Indian Geography SAQ (ভারতের ভূগোল)


■ভারতের ভূপ্রকৃতি (Relief):-

1. টেথিস হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ লিওপারগেল।
2. পশ্চিম হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ নাঙ্গা পর্বত।
3. মধ্য হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ মাউন্ট এভারেস্ট।
4. পূর্ব হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কি?
উঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা।
5. পশ্চিম হিমালয় কয় ভাগে বিভক্ত ও কিকি?
উঃ ৩ ভাগে– কাশ্মীর হিমালয়, পাঞ্জাব ও হিমাচল হিমালয়, কুমায়ুন হিমালয়।
6. পশ্চিম হিমালয়ের প্রধান গিরিপথ গুলি কিকি?
উঃ বানিহাল, জোজিলা, পীরপঞ্জাল, কারাকোরাম।
7. কোন দুই পর্বতশ্রেণির মাঝে কাশ্মীর উপত্যকা অবস্থিত?
উঃ জাস্কর ও পীরপঞ্জাল।
8. কাশ্মীর হিমালয়ের প্রধান পর্বতশ্রেণি কোনটি?
উঃ জাস্কর ও পীরপঞ্জাল।
9. পাঞ্জাব ও হিমাচল হিমালয়ের প্রধান পর্বতশ্রেণি কোনটি?
উঃ ধৌলাধর।
10. কোন হ্রদকে কাশ্মীরের রত্ন বলা হয়?
উঃ ডাল লেক।
11. পূর্ব হিমালয় কয় ভাগে বিভক্ত ও কিকি?
উঃ তিন ভাগে — সিকিম-দার্জিলিং হিমালয়, ভুটান হিমালয়, অরুনাচল হিমালয়।
12. সিকিম-দার্জিলিং হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা।
13. পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ সন্দাকফু (সিকিম-দার্জিলিং হিমালয় পর্বত)।
14. ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা (8,598m)।
15. সিকিম-দার্জিলিং হিমালয়ের প্রধান হিমবাহ কোনটি?
উঃ জেমু।
16. সিকিম-দার্জিলিং হিমবাহের প্রধান গিরিপথ গুলি কিকি?
উঃ নাথুলা, বুমলা।
17. ভুটান হিমালয়ের প্রধান পর্বতশ্রেণি কোনটি?
উঃ মাসাংকিংডু।
18. ভুটান হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ চমোলারী।
19. ভুটান হিমালয়ের প্রধান গিরিপথ গুলি কিকি?
উঃ লিংসিলা, ইউলিলা।
20. অরুনাচল হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উঃ নামচারবাওয়া।

■ভারতের নদনদী (Indian River):-

1.উত্তর ও দক্ষিন ভারতের জলবিভাজিকা – বিন্ধ্য পর্বত ৷
2.অলকনন্দা দেবপ্রয়াগের কাছে গঙ্গায় পড়েছে ৷
3.গঙ্গার প্রধান উপনদী হল – যমুনা ৷
4.সিন্ধু নদীর উৎপত্তি হয়েছে – সিন্-খা-বাব হিমবাহ থেকে ৷
5.ব্রক্ষ্মপুত্রতিব্বতে – সাংপো নামে পরিচিত ৷
6.রাজস্থানের মরু অঞ্চলের প্রধান নদীর নাম – লুনি ৷
7.সুবর্ণরেখা নদীর গতিপথে – হুড্রু জলপ্রপাত অবস্থিত ৷
8.কাবেরি নদীর গতিপথে শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়েছে ৷
9.লোকটাক হ্রদ মণিপুরে অবস্থিত ৷
10.আনাইসাগর হ্রদ থেকে লুনি নদীর সৃষ্টি হয়েছে ৷
11.সরাবতি নদীর গতিপথে গেরসোপ্পা বা যোগজলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
12.নর্মদা নদীর গতিপথে ধুয়াধার জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
13.ত্র্যাম্বক উচ্চভূমি থেকে গোদাবরি নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
14.যমুনা নদী এলাহাবাদের কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ছে ৷
15.ভারতের সর্ব্বোচ্চ জলপ্রপাতের নাম গেরসাপ্পো যার অপরদুটি নাম যোগজলপ্রপাত বা গান্ধী জলপ্রপাত ৷
16.গঙ্গোত্রী হিমালয়ের গোমুখ তুষারগুহা থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
17.ভারতের দুটি লবণাক্ত জলের হ্রদের নাম সম্বর ও চিল্কা ৷
18.ভারতের একটি অর্ন্তবাহিনী নদীর নাম লুনি ৷
19.দক্ষিন ভারতের নদিগুলি শুধু বৃষ্টির জলে পুষ্ট ৷
20.ভারতের প্রধান নদীর নাম গঙ্গা ৷
21.যমুনোত্রী হিমবাহ থেকে যমুনা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
22.হরিদ্বারের কাছে গঙ্গা সমভুমিতে নেমে এসেছে ৷
23.উত্তর-পশ্চিমভারতের প্রধান নদী – সিন্ধু ৷
24.উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান নদী – ব্রক্ষ্মপুত্র ৷
25.কাশ্মির উপত্যকার মধ্য দিয়ে – ঝিলাম বা বিতস্তা নদী প্রবাহিত হয়েছে ৷
26.সিন্ধু নদীর তীরে হরপ্পা ও মহেঞ্জেদারো সভ্যতার সৃষ্টি হয়েছিল ৷
27.সবরমতি নদী – আরাবল্লি পর্বত থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে ৷
28.ভারতের একটি আদর্শ নদী – গঙ্গা ৷
29.সরাবতী একটি পশ্চিম বাহিনী নদী ৷
30.পাঞ্জাবের প্রধান নদী – শতদ্রু ৷
31.অরুণাচলপ্রদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রেরনাম – ডিহং ৷
32.তাপ্তি নদীর প্রধান উপনদীর নাম – পূর্ণা ৷
33.ডাল ও উলার হ্রদ কাশ্মিরে অবস্থিত ৷
34.গঙ্গার দূষণ রোধের জন্য ১৯৮৫ সালে সেন্ট্রাল গঙ্গা অথোরিটি নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত করা হয় ৷
35.মহানদীর উপর ভারতের দীর্ঘতম ( ২৬ কিমি) বাঁধ – হিরাকুদ অবস্থিত ৷
36.মেট্টুর বাঁধ কাবেরী নদীর উপর অবস্থিত ৷
37.নাগারজুন সাগর বাঁধ কৃষ্ণা নদীর উপর অবস্থিত ৷
38.জন্মু কাশ্মিরের লাদাখে বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ (১৪,২৫৬ ফুট) পংগং অবস্থিত ৷
39.ভারতের বৃহত্তম হ্রদের নাম – কাশ্মিরের উলার ৷
40.শতদ্রু নদীর উপর ভারতের উচ্চতম বাঁধ ভাকরা – নাঙ্গাল অবস্থিত ৷
41.গঙ্গা ব্রক্ষ্মপুত্রেরব-দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ সমভূমির উদাহরণ ৷
42.ব্রক্ষ্মপুত্রের মাজুলি দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ ৷
43.গোদাবরি নদী কে দক্ষিন ভারতের গঙ্গা বলা হয় ৷
44.কাবেরি নদীকে দক্ষিন ভারতের পবিত্র নদী বলা হয় ৷
45.ভারতের পশ্চিম বাহিনী নদীগুলির মধ্য উল্লেখযোগ্য – নর্মদা,তাপ্তি,সবরমতি ও সরাবতি ৷
46.গোমুখ থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত গঙ্গার উচ্চগতি৷ হরিদ্বার থেকে রাজমহল পাহাড় পর্যন্ত গঙ্গার মধ্যগতি ৷ রাজমহল পাহাড় থেকে বঙ্গোপসাগরের মুখ পর্যন্ত গঙ্গার নিন্মগতি ৷
47.লুনি নদী কচ্ছের রণে পড়েছে ৷
48.নর্মদা ও তাপ্তি নদী গ্রস্থ উপত্যকার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ৷
49.বাংলাদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রেরনাম যমুনা ৷
50.ব্রক্ষ্মপুত্রের দুটি উপনদীর নাম হল – সুবর্ণসিরি ও লোহিত ৷

■ভারতের জলবায়ু (Indian Climate):-

1.ভারতের একটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ – লু ৷
2.মৌসুমি বিস্ফোরণ হয় – গ্রীষ্মকালে ৷
3.আশ্বিনের ঝড় হয় – শরৎকালে ৷
4.পশ্চিমি ঝামেলা হয় – শীতকালে ৷
5.তামিলনাড়ুর উপকূলের বছরে দুবার বৃষ্টিপাত হয় ৷
6.মৌসুমি কথার অর্থ – ঋতু ৷
7.মৌসুমি বিস্ফোরণের ফলে বর্ষাকালের সূচনা হয় ৷
8.দক্ষিন ভারতের জলবায়ু সমভাবাপন্ন ৷
9.উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রকৃতপক্ষে – উত্তরপূর্ব আয়ন বায়ু ৷
10.পর্বতের অনুবাতঢালে কমবৃষ্টিপাত যুক্ত অঞ্চলকে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে ৷
11.ভারতকে মৌসুমি জলবায়ুর দেশ বলে ৷
12.মেঘালয়ের মোসিনরামে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতা হয় ৷
13.দক্ষিন ভারতে গ্রীষ্মকালে বজ্রবিদ্যুত সহ যে বৃষ্টিপাত হয় তাকে আম্রবৃষ্টি বলে ৷
14.মৌসিম কথাটি একটি আরবিয় শব্দ ৷
15.লাদাখ ভারতের একটি শীতল মরু-মালভূমির উদাহরণ ৷
16.পশ্চিমঘাট পর্বতের পূর্বঢাল ও শিলং বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের উদাহরণ ৷

■ভারতের স্বাভাবিক উদ্ভিদ:-

1.ছোটোনাগপুর মালভূমিতে- পর্ণমোচি বৃক্ষ জন্মায় ৷
2.ভারত সরকারের অরণ্য গবেষণাগার দেরাদুনে অবস্থিত ৷
3.মধ্যপ্রদেশে বনভূমির পরিমান সর্বাধিক ৷
4.ম্যানগ্রোভ অরণ্য দেখা যায় ব-দ্বীপ অঞ্চলে ৷
5.বাবলা, একটি জেরোফাইটিক উদ্ভিদ ৷
6.ভারতের পর্ণমোচি অরণ্যের অপরনাম – মৌসুমি অরণ্য ৷
7.পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন ও ওড়িশার ভিতরকণিকা ম্যানগ্রোভ অরণ্যের উদাহরণ ৷
8.লাক্ষা থেকে গালা উৎপন্ন হয় ৷
9.তুতগাছে রেশম কীট পালন করা হয় ৷
10.বৃক্ষে বৃক্ষে ঘর্ষণজাত অরণ্যদহন কারি আগুনকে দাবানল বলে ৷
11.পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমঢালে – চিরসবুজ অরণ্য আছে ৷
12.সুন্দরি গাছের নামানুসারে সুন্দরবন নামকরণ করা হয়েছে ৷
13.ভারতের বনভূমি সংরক্ষণ আইন চালুহয় – ১৯৮০ সালে ৷
14.অল্পীয় উদ্ভিদ বলে – জুনিপার,রোডোডেনড্রন, লার্চ,ভূর্জ প্রভৃতি উদ্ভিদকে ৷ এগুলি হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায় ৷
15.চিরহরিৎ অরণ্য দেখতে পাওয়া যায় – পূর্ব হিমালয়ের তরাই অঞ্চলে,পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমঢালে ,আন্দামান নেকেবর দ্বীপ অঞ্চলে ৷

■ভারতের মাটি:-

1.ভারতের শতকরা ৪৬ ভাগস্থানে পলিমাটি আছে ৷
2.ভারতের শতকরা ১৭ ভাগ স্থানে কৃষ্ণ মত্তিকা আছে ৷
3.ভারতের শতকরা ১১ ভাগ স্থানে লোহিত মৃত্তিকা আছে ৷
4.ভারতের শতকরা ৮ ভাগ স্থানে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা আছে ৷
5.বালুকাময় মরুমৃত্তিকাকে সিরোজেম বলে ৷
6.বালি ও নুড়ি পাথরপূর্ণ মৃত্তিকাকে – ভাবর বলে ৷
7.কালো মাটি ব্যসল্ট মৃত্তিকা ক্ষয়ে সৃষ্ট হয়েছে ,এর অপর নাম রেগুর ৷
8.কালো মাটিতে লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড থাকে ৷এর অপরনাম লাল কাকুরে মাটি ৷
9.নতুন পলি সঞ্চিত প্লাবন ভূমির মাটিকে খাদর বলে ৷ এতে বালির ভাগ বেশি থাকে এর রঙ ধুসর ৷
10.পুরানো পলি মাটির নাম ভাঙ্গর ৷ এতে চুন জাতিয় পদার্থ বেশি থাকে ৷
11.ল্যাটিন শব্দ ল্যাটার যার বাংলা প্রতিশব্দ ইট – এর থেকে ল্যাটেরাইট মাটির উৎপত্তি হয়ছে ৷
12.ঝুম চাষ একধরণের পরিবর্তনশিল কৃষি ৷
13.দাক্ষিণাত্য মালভূমিতে কৃষ্ণ মৃত্তিকা দেখা যায় ৷
14.তেলেগু শব্দ রেগাডা থেকে রেগুর শব্দের উৎপত্তি ৷
15.উচ্চ গঙ্গা সমভূমি অঞ্চলে কোথাও কোথাও একপ্রকার সূক্ষ কণার মৃত্তিকা দেখা যায় একে ভুর বলে ৷
16.ছোটোনাগপুরেরমালভুমি অঞ্চলে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা দেখা যায় ৷
17.পডসল মৃত্তিকা অঞ্চলে সরলবর্গীয় অরণ্য দেখতে পাওয়া যায় ৷
18.মৃত্তিকা সংরক্ষনের প্রধান উপায় বৃক্ষরোপণ ৷
19.উত্তরাঞ্চলেরদেরাদুনে মৃত্তিকা গবেষণাগার আছে ৷
20.বালি মাটিতে বালির ভাগ শতকরা ৫০ ভাগের বেশি ৷
21.দোয়াশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমান সমান ৷
22.এঁটেল মাটিতে কাদার পরিমাণ ৫০ % এর বেশি ৷
23.পাঞ্জাবে নবিন পলিমাটিকে বেট বলে ৷
24.জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ অম্ল মৃত্তিকার নাম পডসল এটি হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায় ৷
25.মাটির উপরিভাগ বায়ুপ্রবাহ বা বৃষ্টিপাত দ্বারা ক্ষয় প্রাপ্ত হলে তাকে আস্তরণ ক্ষয় বলে ৷
26.বৃষ্টির জল উঁচু জায়গা থেকে নীচু জায়গায় গড়িয়ে পড়ার সময় সরু নালার আকারে ক্ষয় পেলে তাকে নালিক্ষয় বলে ৷
27.নালিক্ষয় পরস্পর যুক্ত হলে তাকে প্রণালীক্ষয় বলে ৷

■ভারতের জলসেচ ব্যবস্থা ও কৃষিজ ফসল:-

1.উত্তর ভারতের নদীগুলি বরফগলা জলে পুষ্ট ৷
2.ভারতে প্রধানত তিনটি পদ্ধতিতে জলসেচ করা হয় (১) কূপ ও নলকূপ (২) জলাশয় বা পুষ্করিণী (৩) সেচখাল ৷
3.৫০ % কৃষিজমি কূপ ও নলকূপের সাহায্যে জলসেচ করা হয় ৷
4.উত্তর ভারতের সমভূমি অঞ্চল,পাঞ্জাব ,উত্তরপ্রদেশ বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে এই ধরণের জলসেচ দেখা যায় ৷
5.৭ % কৃষিজমি জলাশয় বা পুষ্করিনীর সাহায্যে জলসেচ করা হয় ৷
6.দক্ষিন ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ,কর্ণাটক,তামিলনাড়ুতে এই পদ্ধতিতে জলসেচ বেশি করা হয় ৷
7.৩৮% কৃষিজমি জলাশয় ও পুষ্করিণীর সাহায্যে জলসেচ করা হয় ৷
8.সেচখাল দুই ধরণের হয় (১) প্লাবন খাল (২) নিত্যবহ খাল
9.গোদাবরি,কৃষ্ণা,কাবেরি নদীর ব-দ্বীপ খাল প্লাবন খালের উদাহরণ ৷
10.উচ্চগঙ্গা খাল,পাঞ্জাবের পশ্চিম যমুনা খাল ও উচ্চবারি দোয়ার খাল,সারদা খাল, পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুরের খাল ও ইডেন খাল নিত্যবহ কালের উদাহরণ ৷

©Mission Geography India

Economic Geography SAQ


1. EEZ (Exclusive Economic Zone) এর বিস্তৃতি উপকূল থেকে 200 নটিক্যাল মাইল বা প্রায় 300km সামুদ্রিক অংশ ।
2. USA -এর পশু খামারগুলিকে Ranch বলে ।
3. অস্ট্রেলিয়াতে এই খামারগুলিকে Cattle Station বলে ।
4. আর্জেন্টিনার বৃহদায়তন পশু খামারগুলিকে Estancia ও ক্ষুদ্রায়তন খামারগুলিকে Chacras বলে এবং গবাদি পশুপালকেরা Gaucho নামে পরিচিত ।
5. ভারত প্রথম EPZ (Export Processing Zone) গড়ে তোলে 1965 সালে ।
6. OPEC -এর পুরো নাম Organisation of the Petroleum Exporting Countries । এই সংস্থাটি উদ্ভব হয় 1960 সালে ।
7. সূক্ষ্ম জৈব পদার্থে পরিপূর্ণ এক বিশেষ ধরনের তেলবাহী শিলা হল Oil Shale.
8. বিটুমেন যুক্ত বালিপাথর, চুনাপাথর চূর্ণকে Tar Sands বলে ।
9. ভারতে জায়দ চাষ করা হয় May থেকে June মাসে । যেমন- শশা ও তরমুজ ।
10. বায়ো-ডিজেল উৎপাদনের উদ্দেশ্যে ভেরেন্ডা (জাট্রোফা ক্যুরকাস) গাছের চাষ করা হয় ।
11. দক্ষিণ আমেরিকায় নিরক্ষীয় চিরহরিৎ বনভূমি Selva নামে পরিচিত ।
12. Silviculture বনভূমির পরিচর্যার সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত ।
13. অগভীর সমুদ্রের মাছকে পিলেজিক মাছ বলে ।
14. গভীর সমুদ্রের মাছকে ডেমার্সাল মাছ বলে ।
15. অ্যানাড্রোমাস মাছের উদাহরণ ইলিশ ও স্যামল প্রভূতি ।
16. Aquaculture হল জলের চাষ বা জলাশয় এলাকার চাষ ।
17. Isotim হল সমপরিবহন ব্যয়রেখা ।
18. Isodapane হল কাঁচামাল ও উৎপাদিত দ্রব্যের মোট পরিবহন ব্যয়রেখা ।
19. ভারতের একক বৃহত্তম শিল্প কার্পাস – বয়ন শিল্প ।
20. যে কৃষি ব্যবস্থায় একই জমিতে একসঙ্গে দু-তিন রকমের ফসল সারিবদ্ধভাবে চাষ করা হয়, তাকে আন্তঃকৃষি বলে ।
21. কৃষিজমি ব্যবহার মডেলের একজন প্রবক্তা হলেন Von Thunens.
22. Foot-loose প্রকৃতির দুটি শিল্প- বৈদ্যুতিন শিল্প ও বস্ত্রবয়ন শিল্প ।
23. অরণ্য নির্ভর দুটি শিল্প হল- কাগজ শিল্প ও দেশলাই শিল্প ।
24. জাপানের হনসু দ্বীপে বিখ্যাত লৌহ ও ইস্পাত কেন্দ্র ওসাকা অবস্থিত ।
25. সামগ্রিকভাবে বিশ্ব কৃষি ব্যবস্থা চিহ্নিতকরণের পথ প্রদর্শক ছিলেন – Whittlesey.
26. খননকার্য, অর্থনীতির প্রাথমিক ক্ষেত্রের অন্তর্গত ।
27. বিশুদ্ধ কাঁচামাল ব্যবহৃত শিল্পের অবস্থান- কাঁচামাল ও বাজারের মধ্যবর্তী যেকোনো স্থানে হওয়া উচিত ।
28. কাটো এবং পোড়াও পদ্ধতি জড়িত রয়েছে- স্থানান্তর কৃষি প্রণালীতে ।
29. JFM -এর পুরো নাম- Joint Forest Management.
30. দুটি প্রবাহমান সম্পদের নাম হল- নদীর জলসম্পদ ও জলসম্পদ ।
31. USA -র দুটি কার্পাস বয়ন শিল্পাঞ্চলের নাম হল- নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চল ।
32. Grand Bank নিউফাউন্ডল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত । এর গভীরতা 100 মিটার এবং আয়তন 37 হাজার বর্গকিমি ।
33. পৃথিবীর মোট উৎপাদিত কয়লার প্রায় 80% বিটুমিনাস, 15% লিগনাইট, 5% অ্যানথ্রাসাইট শ্রেণির ।
34. দেশের অভ্যন্তরে সমস্ত দ্রব্যের উৎপাদন ও সেবামূলক বা পরিসেবাভিত্তিক কাজের মূল্যভিত্তিক যোগফলকে GDP (Gross Domestic Product) বলে ।
35. 1973 সালে National Commission of Agriculture (NCA) সর্বপ্রথম “Social Forestry” নামটি ব্যবহার করে ।

—-Edited by Sourav Sarkar (Director).

©Mission Geography India.

Statistical and Cartographic Techniques SAQ


1. একটি মানচিত্রের RF 1:50000 হলে এবং আয়তনকে 1/9 ভাগ ছোট করা হলে, তার RF হবে = 1:150000

2. জমির মালিকানা জানা যায় – মৌজা মানচিত্র দ্বারা ।
3. ভূমির ঢাল জানা যায় – সমোন্নতি মানচিত্রের দ্বারা ।
4. ডাম্পিলেভেল যন্ত্রের দ্বারা – ভূমির উচ্চতা জানা যায় ।
5. আঞ্চলিক সীমানা জানা যায় – রাজনৈতিক মানচিত্র দ্বারা ।
6. কোনো অঞ্চলের কৌণিক মান মান জানা যায় – Prismatic Compass -এর দ্বারা ।
7. Transit Theodolite -এ ব্যবহৃত হয় – ভার্নিয়ার স্কেল ।
8. মানচিত্র অঙ্কন বিদ্যার কলাকৌশলকে বলে – কার্টোগ্রাফি ।
9. ভারতে ভূবৈচিত্র্যসূচকমানচিত্রের সূচক সংখ্যা = 39 থেকে 91 পর্যন্ত ।
10. ভূবৈচিত্র্যসূচকমানচিত্র আঁকা হয় – ইন্টারন্যাশনাল মডিফায়েড Projection -এ ।
11. গ্রিক শব্দ Topos -এর অর্থ হল – স্থান এবং Grapho -এর অর্থ হল – আমি আঁকি ।
12. কলকাতায় থিমেটিক ম্যাপ তৈরির দায়িত্বে আছে – NATMO ।
13. যে মানচিত্রে এক বা একাধিক রঙের সাহায্যে ভৌগোলিক উপাদানের বণ্টন দেখানো হয়, তাকে – কোরোক্রোমেটিক ম্যাপ বলে ।
14. যে মানচিত্রে বিভিন্ন চিহ্ন বা অক্ষর সংকেতের সাহায্যে ভৌগোলিক উপাদানের বণ্টন দেখানো হয়, তাকে কোরোস্কিমেটিক মানচিত্র বলে ।
15. নক্ষত্র চিত্রকে – উইন্ড রোজ বলে ।
16. সমহারে মানের হ্রাসবৃদ্ধি অনুযায়ী দুটি বিন্দুর অন্তর্বর্তী স্থানের মাননির্ণয়কে – ইন্টারপোলেশন বলে ।
17. একটি মাত্রাহীন মানচিত্রের নাম হল – Dot Map.
18. একটি দ্বিপাক্ষিক মানচিত্রের উদাহরণ হল – Flow Map বা প্রবাহচিত্র ।
19. একটি ত্রিমাত্রিক মানচিত্রের নাম হল – ঘনক চিত্র ।
20. রোমানদের 12 খণ্ডে অঙ্কিত মানচিত্রগুলিকে বলে – Tabula ট্যাবুলা ।
21. কোনো মানচিত্রে অভিক্ষেপের সবচেয়ে মধ্যবর্তী দ্রাঘিমা রেখাকে বলে – Central Meridian .
22. NATMO এর পুরো নাম হল – National Atlas and Thematic Map Organisation .
23. ঢালের নতি মাপার যন্ত্রের নাম – ক্লাইনোমিটার ।
24. উপগ্রহ চিত্রের ক্ষুদ্রতম উপাদান হল – Pixel .
25. GIS কথাটির পুরো নাম হল – Geographical Information System .
26. Survey of India 1767 সালে স্থাপিত হয় । এই সংস্থার সদর দপ্তর দেরাদুনে অবস্থিত ।
27. ভারতীয় সিরিজের মানচিত্রগুলির R.F. = 1 : 10,00,000 ।
28. আন্তর্জাতিক সিরিজের মানচিত্রগুলিকে মিলিয়ন শিট বলে ।
29. পৃথিবীর দুটি গোলার্ধের মোট মিলিয়ন শিটের সংখ্যা হল 2222 টি ।
30. টপোশিটে সমোন্নতি রেখাগুলি 20 মিটার বা 10 মিটার ব্যবধানে টানা থাকে ।
*Next Very Soon.
—Edited by Sourav Sarkar (Director).

©Mission Geography India.

“Statistical and Cartographic Techniques” Special SAQ


১) অ্যাটলাস শব্দটির অর্থ কি?
উঃ মানচিত্রের বই।
২) ভারতের কোন সংস্থা বিষয়ভিত্তিক মানচিত্র প্রস্তুত করে?
উঃ NATMO
৩) ভারতের কোন সংস্থা ভূবৈচিত্র্যসূচকমানচিত্র প্রস্তুত করে?
উঃ সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।
৪) ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্রের অপর নাম কি?
উঃ মৌজা মানচিত্র।
৫) মৌজা/ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্রের স্কেল কত?
উঃ ১:৩৯৬০
৬) কে সর্বপ্রথম পৃথিবীর মানচিত্র প্রস্তুত করেন?
উঃ অ্যানাক্সিমিন্ডার।
৭) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানচিত্র বিশারদ কাকে বলা হয়?
উঃ আলইদ্রিসি।
৮) মানচিত্রে দূরত্ব নির্নয় করার জন্য কোন যন্ত্রের সাহায্য নেওয়া হয়?
উঃ রোটামিটার।
৯) কোন যন্ত্রের সাহায্যে মানচিত্র ছোটো বড়ো করা হয়?
উঃ প্যান্টোগ্রাফ।
১০) মানচিত্র কোন এলাকার আয়তন নির্ধারনের জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
উঃ প্লানিমিটার।
১১) মানচিত্রে বড়ো স্কেলের R.F. কত?
উঃ ১:৩৯৬০ (মৌজা মানচিত্র)
১২) মানচিত্রে মাঝারি স্কেলের R.F. কত?
উঃ ১:৫০,০০০
১৩) মানচিত্রে ছোটো স্কেলের R.F. কত?
উঃ ১:১০০০০০০
১৪) কে ভার্নিয়ার স্কেল আবিষ্কার করেন?
উঃ রবার্ট পিয়েরি ভার্নিয়ার।
১৫) R.F.এর পুরো নাম কি?
উঃ Representative Fraction
১৬) স্বাক্ষরতা বন্টনের মানচিত্র কোন প্রকার ম্যাপ?
উঃ বিষয়ভিত্তিক বা থিমেটিক ম্যাপ।
১৭) বিভিন্ন রং এর ব্যবহারে তৈরি মানচিত্র কে বি বলে?
উঃ কোরোক্রোমাটিক মানচিত্র।
১৮) কোন যন্ত্রের সাহায্যে ত্রিমাত্রিক কোনো দৃশ্যকে দ্বিমাত্রিক করে মানচিত্র অঙ্কন করা হয়?
উঃ স্টিরিওস্কোপ।
১৯) মানচিত্র অঙ্কনে সর্বাধিক প্রয়োজনীয় কি?
উঃ স্কেল।
২০) টোপোগ্রাফিক মানচিত্রের R.F. কত হয়?
উঃ ১:৫০,০০০
২১) এইডোগ্রাফ কি?
উঃ মানচিত্র ছোটো-বড়ো করার যন্ত্র।
২২) বেঞ্চমার্ক কি?
উঃ ভূপৃষ্ঠ থেকে কোন বিন্দুর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাপা প্রকৃত উচ্চতা।
২৩) স্পট হাইট কি?
উঃ মানচিত্র কোন স্থান বিন্দুর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দেখানো উচ্চতা।
২৪) সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
উঃ দেরাদুন।
২৫) কত সালে সার্ভে অফ ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়?
উঃ 1767
২৬) আন্তর্জাতিক টোপোগ্রাফিক মানচিত্র সিরিজে, সমগ্র পৃথিবীকে কয়টি টোপোশিটে ভাগ করা হয়েছে?
উঃ ২২২২ টি।
২৭) মিলিয়ন শিট টোপোম্যাপের R.F. কত?
উঃ ১:১০০০০০০
২৮) ডিগ্রি শিট টোপোম্যাপের R.F. কত?
উঃ ১:১০০০০০
২৯) ১৫ মিনিট শিট টোপোম্যাপের R.F. কত?
উঃ ১:৫০০০০
৩০) মিলিয়ন শিট টোপোম্যাপের অক্ষাংশ & দ্রাঘিমা গত বিস্তার কত?
উঃ ৪ ডিগ্রি × ৪ ডিগ্রি।
৩১) ডিগ্রি শিট টোপোম্যাপের অক্ষাংশ & দ্রাঘিমাগত বিস্তার কত?
উঃ ১ ডিগ্রি × ১ ডিগ্রি।
৩২) ভারতের রাশিবিজ্ঞানের জনক কে?
উঃ প্রশান্তচন্দ্র মহালানবিশ।
৩৩) তথ্যের শ্রেনি কয় প্রকার & কিকি?
উঃ ২ প্রকার — গুনগত & সংখ্যামূলক।
৩৪) একটি গুনগত তথ্যের উদাহরন দাও।
উঃ নাম, ঠিকানা, বর্ন, জাতি।
৩৫) একটি সংখ্যামূলক তথ্যের উদাহরন দাও।
উঃ ব্যক্তির বয়স, উচ্চতা।
৩৬) কোনো রাশিতথ্যের সংক্ষিপ্তকরনের জন্য নির্দিষ্ট পার্থক্য অনুসারে ভাগ করা কে কি বলে?
উঃ শ্রেনি।
৩৭) যখন রাশিতথ্যের কোনো শ্রেনীর উর্দ্ধসীমানা ও তার পরবর্তী নিম্নসীমানার মধ্যে পার্থক্য থাকে, তাকে কি বলে?
উঃ শ্রেণী সীমা বা Class Limit
৩৮) একটি শ্রেণীসীমার উদাহরন দাও।
উঃ ৭০০-৮০০, ৮০১-৯০০, ৯০১-১০০০
৩৯) যখন রাশিতথ্যের কোনো শ্রেনীর উর্দ্ধসীমানা & তার পরবর্তী নিম্নসীমানার মধ্যে পার্থক্য থাকে না, তাকে কি বলে?
উঃ শ্রেনী সীমানা বা Class Boundary
৪০) একটি শ্রেণী সীমানার উদাহরন দাও।
উঃ ৭০০-৮০০, ৮০০-৯০০, ৯০০-১০০০
৪১) একটি শ্রেণীর উচ্চসীমা ও নিম্নসীমার পার্থক্যকে কি বলে?
উঃ শ্রেণী ব্যবধান বা Class Interval
৪২) ৭০০-৮০০ এর শ্রেণী ব্যবধান কত?
উঃ ১০০
৪৩) Statistics শব্দটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?
উঃ ব্যারন বাইলফেল্ড।
৪৪) যে চলকের মানকে ভগ্নাংশে নয়, শুধুমাত্র পূর্নসংখ্যায় দেখানো যায়, তাকে কি বলে?
উঃ বিচ্ছিন্ন চলক।
৪৫) যে চলকের মানকে ভগ্নাংশ বা পূর্ণ সংখ্যায় দেখানো যায়, তাকে কি বলে?
উঃ অবিচ্ছিন্ন চলক।
৪৬) যেসব উপাদান বা রাশির মান পরিবর্তন হয় না, তাকে কি বলে?
উঃ ধ্রুবক।
৪৭) একটি ধ্রুবকের উদাহরন দাও।
উঃ সপ্তাহের দিনসংখ্যা ৭ টি।
৪৮) একটি বিচ্ছিন্ন চলকের উদাহরন দাও।
উঃ পরিবারের লোকসংখ্যা।
৪৯) একটি অবিচ্ছিন্ন চলকের উদাহরন দাও।
উঃ বৃষ্টিপাত।
৫০) PIXEL কথাটির অর্থ কি?
উঃ Picture (PIX) Element.
—Edited by Sneha Das (Admin).

©Mission Geography India.

BENGAL GEOGRAPHY SAQ


1. বাংলার যে জেলার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে – নদিয়া, বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ( সূত্র – নববাপু) ।
2. বাংলার পূর্বদিকে অবস্থিত দেশ হল – বাংলাদেশ ।
3. বর্তমানে বাংলার জেলার সংখ্যা হল – 21টি ।
4. উত্তর – পূর্ব ভারতের প্রবেশ দ্বার বলা হয় – শিলিগুড়িকে ।
5. দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশ দ্বার হল – ক্যানিং ।
6. বিহার রাজ্যের বিচ্ছিন্ন অংশটি বাংলায় যে জেলা নামে পরিচিত – পুরুলিয়া ।
7. বাংলার ওপর লম্বভাবে সূর্যকিরণ পড়ে – 21 শে জুন ।
8. সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বাদাবন অবস্থিত যে জেলায় – দক্ষিণ 24 পরগনা ।
9. প্রেসিডেন্সি বিভাগের অন্তর্গত জেলাসদর হল – আলিপুর ।
10. ‘Chicken’s Neck’ বলা হয় – উত্তর দিনাজপুরের চোপড়াকে ।
11. ‘City of Joy’ বলা হয় – কলকাতাকে ।
12. বাংলার উত্তরের সমভূমি অংশ হল – বরেন্দ্রভূমি ।
13. বাংলা ও নেপাল সীমান্তে রয়েছে – সিঙ্গলিলা ।
14. বাংলার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – সান্দাকফু ।
15. বাংলার মালভূমি অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল – গোর্গাবুরু ।
16. বাংলায় বালিয়াড়ি দেখা যায় – উপকূলীয় সমভূমিতে ।
17. রাঢ় সমভূমির ভূপ্রকৃতি – তরঙ্গায়িত ।
18. কালিম্পঙ -এর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল – ঋষিলা ।
19. বক্স গিরিখাত দিয়ে যাওয়া যায় – ভুটানে ।
20. বক্রেশ্বরের উষ্ণ প্রস্রবণ দেখা যায় – বীরভূমে ।
21. পেডং কথার অর্থ – অর্কিডের শহর ।
22. তরাই শব্দের অর্থ – স্যাঁতসেঁতে ভূমি ।
23. শুশুনিয়া পাহাড় অবস্থিত – বাঁকুড়া জেলায় ।
24. দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলের সর্বোচ্চ Rail Station হল – ঘুম ।
25. রাঙামাটির দেশ বলা হয় – রাঢ় অঞ্চলকে ।
26. মথুরাখালি পাহাড় অবস্থিত – বীরভূমে ।
27. গঙ্গা দুভাগে বিভক্ত হয়েছে মুর্শিদাবাদের – ধুলিয়ানে ।
28. গঙ্গা বাংলায় প্রবাহিত হয়েছে – 520 কিমি ।
29. বাংলার প্রধান নদী – গঙ্গা ।
30. দামোদরনদকে বলা হয় – বাংলার দুঃখ ।
31. বহরমপুর বিখ্যাত – রেশম শিল্পের জন্য ।
32. রাঢ় অঞ্চলের সবচেয়ে বড়ো শহর হল – বর্ধমান ।
33. বাংলার দুটি প্রধান মৎস্য শিকার কেন্দ্র হল – দিঘা ও জুনপুট ।
34. ভারতে প্রথম পাতাল রেল চালু হয় – কলকাতায় ।
35. হলদিয়া বিখ্যাত – পেট্রোরসায়ন শিল্পের জন্য ।
36. কৃষ্ণনগর বিখ্যাত – মৃৎ শিল্পের জন্য ।
37. জলপাইগুড়ি শহর অবস্থিত – মহানন্দা ও বালাসন নদীর তীরে ।
38. শংকরপুর একটি – মৎস্য বন্দর ।
39. বাংলায় প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত – কলকাতায় (বেলগাছিয়া) ।
40. লোথিয়ান আইল্যান্ড অভয়ারণ্যটি অবস্থিত – দক্ষিণ 24 পরগনায় ।
41. বক্সা অভয়ারণ্যটি স্থাপিত হয় – 1986 সালে ।
42. বার্ড ফ্লু নির্ণয় কেন্দ্রটি অবস্থিত – কলকাতার বেলগাছিয়ায় ।
43. দমদম বিমান বন্দরের পত্তন হয়েছিল – 1875 সালে ।
44. বাংলায় ধানের বউল বলা হয় – বর্ধমানকে ।
45. জয়ন্তি হল – সংরক্ষিত বনভূমি ।
46. সুন্দরবন হল – সুরক্ষিত বনভূমি ।
47. খোয়াই অঞ্চল দেখা যায় – বীরভূম জেলায় ।
48. উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের অধিক কাদাযুক্ত মাটি – খিয়র নামে পরিচিত ।
49. তাল শব্দের অর্থ – জলাভূমি ও নিম্নভূমি ।
50. সুন্দরবনের যেসব অঞ্চলে কৃষিকাজ হয়, তাকে – আবাদ বলে ।
51. বাংলায় সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয় – বীরভূমের ময়ূরেশ্বরে ।
52. বাংলায় সবচেয়ে বেশি উষ্ণতা দেখা যায় – আসানসোলে ।
53. মৌসুমি রাজ্য বলা হয় – বাংলাকে ।
54. খরার জেলা বলা হয় – পুরুলিয়াকে ।
55. বাংলায় সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয় – বক্সা ডুয়ার্সে ।
56. করোনেশন ব্রিজ অবস্থিত – তিস্তা নদীর ওপর ।
57. কানা নদীর মধ্যবর্তী ও শেষ অংশের নাম – কুন্তী নদী ।
58. দামোদরের প্রধান উপনদীর নাম – বরাকর ।
59. সুন্দরবন অঞ্চলের বৃহত্তম জলবহনকারী নদী হল – মাতলা ।
60. অজয়নদ -এর উৎপত্তি – দুমকা উচ্চভূমি থেকে ।
61. 2011 জনগণনা অনুসারে বাংলার বেশি জনসংখ্যাযুক্ত জেলা হল – উত্তর 24 পরগনা (10082852 জন) ।
62. 2011 জনগণনা অনুসারে বাংলার কম জনসংখ্যাযুক্ত জেলা হল – দক্ষিণ দিনাজপুর (1670931 জন)
63. 2011 জনগণনা অনুসারে বাংলার জনসংখ্যা ছিল – 91347736 জন (পুরুষ=46927389জন এবং মহিলা=44420347 জন) ।
64. জনঘনত্ব = 1029 জন/sq km.
65. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এক দশকে = 13.93%
66. স্ত্রী – পুরুষের অনুপাত = 947:1000
67. সাক্ষরতার হার = 77.08% (পুরুষ =82.67% এবং স্ত্রী =71.16%) ।
68. শিক্ষার হার বেশি – পূর্ব মেদনীপুর জেলায় (87.66%) ।
69. শিক্ষার হার কম – উত্তর দিনাজপুর জেলায় (60.13%) ।
70. বাংলার দুটি SEZs হল – হলদিয়া ও আসানসোল শিল্পাঞ্চল ।
71. বাংলার দুটি ম্যানগ্রোভ অরণ্যের গাছ হল – সুন্দরী ও গরাণ ।
72. বাংলার দুটি অর্থকারী ফসল হল – চা ও পাট ।
73. উত্তরবঙ্গের দুটি নদী যার জলপ্রবাহ ব্রহ্মপুত্র নদে মিলিত হয়েছে – তিস্তা ও তোর্সা ।
74. বাংলায় বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায় – রাণীগঞ্জ ।
75. ভারতের শেফিল্ড বলা হয় – হাওড়া শহরকে ।
76. সুন্দরবনের আতঙ্ক বলা হয় – মাতলা নদীকে ।
77. বাংলার নবীনতম জেলা – কালিম্পং (Feb, 2017) ।
78. বাংলার দীর্ঘতম ব্যারেজ – ফারাক্কা ব্যারেজ ।
79. বাংলার দীর্ঘতম সেতু – রূপনারায়ণ সেতু ।
80. বাংলার দীর্ঘতম রেলওয়ে প্ল্যাটফর্ম হল – খড়গপুর ।

—Author Sourav Sarkar (Director).
©Mission Geography India.

Continental Drift Theory and Isostasy SAQ


১) মহী সঞ্চরনের জন্য কোন শক্তি/বল দায়ী?
উঃ জোয়ারি বল & বৈষম্যমূলক অভিকর্ষ বল।
২) আজ থেকে প্রায় কত বছর আগে প্যানজিয়ার ভাঙন শুরু হয়?
উঃ ২৫ কোটি বছর।
৩) ওয়েগনার কত সালে বিজ্ঞানী মহলে প্রথম মহাদেশের সঞ্চালনের কথা বলেন?
উঃ ১৯১২ সালে।
৪) ওয়েগনারের লেখা বইটির নাম কি?
উঃ Die Entstehung der Kontenente & Ozeane
৫) কত সালে ওয়েগনারের মহীসঞ্চরন মতবাদটি পরিমার্জিতভাবে প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৯২২ সালে।
৬) মেসোসরাস কি?
উঃ ছোটো কুমীর জাতীয় প্রাণীর জীবাশ্ম।
৭) গ্লোসোপটেরিস কি?
উঃ ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদের জীবাশ্ম।
৮) “জোয়ারি বল ও বৈষম্যমূলক অভিকর্ষজ শক্তি কার্যকরী হলে, পৃথিবীর আবর্তন থেমে যেত।”— বক্তা কে?
উঃ হ্যারল্ড জেফ্রিস।
৯) ওয়েগনারের মতে, মহাদেশগুলির সঞ্চরন অধিক ঘটেছে কোন দিকে?
উঃ উত্তর & পশ্চিমদিকে।
১০) কোন যুগে মেরুকে ঘিরে মহাদেশীয় হিমবাহের অবস্থান ছিল?
উঃ পার্মো-কার্বনিফেরাস যুগে।
১১) ওয়েগনারের মতে, উঃ ও দঃ আমেরিকার পশ্চিমে সঞ্চরনের কারন কি?
উঃ জোয়ারি বল।
১২) গন্ডোয়ানা নামটি কোথা থেকে এসেছে?
উঃ গন্ড শিলার উপস্থিতি থেকে।
১৩) ভারত মহাসাগর সৃষ্টির কারন কি?
উঃ অস্ট্রেলিয়ার পূর্বে সঞ্চালন।
১৪) লরেশিয়া নামটি কোথা থেকে এসেছে?
উঃ কানাডার লরেন্সীয় ভূখন্ড থেকে।
১৫) ওয়েগনারের মতে, প্যানজিয়ার কেন্দ্রে কোন মহাদেশ অবস্থান করত?
উঃ আফ্রিকা।
১৬) কোন ভূতাত্ত্বিক যুগ পর্যন্ত প্যানজিয়া একত্রিত ছিল?
উঃ কার্বনিফেরাস।
১৭) সর্বোত্তম জিগ-স-ফিট দেখা যায় কোথায়?
উঃ আটলান্টিক মহাসাগর সংলগ্ন আফ্রিকা & দঃ আমেরিকার উপকূলজোড়ে।
১৮) নিরক্ষরেখার দিকে মহাদেশীয় চলনের শক্তিকে কি বলে?
উঃ বৈষম্যমূলক অভিকর্ষজ বল।
১৯) মহীখাত অঞ্চলে অভিকর্ষজ বিচ্যূতি কি প্রকার?
উঃ ধনাত্মক।
২০) হার্সিনিয়ান পর্বত কোন পর্বতকে ছেদ করেছে?
উঃ ক্যালিডোনিয়ান পর্বতকে।
২১) অভিকর্ষজ বিচ্যূতি কি?
উঃ প্রকৃত অভিকর্ষজ মান – তাত্ত্বিক অভিকর্ষজ মান।
২২) উদস্থৈতিক ভারসাম্য কি?
উঃ বিভিন্ন উচ্চতা বিশিষ্ট সমঘনত্ব কাঠের ভাসমান অবস্থা।
২৩) Isostasy শব্দটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?
উঃ সি. ই. ডাটন।
২৪) কত সালে এইরির তত্ত্বটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
উঃ ১৮৫৫ সালে।
২৫) প্র্যাটের তত্ত্বটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৮৫৯ সালে।
২৬) এইরির তত্ত্বের মূলভিত্তি কি?
উঃ ভাসমানতা।
২৭) প্র্যাটের তত্ত্বের মূলভিত্তি কি?
উঃ ঘনত্বের পার্থক্য।
২৮) একটি সমস্থৈতিক প্রমান উদাহরন দাও।
উঃ স্ক্যান্ডিনেভিয়ার উপকূলভাগের ধীরে ধীরে উত্থান।
২৯) প্রতিবিধান তলে ভূত্বক গঠনকারী পদার্থসমূহের চাপ ও পীড়নের পারস্পরিক সম্পর্ক কিরূপ?
উঃ চাপ ও পীড়ন সমান থাকে।
৩০) কে শিবালিক পর্বতের কালিয়ানা এবং উপদ্বীপীয় ভারতের কালিয়ানাপুরের অভিকর্ষজ অসংগতির ওপর সমীক্ষা করেন?
উঃ প্র্যাট।
৩১) একই গভীরতায় প্রতিবিধান তলের অবস্থানের কথা কে বলেছেন?
উঃ প্র্যাট।
৩২) বিভিন্ন গভীরতায় প্রতিবিধান তলের অবস্থানের কথা কে বলেছেন?
উঃ এইরি।
৩৩) অ্যাসথিনোস্ফিয়ারের যে তল বরাবর মহাদেশীয় ও মহাসাগরীয় ভূত্বকীয় অংশগুলি সামঞ্জস্য বিধান করে, তাকে কি বলে?
উঃ প্রতিবিধান তল।
৩৪) কার ধারনায় হালকা শিলা অপেক্ষা ভারী শিলা গঠিত স্তম্ভগুলির উচ্চতা কম হবে?
উঃ প্র্যাট।
৩৫) প্র্যাটের তত্ত্বে কোন উপাদানগুলির কথা সমর্থন স্বরূপ বলা হয়েছে?
উঃ পারদপূর্ণ পাত্র ও একই ভরবিশিষ্ট সিসা, লোহা, টিন, দস্তার স্তম্ভ।
৩৬) নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকে অভিকর্ষজ মান বৃদ্ধি পায় কেন?
উঃ পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে পৃথিবীর মেরুর দিকে যে কোন স্থানের দূরত্ব কমে।
৩৭) পর্বতের গভীর শিলাগঠিত শিকড়ের ধারনা কে প্রদান করেন?
উঃ এইরি।
৩৮) মহাদেশীয় সঞ্চরন সম্পর্কে কে প্রথম ধারনা দেন?
উঃ ফ্রান্সিস বেকন।
৩৮) কত সালে মহাদেশীয় সঞ্চরন সম্পর্কে প্রথম জানা যায়?
উঃ ১৬২০
৩৯) ফ্রান্সিস বেকনের লেখা গ্রন্থটির নাম কি?
উঃ নোভান অর্গানাম।
৪০) আটলান্টিক মহাসাগরের দুইপ্রান্তের মধ্যে সাদৃশ্যের কথা কে বলেন?
উঃ হামবোল্ড।
৪১) কে প্রথম আটলান্টিকের উভয় পার্শ্বে সরে যাওয়ার কথা বলেন?
উঃ স্নাইডার।
৪২) স্নাইডারের লেখা গ্রন্থটির নাম কি?
উঃ La Creation et ses Mystires devoiles.
৪৩) কে কত সালে প্রথম পৃথিবী থেকে চাঁদের সৃষ্টির কথা বলেন?
উঃ ডারউইন, ১৮৭৯ সালে।
৪৪) কার লেখা, কোন বই থেকে প্রথম পরিচলন স্রোতের কথা জানা যায়?
উঃ ফিশারের লেখা, Physic Of The Earth Crust
৪৫) স্নাইডারের মতে, দুই আমেরিকা কি নামে পরিচিত?
উঃ অ্যাটলান্টিস।
৪৬) The Faces Of The Earth গ্রন্থটির লেখক কে?
উঃ সুয়েস।
৪৭) কে প্রথম সিয়াল & সিমার স্তরের ধারনা দেন?
উঃ এডওয়ার্ড সুয়েস।
৪৮) কত সালে টেলর মহাদেশীয় সঞ্চরন তত্ত্বের অবতারণা করেন?
উঃ ১৯১০ সালে।
৪৯) টেলর কোন ভূখন্ডকে প্রাচীন ভূখন্ড বলে চিহ্নিত করেন?
উঃ গ্রীনল্যান্ড।
৫০) টেলরের মতে, মহাদেশ সঞ্চরনের জন্য কোন বল দায়ী?
উঃ জোয়ারি বল।
৫১) কে সর্বপ্রথম মহাদেশীয় পাতের অনুভূমিক গতির কথা বলেন?
উঃ ওয়েগনার।
৫২) টেলর কোন অবক্ষেপ সঞ্চয় দেখে মনে করেন যে, পার্মোকার্বনিফেরাস যুগে মহাদেশগুলি একত্রে ছিল?
উঃ মহাদেশীয় হিমবাহের টিল অবক্ষেপ।
৫৩) কত সালে ওয়েগনারের লেখা ‘মহাদেশসমূহ & মহাসাগরসমূহরের উৎপত্তি’ প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৯১৫ সালে।
৫৪) হিপসোগ্রাফিক রেখা কে তৈরি করেন?
উঃ ক্র্যূমেল।
৫৫) ওয়েগনারের মতে, কোন যুগে প্যানজিয়ার ভাঙন শুরু হয়?
উঃ মেসোজোয়িক যুগে।
৫৬) কোন উপযুগে দঃ আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশ একে অপরের থেকে দুরে সরে যেতে থাকে?
উঃ ক্রিটাশিয়াস উপযুগে।
৫৭) ওয়েগনারের মতে, উঃ আমেরিকা ও ইউরোপ কোন যুগ পর্যন্ত একত্রে অবস্থান করত?
উঃ প্লিস্টোসিন যুগে।
৫৮) ভারতের উত্তরদিকে সরে যাওয়ার ফলে, কোন যুগে ভারত মহাসাগরের সৃষ্টি হয়েছে?
উঃ জুরাসিক থেকে টার্সিয়ারি।
৫৯) Flight From Pole কি?
উঃ মহাদেশগুলি দঃ মেরুর কাছ থেকে সঞ্চরন শুরু করে।
৬০) কে, কোন তত্ত্বের সাহায্যে আল্পীয় গিরিজনি ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন?
উঃ ওয়েগনার, মহাদেশ সঞ্চরন মতবাদ দ্বারা।
৬১) কে জিগ-স-ফিট ধারনা প্রদান করেন?
উঃ ওয়েগনার।
৬২) ওয়েগনারের মতে, ব্রাজিল, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ভারতে কোন যুগের একই ধরনের জীবাশ্ম পাওয়া যায়?
উঃ মেসোজোয়িক।
৬৩) ওয়েগনার দঃ আমেরিকার মারসুপিয়াল ওপোসামের সাথে কোন প্রাণীর মিল খুঁজে পান?
উঃ ক্যাঙারু।
৬৪) ‘আমাদের সঞ্চরনশীল মহাদেশ'(Our Wandering Continent) গ্রন্থটির লেখক কে?
উঃ ড্যু টয়েট (১৯৩৭)।
৬৫) ড্যু টয়েটের মতে, কোন যুগের পর টেথিস সাগরের উৎপত্তি হয়েছে?
উঃ টার্সিয়ারি।
৬৬) দঃ আমেরিকা, দঃ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ভঙ্গিল পর্বতের শিলা সাদৃশ্য থেকে ড্যু টয়েট একটি জিওসিনক্লাইনের কথা বলেন, তার নাম কি?
উঃ সামফ্রাউ।
৬৭) মেরু ভ্রমণ বা Polar Wandering এর কথা কারা বলেন?
উঃ রানকর্ন & ব্ল্যাকেট।
৬৮) লরেশিয়া/আঙ্গারাল্যান্ড কোন কোন ভূমিভাগ নিয়ে গঠিত?
উঃ উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, উত্তর ও মধ্য এশিয়া।
৬৯) গন্ডোয়ানাল্যান্ড কোন কোন ভূমিভাগ দ্বারা গঠিত?
উঃ উপদ্বীপীয় ভারত, আফ্রিকা, দঃ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া & আন্টার্কটিকা।
৭০) কে প্রথম মহীসঞ্চরন মতবাদ ব্যাখ্যা করেন?
উঃ স্নাইডার (১৮৫৮)।
৭১) কত সালে টেলর মহীসঞ্চরন মতবাদের ব্যাখ্যা দেন?
উঃ ১৯১০ সালে।
৭২) কোন উপযুগে, কত বছর পূর্বে প্যানজিয়া ভেঙে আঙ্গারাল্যান্ড ও গন্ডোয়ানাল্যান্ড সৃষ্টি হয়?
উঃ ট্রিয়াসিক উপযুগে, ২০ কোটি বছর পূর্বে।
৭৩) কোন উপযুগে, কত বছর পূর্বে গন্ডোয়ানাল্যান্ড ভূমিভাগ বিভিন্ন মহাদেশে বিভক্ত হয়?
উঃ জুরাসিক উপযুগে, ১৩.৫ কোটি বছর পূর্বে।
৭৪) কোন উপযুগে, কত বছর পূর্বে আন্টার্কটিকা দক্ষিন মেরু অঞ্চলে আবদ্ধ হয়?
উঃ জুরাসিক উপযুগে, ১৩ কোটি বছর পূর্বে।
৭৫) কোন উপযুগে উত্তর ও দক্ষিন আমেরিকা মহাদেশের উদ্ভব ঘটে?
উঃ ক্রিটাশিয়াস।
৭৬) কোন উপযুগে পূর্ব এশীয় বৃত্তচাপীয় দ্বীপমালা সৃষ্টি হয়?
উঃ ক্রিটাশিয়াস।
৭৭) কে প্রথম আফ্রিকা ও দঃ আমেরিকা উপকূলের সাদৃশ্য খুঁজে পান??
উঃ ফ্রান্সিস বেকন।
৭৮) মহাদেশের অনুভূমিক সঞ্চরন তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
উঃ এফ. বি. টেলর।
৭৯) Drift Hypothesis বা সঞ্চরন প্রকল্পের জনক কে?
উঃ স্নাইডার।
৮০) ওয়েগনার কত সালে, কোন শহরে বক্তৃতা দেওয়ার সময় প্রথম মহাদেশ সঞ্চরন তত্ত্ব উপস্থাপন করেন?
উঃ ১৯১২ সালে, জার্মানির ফ্রাঙ্কফুট শহরে।
৮১) প্যানজিয়ার মোট কতবার ভাঙন হয়েছে?
উঃ ২ বার — প্রথমবার কার্বনিফেরাস যুগে, দ্বিতীয়বার জুরাসিক যুগে।
৮২) ওয়েগনারের মহীসঞ্চরন মতবাদের প্রধান সাহায্যকারী বিষয় কোনটি?
উঃ প্রধান জলবায়ুর পরিবর্তন।
৮৩) কোন যুগে গন্ডোয়ানাল্যান্ডের ভাঙন শুরু হয়?
উঃ ক্রিটাশিয়াস যুগে।
৮৪) মহীসঞ্চরন মতবাদ অনুসারে ভারতের কোনদিকে সঞ্চরন ঘটছে?
উঃ উত্তর দিকে।
৮৫) ওয়েগনারের মহীসঞ্চরন মতবাদের প্রধান সমালোচক কারা?
উঃ উইলিস, স্টিয়ার্স, লেক প্রমুখ।
৮৬) কোন জীবাশ্মটি গন্ডোয়ানাল্যান্ডের সর্বত্র পাওয়া যায়?
উঃ গ্লসোপটেরিস।
৮৭) মেসোসরাস (ক্ষুদ্র কুমীর) জীবাশ্ম কোথায় দেখা যায়?
উঃ ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও দঃ আফ্রিকা।
৮৮) সিনোগনাথস্ (সরীসৃপ) জীবাশ্ম কোথায় দেখা যায়?
উঃ ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও কঙ্গো অববাহিকা।
৮৯) কোন প্রাচীন ধারনা থেকে সমস্থৈতিক ধারনাটি এসেছে?
উঃ আর্কিমিডিসের প্লবতা সূত্র থেকে।
৯০) সমস্থিতির হাইড্রোস্ট্যাটিক ভারসাম্য তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
উঃ জি. বি. এইরি।
৯১) সমস্থিতির প্রতিবিধান তল তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
উঃ জে. এইচ. প্র্যাট।
৯২) ‘সমান ঘনত্ব কিন্তু অসমান গভীরতা’– কার ধারনা?
উঃ এইরি।
৯৩) ‘অসমান ঘনত্ব কিন্তু সমান গভীরতা’– কার ধারনা?
উঃ প্র্যাট।
৯৪) এইরি ও প্র্যাটের ধারনার সামঞ্জস্যমূলক তত্ত্ব কোনটি?
উঃ হাইস্কানেন।
৯৫) Anti Root Theory এর প্রবক্তা কে?
উঃ আর. এ. ড্যালি।
৯৬) পৃথিবীর কোথায় কোথায় সমস্থিতির নিদর্শন দেখা যায়?
উঃ ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপসমূহ ; আমেরিকার হাডসন উপকূল ; স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দ্বীপ।
৯৭) কত সালে ডাটন সমস্থিতি তত্ত্ব প্রদান করেন?
উঃ ১৮৮৯ সালে।
৯৮) কত সালে জলির সমস্থিতি তত্ত্ব প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৯২৫ সালে।
৯৯) হিমালয় পর্বতের অভিকর্ষজ অসংগতি কে পরিমাপ করেন?
উঃ জর্জ এভারেস্ট।
১০০) চিম্বারাজো পর্বতের অভিকর্ষজ অসংগতি কে পরিমাপ করেন?
উঃ পিয়ের বুগের।

—Edited by Sneha Das (Admin).

©Mission Geography India.