Rio Tinto River/Red River


মাংসখেকো নদী – Rio Tinto River/Red River

আশ্চর্য এক নদীর সন্ধান পাওয়া গেছে। যে নদীতে ডুব দিলেই একেবারে মাংসছাড়া কঙ্কাল হয়ে উঠতে হবে!
আমরা কখনও এমনটি ভাবতেও পারবো না যে, এমন একটি নদী যেখানে স্নান করতে নামলে একেবারে কঙ্কাল হয়ে উঠতে হয়! এমনই এক নদী যে নদীতে ডুব দিলেন আর যখন ভেসে উঠলেন তখন আপনার গায়ে কিছুই নেই- শুধু হাড়গুলো ছাড়া। ঘটনাটি অবাক করার মতো হলেও সত্যি স্পেনে এমন একটি নদী রয়েছে, যেখানে ডুব দিলে কঙ্কাল হয়ে উঠতে হয়।

সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এমন খবর পড়ে সত্যিই বিস্মিত হতে হয়। জানা গেছে, স্পেনের ‘রিও টিনটো’ নামের এই নদীর জল অত্যন্ত আম্লিক (এসিডিক) (pH-1.7-2.5) যা ভারি ধাতু সমৃদ্ধ। ওই নদীর জলে রয়েছে প্রচুর ফেরিক আয়রণ। সে কারণেই নদীর জল অত্যন্ত ভয়ানক। এই নদীর কারণেই দেশটির অনেক গ্রামও স্থানান্তর করতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই নদীটি বেশ কয়েকটি আস্ত পাহাড়কেও গ্রাস করেছে। স্পেনের দক্ষিণ পশ্চিম দিয়ে বয়ে যাওয়া এই নদীটির উৎস আন্দালুসিয়া পর্বতে। জানা যায়, এই নদীটি মাইন খননের সময় উৎপন্ন হয়েছে। প্রায় ৫ হাজার বছর ধরে এখান হতে কপার তোলা হয়েছে।
এই নদী খননের প্যাটার্ন অর্থাৎ নদীটি এতোটাই দৃষ্টি নন্দিত যে, এটি দেখলে আপনার মনে হবে চাঁদে রয়েছেন। তবে দেখতে যতই সুন্দর হোক, এটাকে স্পর্শ করলেই মহা বিপদ! আপনার গায়ের কোনো মাংস থাকবে না। একেবারে কঙ্কাল হয়ে ফিরতে হবে।

*তথ্যসূত্র:- ইন্টারনেট ।

*See More:- https://en.m.wikipedia.org/wiki/Rio_Tinto_(river)

©Mission Geography India
Advertisements

Humans are not from Earth


“Humans are not from Earth”
আমরা মানুষরা এই পৃথিবীর সবথেকে বিকশিত ও বুদ্ধিমান প্রাণী । আজ আমরা এতটা উন্নত হয়েছি যে অন্য গ্রহে আমরা স্যাটেলাইট পাঠাতে পাচ্ছি । অতীতে যে প্রাণীদের আমরা ভয় পেতাম, আজ তাদের পোষ মানাতে শিখেছি । কিন্তু আপনি কি জানেন আমরা এই পৃথিবীর আদি প্রাণী নয় । আমরা অন্য কোনো গ্রহ থেকে এই পৃথিবীতে এসেছি । আমাদের কে বাইরের গ্রহের কোনো এলিয়েন্স এই পৃথিবীতে নিয়ে এসেছে । মানুষের সমস্ত রহস্য উদঘাটন হবে মিশন জিওগ্রাফি গ্রুপে ।
Dr. Ellis Silver -এর মতে, পৃথিবী মানুষের প্রাকৃতিক ঘর নয় । আমরা অন্য গ্রহের প্রাণী ছিলাম । এলিয়েন্স আমাদেরকে পৃথিবীতে নিয়ে এসেছে বা পাঠিয়েছে । অর্থাৎ আমরা পৃথিবীর আদি প্রাণী নয় ।এর সাপেক্ষে কিছু যুক্তি নিচে দেওয়া হল-
1. তেজ রশ্মি :- আমরা তেজ রশ্মিতে দেখতে পাই না । সেটা প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম যাই হোক না কেন । উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, আপনি গাড়ি চালাচ্ছেন তখন সূর্যের তেজ রশ্মি আপনার চোখে পড়ল এবং কিছু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনার চোখের সামনে অন্ধকার হয়ে আসবে । আর আপনি গাড়ি চালাতে পারবেন না । কিন্তু ওই সময়েই আপনি দেখবেন পাখিরা ওই তেজ রশ্মিতে সুন্দরভাবে উড়ে যাচ্ছে । অর্থাৎ পাখিদের এই আলো সমস্যার সৃষ্টি করছে না । যা পৃথিবীর অন্য প্রাণীর ক্ষেত্রেও দেখতে পাওয়া যায় । কারণ এরা কোটি কোটি বছর ধরে এই পৃথিবীতে থাকায় তারা নিজেদের বিকশিত করতে পেরেছে । আমরা এইরকম করতে পারিনা কারণ আমরা এখানে বিকশিতই হয়নি । সম্ভবত আমরা এমন গ্রহ থেকে এসেছি যেখানে পৃথিবীর মতো এত বেশি আলো আসে না ।
2. Sunlight:- ঠাণ্ডার দিনে রোদ পোহাতে আমাদের সবার ভালো লাগে । কিন্তু আমাদের যদি বলা হয় বছরের প্রতিটিটা দিন সূর্যের আলোর নীচে থাকতে তাহলে আমরা তা করতে পারি না । এই রকম হয় কারণ সূর্যের আলো থেকে বাঁচানোর জন্য আমাদের শরীরে ঘন লোম নেই । কিন্তু পৃথিবীর অন্য প্রাণী যারা স্থলভাগে জন্মায় তাদের ঘন ও লম্বা লোম থাকে । হাতি ও গণ্ডার ব্যতিক্রম হলেও তারা সময়ের সঙ্গে নিজেদের পরিবর্তন করেছে কারণ তাদের চামড়া মোটা হয় । কিন্তু আমাদের সাথে কিছুই হয়নি । আমাদের শরীরে ঘন লোমও নেই এবং চামড়াও মোটা নয় । ডারউইন এর তত্ত্ব অনুসারে প্রত্যেক জীব তার জলবায়ুর ভিত্তিতে বিকশিত হয়ে এসেছে । যদি এই রকম হয় আর আমরা বাদর থেকে বিকশিত হয়েছি তাহলে আমাদের শরীরেও ঘন লোম থাকার দরকার এবং তা আমাদের ক্ষেত্রে লাভজনক হতো । আগুন আবিষ্কারের পূর্বেও মানুষের শরীরে লোম ছিল না । তাই আগুনের কারণে মানুষের লোম পুড়েও যায়নি ।
*পরবর্তী পর্বে আরও যুক্তি দেওয়া হবে এবং বিস্তারিত আরও আলোচনা হবে ।
—-Sourav Sarkar (Director).
©Mission Geography India.

Rain Mystery


” বৃষ্টি রহস্য ”
*লেখক- সৌরভ সরকার ।
আমরা এমন একটি গ্রহের খোঁজ করেছি যেখানে বিভিন্ন ধরনের জলবায়ু , অচেনা দৃশ্য এবং যেখানে প্রতি মুহূর্তে কিছু না কিছু অদ্ভূত ঘটনা ঘটে চলেছে । এই গ্রহ ব্রহ্মাণ্ডের সবথেকে অদ্ভূত গ্রহ । আর এই গ্রহ হল আমাদের পৃথিবী । আমরা এর রহস্যকে এই মাত্র জানা শুরুই করেছি ।
আমাদের পৃথিবীতে এমন একটি প্রক্রিয়া রয়েছে যেটা আমাদের কাছে একটি সাধারণ ব্যাপার । এটি ব্রহ্মাণ্ডের শুধুমাত্র অদ্ভূত ঘটনা নয় , এটি ছাড়া মানুষের অস্তিত্বও থাকত না । আমাদের শরীরে এক এক বিন্দু জল কোটি কোটি বছর ধরে রয়েছে । এমনও হতে পারে আমাদের শরীরে সেই জলই রয়েছে , যে জল আইস্টাইন কিংবা স্বামী বিবেকানন্দের শরীরে ছিল । এই প্রক্রিয়া হল বৃষ্টিপাত । সৃষ্টিকর্তার জানা কিন্তু খুব শক্তিশালী শক্তি একে ঘটায় । এর মধ্যে রয়েছে অনেক রহস্য এমনকি জীবনও । বৃষ্টির ওপর থেকে পর্দা উঠবে এবার আমাদের “Mission Geography” গ্রুপে ।
rain-falling-on-trees
আকাশ থেকে আমাদের পৃথিবীকে অরূপ সুন্দর দেখায় । সৌরমণ্ডলের মধ্যে আমাদের পৃথিবী সবথেকে অদ্ভূত কারণ এর উপর বিশাল সমুদ্র আছে । আর এর আকাশ থেকে জল ঝরে পড়ে । ঘখন আপনি মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে দেখেন তখন দুটি জিনিস অবশ্যই লক্ষ্য করেন এক সাদা মেঘ , আর অপরটি নীল সমুদ্র । সমুদ্র , বয়ে যাওয়া নদী , ঝর্ণা , গাছের পাতা ও ঘরের গায়ে লেগে থাকা জল আমাদের Water Cycle -এর অংশ । সেই cycle যার জন্য পৃথিবীতে জীবন রয়েছে । এমনকি আমরাও এই বর্ষাচক্রের একটি অংশ । পৃথিবীর সবথেকে শুষ্ক মরুভূমি, যাকে Death Valley -ও বলা হয় । যাকে বর্ষার জল বর্তমান আকার দিয়েছে । এখানে একসময় নদী বয়ে গিয়েছিল, যার জন্যই এখানকার পাহাড়ে সুন্দর সুন্দর আকৃতির ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়েছে ।
death-valley-national-park-600x394
বৃষ্টি দেখতে সহজ মনে হলেও খুব কম লোকই জানে বৃষ্টি কেমন করে হয় । যেমন মহাকাশ থেকে আসা ক্ষুদ্র কণা এবং ভূপৃষ্ঠের সূক্ষ্ম জীব আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরতে সাহায্য করে । বৃষ্টির রহস্যের শুরু হয় এক বিশেষ রূপে, যা তরল নয় ।
ice
ভূপৃষ্ঠের অনেক উপরে তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রির থেকে অনেক কম হয় । অনেক স্কুলে পড়ানো হয় শূন্য ডিগ্রিতে জল বরফ হয়ে যায় । কিন্তু আকাশে এই রকম হয় না । উষ্ণতা শূন্যের থেকে কম হলেও জল বরফে পরিণত হতে পারে না , কারণ এর জন্য দরকার মৃত্তিকার সূক্ষ্ম কণার । যা অতি শীতল তরল জলকে বরফের কেলাসে পরিণত করে ।
অনেক ছোট কণা, যেমন – বালি, লবণকণা, ছাইয়ের কণা বাতাসের দ্বারা আকাশে মেঘের মধ্যে চলে যায় । আবার কিছু কণা মহাকাশ থেকেও আসে । প্রতিদিন 2731 কিলোগ্রাম । এই কণা এতটাই ক্ষুদ্র যে পৃথিবীতে আসার সময় ঘর্ষণে পুড়ে যায় না । অনুমান করা হয়, এই মাইক্রোমিট্রোরাইটের জন্য পৃথিবী প্রতিবছর 10000 টন করে ভারী হচ্ছে । এই মাইক্রোমিট্রোরাইট ঘখন মেঘের অতিশীতল জলকণার মধ্যে প্রবেশ করে । তখন সেই জলকণা crystral হয়ে জমে বরফে পরিণত হয় ।
types-of-rainfall-2-638
rain_formation
আর সেই বরফ কণাকে কেন্দ্র করে আশেপাশের জলকণা একত্রিত হয়ে বড়ো বরফ কণায় পরিণত হয় । আর সেই বরফ কণা ভারী হয়ে নীচে নামতে শুরু করলে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে গলতে শুরু করে এবং জলকণা রূপে ভূপৃষ্ঠে ঝরে পড়ে ।
rain-falling-wallpaper-3
অদ্ভূত ব্যাপার এই যে জীবন্ত প্রাণী থেকেও Ice Crystral -এর সৃষ্টি হতে পারে । অতি ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়া , যেমন সিউডোমোরাস সিরিন্গে বাতাসের দ্বারা আকাশে উঠে ভেসে বেড়ানো অতি শীতল জলকণার মধ্যে প্রবেশ করে অতি দ্রুত বরফ কণায় পরিণত করতে পারে । সেই বরফ কণা মধ্যার্ষণে নীচে নামার সময় সূর্যরশ্মির তাপে গলে গিয়ে বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ার সময় সেই সিউডোমোরাস সিরিন্গে আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে ।
** পরবর্তী অংশ অতি শীঘ্রই আসছে ।
***Mission Geography***
Edited by Sourav Sarkar.