী (৩) সেচখাল ৷
3.৫০ % কৃষিজমি কূপ ও নলকূপের সাহায্যে জলসেচ করা হয় ৷
4.উত্তর ভারতের সমভূমি অঞ্চল,পাঞ্জাব ,উত্তরপ্রদেশ বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে এই ধরণের জলসেচ দেখা যায় ৷
5.৭ % কৃষিজমি জলাশয় বা পুষ্করিনীর সাহায্যে জলসেচ করা হয় ৷
6.দক্ষিন ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ,কর্ণাটক,তামিলনাড়ুতে এই পদ্ধতিতে জলসেচ বেশি করা হয় ৷
7.৩৮% কৃষিজমি জলাশয় ও পুষ্করিণীর সাহায্যে জলসেচ করা হয় ৷
8.সেচখাল দুই ধরণের হয় (১) প্লাবন খাল (২) নিত্যবহ খাল
9.গোদাবরি,কৃষ্ণা,কাবেরি নদীর ব-দ্বীপ খাল প্লাবন খালের উদাহরণ ৷
10.উচ্চগঙ্গা খাল,পাঞ্জাবের পশ্চিম যমুনা খাল ও উচ্চবারি দোয়ার খাল,সারদা খাল, পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুরের খাল ও ইডেন খাল নিত্যবহ কালের উদাহরণ ৷

©Mission Geography India

প্রতি বছর সরে যাচ্ছে কর্কটক্রান্তি রেখা


প্রতি বছর সরে যাচ্ছে কর্কটক্রান্তি রেখা

আমরা জানি যে, কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলার নদীয়া, বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার উপর দিয়ে গিয়েছে । আমরা কৃষ্ণনগরে গেলে দেখতে পাব যে, এক জায়গায় খুঁটিটে লেখা আছে – “YOU ARE NOW CROSSING TROPIC OF CANCER” .

তোমরা কি জানো, সেই খুঁটিটির অবস্থান প্রতিবছর পরিবর্তন ঘটছে । আমরা যদি আজ সেই খুঁটি দেখে আসি তাহলে আমরা যে স্থানে দেখব, পরের বছর দেখব সেই স্থানে আর নেই, একটু সরে গেছে । অনেক সময় কোনো ভূগোলের students সেখানে গিয়ে GPS গ্রাহক যন্ত্রের সাহায্যে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ মেপে আবার সঠিক জায়গায় পুঁতে দিচ্ছে । কিন্তু প্রশ্ন হল – কেন খুঁটিটির অবস্থান পরিবর্তন ঘটছে ?
আসলে প্রতিবছর কর্কটক্রান্তি রেখা একটু একটু করে সরে যাচ্ছে । পৃথিবী উল্লম্বরেখার সাথে সাড়ে তেইশ ডিগ্রী কোণে অবস্থান করে । আসলে এটি গড় অবস্থান । একচল্লিশ হাজার বছর অন্তর এটি 22.1 – 24.5 ডিগ্রী ব্যবধানে থাকে । পৃথিবীর উল্লম্বরেখার পরিবর্তন হয় বলেই কর্কটক্রান্তি, মকরক্রান্তি, সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত রেখা একটু একটু করে সরে যায় ।

—Edited by Sourav Sarkar (Director).

©Mission Geography India

Rio Tinto River/Red River


মাংসখেকো নদী – Rio Tinto River/Red River

আশ্চর্য এক নদীর সন্ধান পাওয়া গেছে। যে নদীতে ডুব দিলেই একেবারে মাংসছাড়া কঙ্কাল হয়ে উঠতে হবে!
আমরা কখনও এমনটি ভাবতেও পারবো না যে, এমন একটি নদী যেখানে স্নান করতে নামলে একেবারে কঙ্কাল হয়ে উঠতে হয়! এমনই এক নদী যে নদীতে ডুব দিলেন আর যখন ভেসে উঠলেন তখন আপনার গায়ে কিছুই নেই- শুধু হাড়গুলো ছাড়া। ঘটনাটি অবাক করার মতো হলেও সত্যি স্পেনে এমন একটি নদী রয়েছে, যেখানে ডুব দিলে কঙ্কাল হয়ে উঠতে হয়।

সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এমন খবর পড়ে সত্যিই বিস্মিত হতে হয়। জানা গেছে, স্পেনের ‘রিও টিনটো’ নামের এই নদীর জল অত্যন্ত আম্লিক (এসিডিক) (pH-1.7-2.5) যা ভারি ধাতু সমৃদ্ধ। ওই নদীর জলে রয়েছে প্রচুর ফেরিক আয়রণ। সে কারণেই নদীর জল অত্যন্ত ভয়ানক। এই নদীর কারণেই দেশটির অনেক গ্রামও স্থানান্তর করতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই নদীটি বেশ কয়েকটি আস্ত পাহাড়কেও গ্রাস করেছে। স্পেনের দক্ষিণ পশ্চিম দিয়ে বয়ে যাওয়া এই নদীটির উৎস আন্দালুসিয়া পর্বতে। জানা যায়, এই নদীটি মাইন খননের সময় উৎপন্ন হয়েছে। প্রায় ৫ হাজার বছর ধরে এখান হতে কপার তোলা হয়েছে।
এই নদী খননের প্যাটার্ন অর্থাৎ নদীটি এতোটাই দৃষ্টি নন্দিত যে, এটি দেখলে আপনার মনে হবে চাঁদে রয়েছেন। তবে দেখতে যতই সুন্দর হোক, এটাকে স্পর্শ করলেই মহা বিপদ! আপনার গায়ের কোনো মাংস থাকবে না। একেবারে কঙ্কাল হয়ে ফিরতে হবে।

*তথ্যসূত্র:- ইন্টারনেট ।

*See More:- https://en.m.wikipedia.org/wiki/Rio_Tinto_(river)

©Mission Geography India

“Geography and We” – January, 2017


-:Geography and We:-

*রামধনু (Rainbow) :- বৃষ্টির পর রোদ উঠলে অনেকসময় সূর্যের বিপরীত দিকে তাকালে অর্ধবৃত্তাকার (আসলে বৃত্তাকার) রূপে যে সাত রং এর বর্নালী দেখা যায় তাকে বলে রামধনু। বাতাসের জলকণায় আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং বিচ্ছুরণ এর জন্য রামধনু সৃষ্টি হয়। রামধনুতে সাতটি রঙের সজ্জা বা প্যাটার্ন দেখা যায়। এই প্যাটার্ন এর উপর নির্ভর করে রামধনু দুই প্রকার। যথা-( ১) প্রাইমারি রামধনু- যখন রামধনুতে বেগুনি রং নিচের দিকে এবং লাল রং উপরের দিকে থাকে, তাকে বলে প্রাইমারী রামধনু। এই প্রকার রামধনু বেশি দেখা যায়। (২) সেকেন্ডারি রামধনু- যে রামধনুতে বেগুনি রং উপরের দিকে এবং লাল রং নীচের দিকে থাকে তাকে বলে সেকেন্ডারি রামধনু। এই প্রকার রামধনু কদাচিৎ দেখা যায়। আর যখন এই দুইপ্রকার রামধনু আকাশে একসাথে দেখা যায় তাকে বলে জোড়া রামধনু।

★ চিত্রে এক উপত্যকায় জোড়া রামধনু দেখা যাচ্ছে। চিত্র টি ভালো করে খেয়াল করলে প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি রামধনু চিনতে পারবেন।
*********************


*মেরুপ্রভা (Auroras):- ২৩ শে সেপ্টেম্বর থেকে ২১ শে মার্চ উত্তর মেরুতে এবং ২১ শে মার্চ থেকে ২৩ শে সেপ্টেম্বর দক্ষিন মেরুতে যখন একটানা রাত্রি থাকে তখন মাঝে মাঝে আকাশে এক বর্নময় আলোকচ্ছটা লক্ষ্য করা যায়। একে উত্তর মেরুতে সুমেরু প্রভা বা অরোরা বেরিয়ালিস এবং দক্ষিন মেরুতে কুমেরু প্রভা বা অরোরা অস্ট্রালিস বলে।
আমরা জানি, বায়ুমন্ডলের ঊর্দ্ধ স্তরে আয়নোস্ফিয়ার এ যে সকল গ্যাসীয় উপাদান উপস্থিত আছে তার সাথে সূর্য থেকে আগত রশ্মি ও বস্তু কনার সংঘর্ষ হয়। এই অবস্থায় গ্যাসীয় অনু ভেঙে পরমানুতে পরিণত হয় এবং ইলেকট্রন ও প্রোটন এর সাথে সংঘাতে ঐ পরমানু থেকে যে আলোক ছটা বেরিয়ে আসে তাকেই মেরুজ্যোতি বলে।
*********************


*Zhangjiajie National Forest Park, China :- চীনের উত্তর হুনান প্রদেশে অবস্থিত এই ন্যাশনাল পার্ক টি চীনের প্রথম ন্যাশনাল পার্ক। এই পার্কের দারুন ভৌগোলিক বিশেষত্ব রয়েছে। এখানে পিলারের বা স্তম্ভ আকৃতির ভুমিরূপ দেখা যায়। এই পার্বত্য অঞ্চল প্যালিওজোয়িক যুগের বেলেপাথর দ্বারা নির্মিত। এই ধরনের বিশেষ স্তম্ভাকৃতি চূড়া গুলির সৃষ্টি সম্পর্কে ভূবিজ্ঞানী গন যান্ত্রিক আবহবিকার কে দায়ী করেছেন। এখানের বেলেপাথর এর মধ্যে উল্লম্ব জয়েন্ট লক্ষ্য করা যায়। এখানে বরফের কেলাসন প্রক্রিয়া, জল এবং উদ্ভিদ শিকড়ের দ্বারা যান্ত্রিক আবহবিকার এর দ্বারা বহু বছর ধরে এমন ভুমিরূপ গড়ে উঠেছে।
পুলিকট লেগুন ভারতের অন্যতম বার্ড স্যানচুয়ারী। এখানে প্রায় ১০০ প্রজাতির পাখি দেখা যায়। তবে গ্রেটার ফ্লেমিংগো পাখির জন্য এই বার্ড স্যানচুয়ারী বিখ্যাত। এই পুলিকট লেগুন এর ১০৮বর্গকিমি অঞ্চল ন্যাশনাল পার্ক এর অন্তর্ভুক্ত।
*********************


*পুলিকট লেগুন:- ৪৮১ বর্গকিমি আয়তন বিশিষ্ট ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম লবনাক্ত এই লেগুন টি অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুর করমন্ডল উপকূলে অবস্থিত। পুলিকট লেগুন এর ৯৭% অন্ধ্রপ্রদেশ এর মধ্যে এবং বাকি টা তামিলনাড়ু র মধ্যে রয়েছে। এখানে শ্রীহরিকোটা দ্বীপ টি ব্যারিয়ার আইল্যান্ড হিসাবে অবস্থান করে পুলিকটকে বঙ্গোপসাগরেরর সাথে বিচ্ছিন্ন করেছে। এই শ্রীহরিকোটা অন্ধ্রপ্রদেশ এর নেল্লোর জেলার মধ্যে অবস্থিত। এখানেই ভারতের সতীশ ধবন মহাকাশ গবেষনা কেন্দ্র অবস্থিত।

পুলিকট লেগুন ভারতের অন্যতম বার্ড স্যানচুয়ারী। এখানে প্রায় ১০০ প্রজাতির পাখি দেখা যায়। তবে গ্রেটার ফ্লেমিংগো পাখির জন্য এই বার্ড স্যানচুয়ারী বিখ্যাত। এই পুলিকট লেগুন এর ১০৮বর্গকিমি অঞ্চল ন্যাশনাল পার্ক এর অন্তর্ভুক্ত।
*********************


*মান্ডি জেলা- ভারতের স্বচ্ছতম জেলা:- ভারতের যে দুটি “স্বচ্ছতম জেলা” ঘোষিত হয়েছে তার মধ্যে আরেক টি হল হিমাচল প্রদেশের মান্ডি জেলা।( আগের পোষ্ট এ স্বচ্ছতম জেলা হিসাবে সিন্ধুদূর্গ আলোচিত হয়েছে।)
হিমাচল প্রদেশের মান্ডি জেলার সদর শহর এর নাম ও মান্ডি যা ঐতিহাসিক এবং আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই মান্ডি সমুদ্রতল থেকে ৭৬০ মিটার উচ্চে অবস্থিত। এর পাশ দিয়ে বিয়াস নদী প্রবাহিত হয়েছে। এই জেলার আয়তন ৩৯৫১ বর্গকিমি। এখানকার শিক্ষার হার ৮২.৮১% এবং লিঙ্গানুপাত-১০১২। এই জেলার জনঘনত্ব ২৫৩ জন / বর্গ কিমি। এখানে ৮১ টি প্রাচীন মন্দির আছে, তাই একে “পাহাড়ের বারানসী” বলা হয়। অর্থনৈতিক দিক দিয়েও এই জেলা হিমাচল প্রদেশের মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
*********************


*ভারতের স্বচ্ছতম জেলা:-আমাদের দেশের যে দুটি জেলা “ভারতের স্বচ্ছতম জেলা ” হিসাবে ঘোষিত হয়েছে, তার একটা হল মহারাস্ট্রের কঙ্কণ উপকূলে অবস্থিত সিন্ধুদূর্গ জেলা। এই জেলার মালভন উপকূল থেকে একটু দূরে আরবসাগরেরর এক দ্বীপের মধ্যে ছত্রপতি শিবাজী দ্বারা নির্মিত দূর্গের নাম হল সিন্ধুদূর্গ। এই দূর্গের নাম অনুসারেই এই জেলার নামকরন হয়েছে। মহারাষ্ট্রের সর্বাধিক দূর্গ এই জেলায় রয়েছে, সংখ্যাটা হল ৩৭ টি। এই জেলার আয়তন ৫২০৭ বর্গ কিমি। এই জেলার শিক্ষার হার ৮৫.৫৬% এবং লিঙ্গানুপাত-১০৩৬।
★চিত্রে আরবসাগরের বুকে বিখ্যাত ঐতিহাসিক সেই সিন্ধুদূর্গ দেখা যাচ্ছে।
*********************


*Keoladeo Ghana National Park:- রাজস্থানের ভরতপুরে অবস্থিত “পাখির স্বর্গরাজ্য ” নামে পরিচিত এই ন্যাশনাল পার্ক টির পূর্বে নাম ছিল ভরতপুর পক্ষীরালয়। ২৯ বর্গ কিমি বিস্তৃত এই ন্যাশনাল পার্ক মূলত জলাভূমি যুক্ত অঞ্চল। ১৯৮১ সালে এটি রামসার জলাভূমি কনজারভেশন এর মর্যাদা লাভ করে এবং ১৯৮২ সালে এটিকে ন্যাশনাল পার্ক ঘোষনা করা হয়। পরবর্তী কালে, ১৯৮৫ সালে এটি “ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ” ঘোষিত হয়। এটি পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত পক্ষী ক্ষেত্র। এখানে প্রায় ৩৬৬ টি প্রজাতির পাখি পাওয়া যায়। পাখি ছাড়াও এখানে চিতল হরিন, সম্বর, নীলগাই, হায়না, শেয়াল প্রভৃতি প্রানী বিচরন করে।
★এই ন্যাশনাল পার্কের মধ্যে কেওলাদেও (শিব) মন্দির অবস্থিত, আর এই অঞ্চলে ঘন ঝোপঝাড় স্থানীয় ভাবে ” ঘনা বা ঘন ” নামে পরিচিত। তাই এর নাম হয়েছে কেওলাদেও ঘনা ন্যাশনাল পার্ক।
>
এই ন্যাশনাল পার্কে প্রতিবছর প্রায় ১ লক্ষ পর্যটক আসেন। আগ্রা, মথুরা থেকে কাছে হওয়ায় অনেকেই এটা ঘুরে আসেন।
*********************


*Om Mountain:- ভারত ও নেপাল সীমান্তে অবস্থিত এই পর্বত টি সমুদ্রতল থেকে ৬১৯১ মিটার উচ্চতায় অবস্থান করছে। প্রাকৃতিক ক্ষয়কার্যের ফলে পর্বত শৃঙ্গ এমন ভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে এবং তুষার সঞ্চয়ের ফলে সংস্কৃত ” ঔঁ ” অক্ষরের ন্যায় দেখতে লাগে। তাই এই পর্বতের নাম হয়েছে ঔঁ পর্বত। এই পর্বত নেপালের দারচুলা জেলা এবং ভারতের উত্তরাখন্ডের পিথোরাগড় জেলার মধ্যে অবস্থান করছে। নেপাল -ভারত সীমান্তে অবস্থিত এই পর্বত নিয়ে নেপাল ও ভারতের মধ্যে বিরোধ আছে। তবে বর্তমানে নেপাল ও ভারতের মধ্যে রফাসূত্রের মাধ্যমে ঠিক হয়েছে যে, এই পর্বতের সামনের দিক অর্থাৎ ” ঔঁ ” আকৃতির দিকটা ভারতের মধ্যে এবং পেছনের দিকটা নেপালের মধ্যে পড়েছে।
*********************

“Geography and We” – April, 2017


-:Geography and We:-


*Dahab Blue Hole:- লোহিত সাগরের উপকূলে ইজিপ্ট এর দাহাব এর সিনাই অঞ্চলে এই ব্লু হোল টি অবস্থিত। এর গভীরতা ৯৪ মিটার।
ব্লু হোল হলো এক জল পুর্ন সিঙ্কহোল যা গঠিত হয় কার্বনেট সমৃদ্ধ শিলায় বিশেষত চুনাপাথরের অঞ্চলে । আমরা জানি রাসায়নিক বিক্রিয়া তে কার্বনেট সমৃদ্ধ শিলা দ্রবীভূত হয়ে এই রকম সিঙ্কহোল সৃষ্টি হয়। গভীর অংশে উপর থেকে দেখলে ঘন নীল লাগে আলোর প্রতিফলন ধর্মের জন্য।

ভূ বিজ্ঞানী দের মতে, হিমযুগের সময়ে যখন সমুদ্র তল বর্তমানের চেয়ে ১০০ -১২০ মিটার নীচে অবস্থান করত তখন এই সিঙ্কহোল গুলি সৃষ্ট হয়। পরে সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে এই সিঙ্কহোল গুলি জলের নীচে চলে যায়। সামুদ্রিক পরিবেশে জোয়ার ভাঁটার প্রভাব যুক্ত মিষ্টি এবং লবনাক্ত জলের মিশ্রণ ঘটে এমন কার্বনেট শিলা সমৃদ্ধ সামুদ্রিক অঞ্চলে অথবা দ্বীপ অঞ্চলে এই ধরনে ব্লু হোল দেখা যায়। অনেক ব্লু হোল বিশেষজ্ঞ আবার সামুদ্রিক পরিবেশে ব্লু হোল সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন অনুবীক্ষনিক জীব নিঃসৃত জৈব অ্যাসিড এর প্রভাব কে দায়ী করেছেন।
*********************


*Yuki-no-otani বা Snow Wall:- জাপানের হুনসুদ্বীপে শীতকালে প্রচুর বরফ পড়ে। প্রায় ২০ মিটার পর্যন্ত বরফ পড়ে। চিত্রে হুনসু দ্বীপে জাপানীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ” টিডা ” পার্বত্য অঞ্চলের টাটেয়ামা-কুরোবেআলপাইন সড়ক দেখা যাচ্ছে, যা টাটেয়ামা এবং ওমাছি কে যুক্ত করেছে। প্রায় ৩৫ কিমি দীর্ঘ এই রাস্তা টি ১৯৭১ সালে চালু হয়েছে। প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিটার বরফ কেটে রাস্তা পরিস্কার করে জনসাধারনের জন্য চালু করা হয়। এই রাস্তা টি তাই “স্নো ক্যানিয়ন” নামেও সুপরিচিত।
*********************


*কোকোয়া চাষ এবং শিশুশ্রমিক:- আমরা জানি, কোকোয়া (Cocoa) গাছের ফলের বীজ থেকে চকোলেট প্রস্তুত হয়। ১ কেজি চকোলেট বানাতে ৩০০- ৬০০ টি বীজ লাগে। কোকোয়া উৎপাদিত হয় আইভরি কোস্ট, ঘানা, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, মেক্সিকো, নাইজেরিয়া, ভেনেজুয়েলা প্রভৃতি দেশে। কোকোয়া উৎপাদনে আইভরি কোস্ট প্রথম। ২০১৩ সালে সারা পৃথিবীতে প্রায় ৪৬০০০০০ টন কোকোয়া উৎপাদিত হয়। যার অর্ধেকের বেশি উৎপাদিত হয় আইভরি কোস্ট ও ঘানা, এই দুই পশ্চিম আফ্রিকার দেশে।
তবে, চকোলেট খেতে যতই মিষ্টি লাগুক না কেন , এর উৎপাদনে কিন্তু বহু শিশু শ্রমিকের অশ্রু মিশে আছে। ২০১৫ সালের হিসাবে, পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলিতে প্রায় ১.৮ বিলিয়ন শিশুদের কে ব্যবহার করা হয়েছে কোকোয়া চাষের কাজে। আইভরি কোস্ট এ প্রায় ১৯০০০ শিশু শ্রমিক কে নিযুক্ত করা হয়েছে। শিশু দের কে দাস হিসাবে, কিংবা অনেক ক্ষেত্রে বেগার শ্রমিক হিসাবে খাটানো হয় এই চাষে। বহু শিশুই বিপন্ন। শিক্ষার অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত। তাদের শৈশবেই কোকোয়া চাষে ব্যবহৃত বিভিন্ন কীটনাশকের প্রভাবে নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। বিশ্বজুড়ে সমালোচিত হলেও শিশু শ্রমিক কিন্তু কমছে না। সমীক্ষায় দেখা গেছে, “নেসলে” র মতো বড় বড় চকোলেট কোম্পানি র কোকোয়া ফার্ম এও বহু শিশু কে শ্রমিক হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
★★ চিত্রে আইভরি কোস্ট এ কোকোয়া ফল সংগ্রহ রত এক শিশুশ্রমিক কে দেখা যাচ্ছে।
*********************


*তিস্তা নদী জলবন্টন সমস্যা:- তিস্তা নদীর জলবন্টন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের সমস্যা চলছে। বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে এই তিস্তা নিয়ে কি সিন্ধান্ত হয় সেটা আগামীতে বোঝা যাবে।তবে, তার আগে এই সমস্যা টা নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।
তিস্তা নদী সিকিম থেকে উৎপন্ন হয়ে পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে তিস্তামুখের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদে মিলিত হয়েছে। তিস্তা নদীর সমগ্র অববাহিকা প্রায় ১২০০০ বর্গ কিমি, যার ৮৩% ভারতে এবং বাকি অংশ বাংলাদেশে। এই নদী অববাহিকাতে শুষ্ক সময়ে অর্থাৎ নভেম্বর -এপ্রিল মাসে জলের অভাব দেখা যায়। তিস্তা নদীতে গজলডোবা তে একটি জলাধার আছে, যা সীমান্ত থেকে ৯০ কিমি দূরে। আর বাংলাদেশ এই নদীতে ডাওনি বা ডালিয়া জলাধার নির্মান করেছে সীমান্ত থেকে ১৫ কিমি দূরে। ভারত ও বাংলাদেশ এর এই জলাধার গুলি নির্মান হয়েছে মূলত জলসেচের জন্য। ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশ এই নদীর ৫০% জলের দাবি জানিয়ে আসছে। এরপর ১৯৮৩ সালে একটি চুক্তির ফলে স্থির হয়, বাংলাদেশ পাবে ৩৬%, ভারত পাবে ৩৯% এবং বাকী ২৫% অবন্টিত থাকবে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মতে গজলডোবা র থেকে ২৫% এর বেশি জল দেওয়া সম্ভব নয়। কারন ২৫% এর বেশি জল দিলে পশ্চিমবঙ্গে এর কুপ্রভাব পরবে। পানীয় জল ও এই নদী যোগান দিয়ে থাকে। আর যদি ৫০% জল দেওয়া হয় তাহলে প্রায় ৯.২২ লক্ষ বর্গকিমি কৃষি জমিতে এর প্রভাব পরবে। ফলে তিস্তা নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। এটা অস্বীকার করা যায় না যে, বাংলাদেশেও জলের সমস্যা রয়েছে। কৃষি কাজ ব্যাহত হচ্ছে। সেই জন্য তিস্তা নিয়ে এত আগ্রহ বাংলাদেশের।
*********************


*Green Lake:- এই হ্রদটি অস্ট্রিয়ার স্টিরিয়া তে অবস্থিত। এই হ্রদের চারপাশে চুনাপাথর সমৃদ্ধ Hochschwab পর্বত রয়েছে। শীতকালে এই হ্রদের জলের গভীরতা হয় ১ থেকে ২ মিটার। তখন এই হ্রদটির চারপাশের অংশ পার্ক হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু বসন্তের শুরুতে চারপাশের পর্বতের বরফ গলতে শুরু করে এবং সব বরফ গলা জল এই হ্রদে পতিত হয়। গ্রীষ্মে এই হ্রদ এর জলের গভীরতা ১২ মিটার হয়ে যায়। ফলে হ্রদের চারপাশের পার্কটি জলের নীচে চলে যায়। প্রতিবছর এইরকম ঘটে। এই হ্রদ এর জল এতটাই স্বচ্ছ যে জলের নীচে সব স্পষ্ট দেখা যায়। চিত্র দেখে সেটা সহজেই বোঝা যাচ্ছে।
*********************


*উৎখাত ভুমিরূপ (Badland Topography) :- কোনো বিস্তৃত শুষ্ক বৃক্ষহীন বা প্রায় বৃক্ষহীন অঞ্চলে জলের দ্বারা ব্যাপকভাবে সংকীর্ণ নালিকা ও রাভাইন সৃষ্টি হয়ে যে ভূমিরূপের সৃষ্টি করে তাকে উৎখাত ভুমিরূপ বলে। এ ক্ষেত্রে সংকীর্ণ নালিকা বা রাভাইন এর খাত সমুহ বেশ গভীর হয়ে থাকে। আর পরস্পর দুটি খাতের মধ্যবর্তী স্থান ছুড়ির ফলার মতো সংকীর্ণ ও ধারালো হয়। এ সব অঞ্চল একেবারেই কৃষির অনুপযুক্ত।
★★ চিত্রে আমেরিকা যুক্তরাস্ট্রের শুষ্ক দক্ষিন ডাকোটা প্রদেশের ব্যাডল্যান্ড ন্যাশনাল পার্ক দেখা যাচ্ছে।
*********************

Oceanography Suggestion 2017


@Oceanography Suggestion 2017@
*Marks-10/6
1. Importance of Oceanography in Geography.
2. What is T-S Diagram ? Discuss it.
3. Critically examine the theories of origin of coral reefs.
4. Examine the factors controlling salinity of sea water.
5. Discuss the vertical distribution of temperature in ocean water.
6. Give an account of the current of Pacific/Atlantic/Indian Ocean.
7. Write a short note about bottom topography of Indian Ocean.
8. Explain the relationship between salinity and temperature of ocean.
9. What is coral reefs ? Discuss different types of coral reefs.
10. Discuss major environmental condition for formation of coral reefs.
11. Discuss the bottom topography of Atlantic Ocean in the light of plate tectonics.

—Suggested by Sourav Sarkar (Director).
*Mobile/WhatsApp- 9735337699.

©Mission Geography India.

Hydrology Suggestion 2017


@Hydrology Suggestion 2017@
*Marks-10/6
1. Discuss the scope and content of Hydrology and comment on its relevance.
2. Classification based on modes of occurrence of water.
3. Explain the concept of Hydrological Cycle highlighting its significance.
4. What are the determinants of ground water storage ? And also explain the mechanisms of ground water storage.
5. Discuss the nature of ground water storage.
6. Describe in brief the vertical distribution of ground water.
7. Narrate the mechanisms of infiltration. Discuss the factor influencing infiltration.
8. Describe the roles played by surface runoff.

—Suggested by Sourav Sarkar (Director).
*Mobile/WhatsApp- 9735337699.

©Mission Geography India.

Climatology Suggestion 2017


@Climatology Suggestion 2017@
*Marks-10/6
1. Critically discuss the Thornthwaite’s classification of world climate.
2. Illustrate the origin and life cycle of temperate/extratropical/mid latitude cyclones.
3. Give an account of the Collision Coalescence Theory.
4. Narrate the major forms of precipitation.
5. Discuss the Horizontal Distribution of temperature.
6. Make a brief comparison between the origin and characteristicsof tropical and temperate cyclones .
7. Describe the Heat Budget of the atmosphere.
8. Describe the thermal structure of the atmosphere (layering of the atmosphere).
9. Explain the relationship between pressure belts and planetary wind.
10. Describe the Index Cycle of Jet Stream. And explain how the westerly Jet Stream influence the Indian Monsoon.
11. Describe the nature and composition of atmosphere.
12. Mention the impact of Jet Streams on World Climate.
13. Discuss the Vertical distribution of temperature.
14. Distinguish between Koppen’s and Thornthwaite’s classification of world climate.
15. Classification of air mass. Discuss it.
16. Elaborate the salient features of Indian Monsoon.
17. Discuss the modifications of air masses..
18. What is Walkar Circulation ? Explain the impact of Walkar Circulation.
19. Critically discuss different theories on the origin of the Indian Monsoon.
20. Explain the causes of Low level temperature inversion. Describe different types of inversion of temperature.

—-Suggested by Sourav Sarkar (Director).
*Mobile/WhatsApp- 9735337699.

©Mission Geography India.

GEOGRAPHY QUIZ E.V


11/04/2017
*Winner:- Jinnah (Murshidabad) & Naiman Zinna (Birbhum).
Congratulation….
*Your Score= 8
@Answer sheet:-
*Topic- Geotectonic
1. What percent of the total land area is in the northern hemisphere ?
A. 70%
B. 80%
C. 75%
D. 65%
Ans. C
2. Who postulated the Drift hypothesis ?
A. F.B. Taylor
B. Wegner
C. Gregory
D. Antonio Slider
Ans. D
3. Which of the following was not the part of lauratia (North Pangea)-
A. Eruope
B. Africa
C. Asia
D. North America
Ans. B
4. Which was the part of Angara land ?
A. North America
B. Africa
C. South America
D. Antarctica
Ans. A
5. The recent Ice Age in the earth took place during-
A. Miocene period
B. Pleistocene period
C. Silurian period
D. Pliocene period.
Ans. B
6. Sial is floating over-
A. Sima
B. Mental
C. Core
D. Nife
Ans. A
7. Mantle is made of-
A. Gaseous materials
B. Liquid materials
C. Solid materials
D. None of these
Ans. C
8. Which ocean is spreading due to plate tectonic movement ?
A. Pacific ocean
B. Atlantic ocean
C. Indian ocean
D. Arctic ocean.
Ans. B
9. The formation of Himalayan mountain took place during the-
A. Pre-cambrian orogeny
B. Caledonian orogeny
C. Hercynian orogeny
D. Tertiary orogeny.
Ans. D
10. The new folded mountain system is known as-
A. Alpine system
B. Alps system
C. Rocky system
D. Penine system.
Ans. A